রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজির প্রতারণা

আইনের আওতায় আসছে নেপথ্যের নায়করা

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ চুক্তি সংশ্লিষ্ট সবাইকে তলব করবে দুদক * রিজেন্ট হাসপাতালের চুক্তির কাগজপত্র জব্দ; সাবরিনার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা; সাহেদ, সাবরিনা ও আরিফের সম্পদের অনুসন্ধান শুরু * দুদকের পদক্ষেপ ইতিবাচক। এটা যেন শেষ পর্যন্ত গভীরে যায়। লোক দেখানো না হয় - ইফতেখারুজ্জামান

  মিজান মালিক ও মাহমুদুল হাসান নয়ন  ২০ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রিজেন্টের সাহেদ ও জেকেজির ডা. সাবরিনা।

রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথ কেয়ারের করোনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির ঘটনায় নেপথ্যের নায়কদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সরকারের সঙ্গে দুই প্রতিষ্ঠানের চুক্তির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে তলব করবে দুদক। আজ-কালের মধ্যেই তাদের তলব করা হতে পারে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি টিম রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজির সঙ্গে চুক্তিসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জব্দ করেছে। পাশাপাশি জেকেজির চেয়ারম্যান সাবরিনার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এছাড়া সাহেদ ও জেকেজির দুই কর্মকর্তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানও শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের তিনজনের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে দুদক।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, যারা এ জালিয়াতি করেছে, দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, বিদেশে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে, তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে একাধিক টিম কাজ করছে। টিম যখন যাকে প্রয়োজন মনে করবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

দুদকের পরিচালক মীর জয়নুল আবেদিন শিবলীর নেতৃত্বে একটি টিম পিপিই ও মাস্ক কেলেঙ্কারিসহ স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারদের নিয়ে অনুসন্ধানকাজ শুরু করে। সেই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এরই মধ্যে অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আর রিজেন্ট ও জেকেজির ঘটনা ফাঁস হওয়ায় সেটিও অনুসন্ধানের জন্য আমলে নেয় দুদক। গঠন করা হয় পৃথক অনুসন্ধান টিম।

পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে আরও পৃথক দুটি টিম রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজির প্রতারণা, জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিষয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম রিজেন্ট হাসপাতালের যাবতীয় অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানকাজ শুরু করেছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এ টিমের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরকে চিঠি দিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়। এছাড়া আবু বকরের নেতৃত্বাধীন টিম রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরে সরেজমিন গিয়ে বেশকিছু কাগজপত্র জব্দ করে বলে জানা যায়।

অপরদিকে উপ-পরিচালক সেলিনা আক্তার মণির নেতৃত্বে একটি টিম সাবরিনা ও আরিফের অবৈধ সম্পদ এবং জালিয়াতির বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাবরিনার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বরাবর চিঠি পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়, প্রতারণামূলকভাবে ভুয়া রিপোর্ট প্রদানের মাধ্যমে জেকেজির সাবরিনা বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন করেন। তার বিদেশ গমন ঠেকানো প্রয়োজন।

এদিকে রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ করিম, তার হাসপাতালের একজন পরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক কর্মকর্তা ও জেকেজির আরিফ এবং সাবরিনার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করছে দুদক। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাদের বিষয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি দিয়ে তথ্য চাওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্য খাতের এ জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, বেশির ভাগ ঘটনায় আমরা দেখি চুনোপুঁটি নিয়ে টানাটানি, রুই-কাতলা ধরাছোঁয়ার বাইরে। যারা রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথ কেয়ারকে সুযোগ করে দিয়েছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে যে নামগুলো আসছে, তদন্তের স্বার্থে এখন তা প্রকাশ না করলেও পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তর তদন্ত শুরু করতে হবে। নইলে এ ঘটনাও আস্তে আস্তে চাপা পড়ে যাবে। দুর্নীতির শেকড় আরও বেশি শক্ত হবে।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এ প্রতারণা নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা (অধিদফতর) এবং তাদের যে নিয়ন্ত্রক (মন্ত্রণালয়) টানাপোড়েন দেখছি, এটি এক ধরনের দায় এড়ানোর চেষ্টা। এটি দুর্নীতির সঙ্গে তাদের যুক্ত থাকার ধারণাকে আরও শক্তিশালী করছে। এ ঘটনাগুলোর জন্য এককভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো দায়ী নয়। মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরেরও দায় রয়েছে। দুদকের পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি এ পদক্ষেপকে ইতিবাচকভাবে দেখতে চাই। কিন্তু এটা যেন শেষ পর্যন্ত গভীরে যায়। লোক দেখানো না হয়। আনুষ্ঠানিকতা না হয়। কাগজপত্র ও অনুসন্ধানে যাদের নাম আসছে, তাদের যেন পরিচয় দ্বারা বিবেচনা না করা হয়।

করোনাভাইরাস পরীক্ষা কেলেঙ্কারির ঘটনায় রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক ও জেকেজি হেলথ কেয়ারের দুই কর্ণধার গ্রেফতার হলেও নেপথ্যের নায়করা এখনও অধরা। লাইসেন্সবিহীন ও নিম্নমানের এ প্রতিষ্ঠান দুটিকে মহামারী করোনাভাইরাস পরীক্ষা ও চিকিৎসার অনুমোদন প্রদানে জড়িত কেউ এখনও শাস্তির আওতায় আসেনি।

