কমেছে শনাক্ত ও মৃত্যু
jugantor
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৭ চিহ্নিত ২৯৪৯
কমেছে শনাক্ত ও মৃত্যু

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসে গত কয়েক দিনের তুলনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে। এক দিনে মৃত্যু ৪০ ও নতুন শনাক্ত তিন হাজারের নিচে নেমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২২৭৫। এই ভাইরাসে মোট মৃত্যুর অর্ধেকই ঢাকা বিভাগের। গত এক দিনে নতুন শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৯৪৯ জন। সবমিলে মোট শনাক্ত এক লাখ ৭৮ হাজার ৪৪৩ জন। এ সময় আরও এক হাজার ৮৬২ জনসহ সুস্থ হয়েছেন ৮৬ হাজার ৪০৬ জন।

শুক্রবার কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭টি পরীক্ষাগারে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৩৭৭টি, আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৮৮টি। এ নিয়ে মোট পরীক্ষা হলো ৯ লাখ ১৮ হাজার ২৭২টি নমুনা। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ২৭ এবং সুস্থতার হার ৪৮ দশমিক ৪২ শতাংশ। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২৯ জন এবং নারী আটজন। এদের ২৩ জন হাসপাতালে এবং ১৪ জন বাড়িতে মারা গেছেন। মোট মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৭৯৯ জন এবং নারী ৪৭৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ জন, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে দু’জন করে এবং বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

নাসিমা বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন ঢাকা বিভাগে। এ পর্যন্ত সারা দেশে করোনায় মারা গেছেন দুই হাজার ২৭৫ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই ৫০ দশমিক ১১ শতাংশ। ঢাকা বিভাগের পরই বেশি মারা গেছেন চট্টগ্রামে। এ বিভাগে মৃত্যুর হার ২৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ, রাজশাহীতে পাঁচ দশমিক শূন্য এক শতাংশ, খুলনায় চার দশমিক ৯২ শতাংশ, বরিশালে তিন দশমিক ছয় শতাংশ, সিলেটে চার দশমিক ৩৫ শতাংশ, রংপুরে তিন দশমকি ১ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন দুই দশমিক ৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের বয়স বিবেচনায় শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে দশমিক ৬২ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এক দশমিক ১৪ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিন দশমিক ২৫ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে সাত দশমিক ৩০ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৯ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের হার ৪৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

সারা দেশে হাসপাতালের সাধারণ ও আইসিইউ শয্যা এবং ভর্তি রোগীর তথ্য তুলে ধরে নাসিমা সুলতানা বলেন, করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলোতে সাধারণ শয্যার সংখ্যা ১৪ হাজার ৯৪৫টি। তাতে রোগী ভর্তি আছে চার হাজার ৩৬১ জন এবং শয্যা খালি আছে ১০ হাজার ৫৮৪টি। সারা দেশে আইসিইউ শয্যা ৩৯৪টি। তার মধ্যে রোগী ভর্তি আছে ২২৬টিতে এবং খালি আছে ১৬৮টি। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৮৯৩ জন, আর ৭৬৮ জন ছাড়া পেয়েছেন। বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ১৭ হাজার ১৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ৬০০ জনসহ এখন পর্যন্ত তিন লাখ ৮৯ হাজার ১৯১ জন কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন।

 

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৭ চিহ্নিত ২৯৪৯

কমেছে শনাক্ত ও মৃত্যু

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১১ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসে গত কয়েক দিনের তুলনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে। এক দিনে মৃত্যু ৪০ ও নতুন শনাক্ত তিন হাজারের নিচে নেমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২২৭৫। এই ভাইরাসে মোট মৃত্যুর অর্ধেকই ঢাকা বিভাগের। গত এক দিনে নতুন শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৯৪৯ জন। সবমিলে মোট শনাক্ত এক লাখ ৭৮ হাজার ৪৪৩ জন। এ সময় আরও এক হাজার ৮৬২ জনসহ সুস্থ হয়েছেন ৮৬ হাজার ৪০৬ জন।

শুক্রবার কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭টি পরীক্ষাগারে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৩৭৭টি, আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৮৮টি। এ নিয়ে মোট পরীক্ষা হলো ৯ লাখ ১৮ হাজার ২৭২টি নমুনা। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ২৭ এবং সুস্থতার হার ৪৮ দশমিক ৪২ শতাংশ। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২৯ জন এবং নারী আটজন। এদের ২৩ জন হাসপাতালে এবং ১৪ জন বাড়িতে মারা গেছেন। মোট মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৭৯৯ জন এবং নারী ৪৭৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ জন, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে দু’জন করে এবং বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

নাসিমা বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন ঢাকা বিভাগে। এ পর্যন্ত সারা দেশে করোনায় মারা গেছেন দুই হাজার ২৭৫ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই ৫০ দশমিক ১১ শতাংশ। ঢাকা বিভাগের পরই বেশি মারা গেছেন চট্টগ্রামে। এ বিভাগে মৃত্যুর হার ২৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ, রাজশাহীতে পাঁচ দশমিক শূন্য এক শতাংশ, খুলনায় চার দশমিক ৯২ শতাংশ, বরিশালে তিন দশমিক ছয় শতাংশ, সিলেটে চার দশমিক ৩৫ শতাংশ, রংপুরে তিন দশমকি ১ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন দুই দশমিক ৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের বয়স বিবেচনায় শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে দশমিক ৬২ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এক দশমিক ১৪ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিন দশমিক ২৫ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে সাত দশমিক ৩০ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৯ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের হার ৪৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

সারা দেশে হাসপাতালের সাধারণ ও আইসিইউ শয্যা এবং ভর্তি রোগীর তথ্য তুলে ধরে নাসিমা সুলতানা বলেন, করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলোতে সাধারণ শয্যার সংখ্যা ১৪ হাজার ৯৪৫টি। তাতে রোগী ভর্তি আছে চার হাজার ৩৬১ জন এবং শয্যা খালি আছে ১০ হাজার ৫৮৪টি। সারা দেশে আইসিইউ শয্যা ৩৯৪টি। তার মধ্যে রোগী ভর্তি আছে ২২৬টিতে এবং খালি আছে ১৬৮টি। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৮৯৩ জন, আর ৭৬৮ জন ছাড়া পেয়েছেন। বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ১৭ হাজার ১৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ৬০০ জনসহ এখন পর্যন্ত তিন লাখ ৮৯ হাজার ১৯১ জন কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন।