কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়েছে কয়েদি
jugantor
কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়েছে কয়েদি
সহকারী প্রধান কারারক্ষীসহ ছয়জনকে সাময়িক বরখাস্ত এবং আরও ছয় কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

০৮ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে এক কয়েদি পালিয়ে গেছেন। ওই কয়েদির নাম আবু বকর সিদ্দিক। বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আবাদ চণ্ডিপুরে। তিনি যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। এ ঘটনায় প্রধান কারারক্ষীসহ ছয় কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারাগার সূত্র জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লকআপ করতে গিয়ে কয়েদি আবু বকরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত ওই কয়েদিকে কারাগারের ভেতরে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কারা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, আবু বকর জেলের ১৮ ফুট সীমানা প্রচীর টপকে পালিয়ে গেছেন।

কারা সূত্র আরও জানায়, কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের প্রধান ও সহকারী প্রধান কারারক্ষীসহ ছয়জনকে সাময়িক বরখাস্ত এবং আরও ছয় কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত আইজি প্রিজনস কর্নেল আরবার হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কয়েদি আবু বকর সিদ্দিক ২০১১ সালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফাঁসির আসামি হিসেবে কাশিমপুর কারাগারে আসেন। ২০১২ সালের ২৭ জুলাই সাজা সংশোধন করে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।

কাশিমপুর কারাগারের এক কর্মকর্তা জানান, কারাগারের কোথাও আবু বকর সিদ্দিক লুকিয়ে থাকতে পারেন বলে প্রথমে ধারণা করা হয় কিন্তু শুক্রবার বিকালেও তাকে কারাগারে খুঁজে না পেয়ে কারাগারের জেলার মো. বাহারুল ইসলাম বাদী হয়ে শুক্রবার বিকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ি থানায় মামলা করেছেন।

তিনি আরও জানান, এর আগে ২০১৫ সালের ১৩ মে সন্ধ্যায়ও তিনি আত্মগোপন করেছিলেন। তখন তিনি সেল এলাকায় সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। পরদিন তাকে একটি ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়েছে কয়েদি

সহকারী প্রধান কারারক্ষীসহ ছয়জনকে সাময়িক বরখাস্ত এবং আরও ছয় কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা
 গাজীপুর প্রতিনিধি 
০৮ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে এক কয়েদি পালিয়ে গেছেন। ওই কয়েদির নাম আবু বকর সিদ্দিক। বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আবাদ চণ্ডিপুরে। তিনি যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। এ ঘটনায় প্রধান কারারক্ষীসহ ছয় কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারাগার সূত্র জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লকআপ করতে গিয়ে কয়েদি আবু বকরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত ওই কয়েদিকে কারাগারের ভেতরে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কারা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, আবু বকর জেলের ১৮ ফুট সীমানা প্রচীর টপকে পালিয়ে গেছেন।

কারা সূত্র আরও জানায়, কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের প্রধান ও সহকারী প্রধান কারারক্ষীসহ ছয়জনকে সাময়িক বরখাস্ত এবং আরও ছয় কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত আইজি প্রিজনস কর্নেল আরবার হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কয়েদি আবু বকর সিদ্দিক ২০১১ সালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফাঁসির আসামি হিসেবে কাশিমপুর কারাগারে আসেন। ২০১২ সালের ২৭ জুলাই সাজা সংশোধন করে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।

কাশিমপুর কারাগারের এক কর্মকর্তা জানান, কারাগারের কোথাও আবু বকর সিদ্দিক লুকিয়ে থাকতে পারেন বলে প্রথমে ধারণা করা হয় কিন্তু শুক্রবার বিকালেও তাকে কারাগারে খুঁজে না পেয়ে কারাগারের জেলার মো. বাহারুল ইসলাম বাদী হয়ে শুক্রবার বিকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ি থানায় মামলা করেছেন।

তিনি আরও জানান, এর আগে ২০১৫ সালের ১৩ মে সন্ধ্যায়ও তিনি আত্মগোপন করেছিলেন। তখন তিনি সেল এলাকায় সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। পরদিন তাকে একটি ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।