আগে থেকেই রিজেন্ট হাসপাতালের প্রতারণা ও অনিয়মের কথা জেনেও চুপ থাকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও নেয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ। ২০১৪ সালে লাইসেন্সবিহীনভাবে চলা রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়মের বিষয়ে ২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি যুগান্তরে গুরুত্বসহকারে একটি সংবাদও প্রকাশিত হয়। ‘লাইসেন্সবিহীন রিজেন্ট হাসপাতাল’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে দালালদের মাধ্যমে রোগী আনা, জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং নোংরা পরিবেশের বিষয়টি উঠে আসে। তখন হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

আটক তিন প্রতারককে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) জিজ্ঞাসাবাদেও উঠে আসছে স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ অনেক ব্যক্তির নাম। প্রতারণা সামলে নিতে ‘মোটা অঙ্কের লেনদেন’র ইঙ্গিতও দিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র। তবে এখনও নেপথ্যের নায়কদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ অবস্থায় দুদকের এ পদক্ষেপের ফলে রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথ কেয়ারের সঙ্গে যুক্ত নেপথ্যের নায়কদের আইনের আওতায় আসার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান যুগান্তরকে বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শুরু থেকেই দেখছি এখানে নানা দুর্নীতি বাসা বেঁধে আছে। মানহীন মাস্ক ও পিপিই, টেস্ট নিয়ে দুর্নীতি, কেনাকাটা নিয়ে দুর্নীতি একটির পর একটি উঠে আসছে। কিন্তু সবই দেখছি ইনভেস্টিগেশনে (তদন্ত) আছে, কোনো কনকুলেশনে (সমাপ্তি) নেই। এসব ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের টানাপোড়েন খুবই দুঃখজনক, তাদের কেউই দায় এড়াতে পারে না। এসব কাজে যে চুক্তি হয়েছে, সবাই মিলেই সেটা করেছে। ছবিই বলে দিচ্ছে তারা এ প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিল।

এ বিষয়ে জানতে স্বাস্থ অধিদফতরের মহপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এসব ঘটনার সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ছিলেন মো. আসাদুল ইসলাম। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা নিয়ে নানা সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ৪ জুন তাকে বদলি করে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব করা হয়। রোববার এ বিষয়ে জানতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান যুগান্তরকে বলেন, রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথ কেয়ারের প্রতারণার ঘটনায় যদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা অধিদফতরের কারও নাম আসে, তাহলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থায় যাব। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। যে কোনো অবৈধ কাজে জড়িত থাকলে যেভাবে ব্যবস্থা নেয়া হয়, এ ক্ষেত্রেও সেটি করা হবে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যেসব বিধিবিধান রয়েছে, সেভাবেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাহেদকে নিয়ে মধ্যরাতে অভিযান, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার : করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট প্রদান, অর্থ আত্মসাৎসহ প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদকে নিয়ে গভীর রাতে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা। তিনি বলেন, শনিবার মধ্যরাতে ডিবি তাকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মদ, ফেনসিডিল ও পিস্তল উদ্ধার হওয়ায় দুটি মামলা হয়।

উত্তরা পশ্চিম থানা সূত্র জানায়, রাতে ডিবি সদস্যরা সাহেদকে নিয়ে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপদ রোডের ৬২ নম্বর বাসার সামনে অভিযান চালান। সেখানে সাহেদের নিজস্ব সাদা প্রাইভেট কার ছিল। সেই প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে ডিবির সদস্যরা পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ১০ বোতল ফেনসিডিল ও একটি পিস্তল উদ্ধার করেন। একটি গুলিও উদ্ধার করা হয়। এরপরই অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করা হয়। এ থানায় এ পর্যন্ত সাহেদের বিরুদ্ধে পাঁচটি প্রতারণাসহ সাতটি মামলা হল।

১৬ জুলাই বুধবার ভোর ৫টার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্তবর্তী কোমরপুর গ্রামের লবঙ্গবতী নদী পার হওয়ার জন্য বোরকা পরে মাছ ধরা নৌকায় ওঠা অবস্থায় সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। বর্তমানে সাহেদ ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডে আছেন।

সাবরিনার স্বামী আরিফ কারাগারে : জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জন ও বিতর্কিত জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীর স্বামী আরিফ চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম মাহমুদা বেগম এ আদেশ দেন। এদিন মামলার অপর আসামি আরিফের সহযোগী সাঈদকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।

একই সঙ্গে তাদের কারাবিধি অনুসারে চিকিৎসা দেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আসামিদের দুই দফায় রিমান্ড শেষে এদিন আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপরদিকে আসামিপক্ষে উন্নত চিকিৎসার জন্য আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত ওই আদেশ দেন।

এর আগে দ্বিতীয় দফায় ১৫ জুলাই ওই দুই আসামির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরও আগে প্রথম দফায় তাদের ২৪ জুন ২ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়া হয়। জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ারের (জেকেজি) বিরুদ্ধে অভিযোগ- সরকারের কাছ থেকে বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথ কেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে টাকা নিচ্ছিল এবং নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া সনদ দিত। আরিফুলকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনার সম্পৃক্ততা উঠে আসে। এ মামলায় ১৭ জুলাই সাবরিনাকে দ্বিতীয় দফায় ২ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত।

ঘটনাপ্রবাহ : রিজেন্ট গ্রুপ চেয়ারম্যান সাহেদ কাণ্ড

আরও

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত