মৃত্যু ছাড়াল দুই হাজার, শনাক্ত ১৬২৪১৭

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫৫, শনাক্ত ২৭৩৮

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৬ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফাইল ছবি

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দুই হাজার ছাড়াল। ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট মারা গেছেন ২ হাজার ৫২ জন। একদিনে নতুন করে ২ হাজার ৭৩৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ জনের।

তবে গত একদিনে শনাক্তের সংখ্যা কমলেও মৃত্যু বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। আগের দিন দেশে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা এক মাসের মধ্যে সর্বনিু। কিন্তু একদিন পর তা বেড়ে হয়েছে ৫৫ জন। দেশে এটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এক দিনের ব্যবধানে মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার।

সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার সবচেয়ে কম ১৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গত কয়েক দিন আগের চেয়ে নমুনা পরীক্ষা কমেছে। ফলে কমেছে শনাক্তের সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৯০৪ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ৭২ হাজার ৬২৫ জন।

রোববার কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত বুলেটিনে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা এসব তথা জানান।

তিনি জানান, দেশে ৭৩টি পরীক্ষাগার চালু থাকলেও ৬৮টির ফলাফল পাওয়া গেছে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৯৬৪টি। আগেরসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ৯৮৮টি। এখন পর্যন্ত মোট ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪৪ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৬ শতাংশ। নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। এখন পর্যন্ত মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৬২৪ জন, যা শতকরা ৭৯ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং নারী ৪২৮ জন, যা শতকরা ২০ দশমিক ৮৬ শতাংশ। মৃত ৫৫ জনের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৭১ থেকে ৮০ বছরের ১২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের ৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ১৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩ জন এবং শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৯, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩, বরিশাল বিভাগে ৫, রাজশাহী বিভাগে ১, খুলনা বিভাগে ৬, সিলেটে ২, রংপুর বিভাগে ৮ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৪১ জন এবং বাসায় ১৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৪৪৯ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৬ হাজার ৭১৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৪৮৩ জন, এখন পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৭ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ৩০ হাজার ৮৭২ জনকে। প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম মিলিয়ে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ২ হাজার ৮৮৭ জনকে। এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৩২ জনকে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৫৩৫ জন, এখন পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ৩ লাখ ১২ হাজার ৫৩০ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৬৪ হাজার ৫০২ জন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, খাদ্যদ্রব্যের মাধ্যমে করোনা ছড়ায় না। তবে খাদ্যবাহিত রোগ প্রতিরোধে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। মায়ের দুধের মাধ্যমে করোনা ছড়ায় না বলেও জানান তিনি।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত