সিনহা হত্যা মামলা

চার আসামিকে জেলগেটে র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদ

প্রদীপ কুমারসহ আসামিদের আজ র‌্যাব হেফাজতে নেয়া হতে পারে

  কক্সবাজার প্রতিনিধি ০৯ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার চার আসামিকে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে র‌্যাব। শনিবার দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

শনিবার কক্সবাজার জেলা কারাগারের সুপার মোকাম্মেল হোসেন যুগান্তরকে এসব তথ্য জানান। তবে র‌্যাব মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, র‌্যাব কর্মকর্তারা জেল গেটে কোনো আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।

আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই করতে তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি জামিল আহমেদের নেতৃত্বে একটি টিম জেল গেটে গিয়েছিল। শনিবার রাত ১২টার দিকে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে একটু ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে।

আসামিদের যখন আদালতে তোলা হয় তখন মৌখিকভাবে আদালত ৭ আসামির ৩ জনের ৭ দিন করে রিমান্ড ও চারজনের দু’দিনের জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়া হয়। পরে ৭ আসামিরই ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, র‌্যাব এখনও কোনো আসামিকে হেফাজতে নেয়নি। আশা করা যাচ্ছে আগামীকাল (আজ রোববার) তাদের র‌্যাব হেফাজতে নেয়া হবে। কারাগার থেকে পর্যায়ক্রমে র‌্যাব-১৫ (কক্সবাজার) অধীন রিমান্ডে এনে তাদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এর আগে র‌্যাব-১৫-এর উপ-অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান যুগান্তরকে জানান, আদালতের আদেশের কাগজপত্র পেলেই সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যার মামলায় আসামিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

পরে গত বুধবার তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে আদালতে মামলা করলে আদালত মামলাটি টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নথিভুক্ত করার আদেশ দেন।

পাশাপাশি র‌্যাব-১৫-এর কমান্ডারকেও তদন্ত করার নির্দেশ দেন। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে এই মামলায় ওসি প্রদীপসহ ৭ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বর্তমানে সবাই কক্সবাজার জেলা কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে সিনহা হত্যার ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাবের পক্ষ থেকে আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়।

প্রথমে টেকনাফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হেলাল উদ্দিন মৌখিকভাবে টেকনাফ থানার সদ্য সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদ্য সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিতের ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বাকি ৪ আসামি এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে দু’দিন জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। পরে লিখিত আদেশে সবারই ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত