২৪ ঘণ্টায় চিহ্নিত ২৬৬৬

শনাক্তের হারে রেকর্ড, মৃত্যু আরও ৪৭

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৩ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। ফের বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্তের হার। গত একদিনে যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে সর্বাধিক ২৪ দশমিক ১১ শতাংশ মানুষ করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার পর একদিনে এটাই সর্বোচ্চ শনাক্তের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২৬৬৬ জন। এ সময় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯টি। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন। করোনায় আরও ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৩৫২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৫৮০ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৯৩ হাজার ৬১৪ জন।

রোববার কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টায় ৭৭টি পরীক্ষাগারে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১১ হাজার ২১০টি, পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯টি। এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ৪০ হাজার ৫২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ১১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫০ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ২৮ শতাংশ।

নাসিমা সুলতানা জানান, মারা যাওয়াদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১১ জন নারী। এখন পর্যন্ত মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৮৬০ জন এবং নারী ৪৯২ জন। ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৮১ থেকে ৯০ বছরের ২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের ৬ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের ১৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ১৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের ২ জন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৩, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬, রাজশাহী বিভাগে ৪, খুলনা বিভাগে ৬, বরিশাল বিভাগে ২, রংপুর বিভাগে ২ এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন রয়েছেন। হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৩ জন এবং বাসায় ৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৭৩৭ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৭ হাজার ৩১৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম মিলিয়ে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ২ হাজার ৫৩১ জনকে। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৬৩ হাজার ৮৩ জন।

তিনি বলেন, এডিস মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশন ক্রাশপ্রোগ্রাম হাতে নিয়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন বাসাবাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে। যেসব বাসায় লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, তাদের জরিমানাও করা হচ্ছে। করোনার সঙ্গে সঙ্গে যাতে মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা চান নাসিমা।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত