পুলিশের সেই তিন সাক্ষী গ্রেফতার
jugantor
পুলিশের সেই তিন সাক্ষী গ্রেফতার
১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন, আজ শুনানি

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১২ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় পুলিশের করা দুই মামলায় সেই তিন সাক্ষীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার দুপুরে টেকনাফের বাহারছড়া থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

৩১ জুলাই ঘটনার আগে পাহাড় থেকে নামার সময় সিনহাকে ডাকাত বলে প্রচার করেছিলেন তারা। 

গ্রেফতার হওয়া তিনজন হলেন- নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ। তাদের বাড়ি টেকনাফের বাহারছড়া ও মারিশবনিয়া এলাকায়।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. হেলাল উদ্দিনের আদালতে এ তিনজনকে হাজির করা হয়।

তাদের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন র‌্যাবের মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার মো. জামিল আহমদ। 

আদালত আসামিদের সঙ্গে কথা বলে নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই করে বুধবার (১২ আগস্ট) শুনানির দিন ধার্য করে তিনজনকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। 

র‌্যাব-১৫ এর কমান্ডিং অফিসার মেজর মেহেদী জানান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যার ঘটনার জড়িত সন্দেহে মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে টেকনাফের বাহারছড়া থেকে আটক করা হয়েছে।

তাদের র‌্যাব হেফাজতে নেয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সিনহা হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

পরে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয় তাদের। ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি মামলা হয়।

একটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়। এই মামলায় সরকারি কাজে বাধা ও গুলিতে নিহত হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। সেই মামলার আসামি করা হয় সিফাতকে।

আর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রামু থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় আসামি করা হয় শিপ্রা দেবনাথকে।

৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন বাদী হয়ে একই আদালতে টেকনাফ সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, থানার এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

পরের দিন বৃহস্পতিবার বিকালে ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত, এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ ৭ পুলিশ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

একই আদালত র‌্যাবের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দলাল রক্ষিতকে সাত দিনের রিমান্ড এবং অপর চার আসামি কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও এসআই লিটনকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

অপর দুই আসামি এসআই টুটুল ও মো. মোস্তাফা আদালতে হাজির হননি। পুলিশের দাবি, এই নামে জেলা পুলিশে কেউ নেই।
 

পুলিশের সেই তিন সাক্ষী গ্রেফতার

১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন, আজ শুনানি
 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১২ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় পুলিশের করা দুই মামলায় সেই তিন সাক্ষীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার দুপুরে টেকনাফের বাহারছড়া থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

৩১ জুলাই ঘটনার আগে পাহাড় থেকে নামার সময় সিনহাকে ডাকাত বলে প্রচার করেছিলেন তারা।

গ্রেফতার হওয়া তিনজন হলেন- নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ। তাদের বাড়ি টেকনাফের বাহারছড়া ও মারিশবনিয়া এলাকায়।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. হেলাল উদ্দিনের আদালতে এ তিনজনকে হাজির করা হয়।

তাদের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন র‌্যাবের মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার মো. জামিল আহমদ।

আদালত আসামিদের সঙ্গে কথা বলে নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই করে বুধবার (১২ আগস্ট) শুনানির দিন ধার্য করে তিনজনকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

র‌্যাব-১৫ এর কমান্ডিং অফিসার মেজর মেহেদী জানান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যার ঘটনার জড়িত সন্দেহে মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে টেকনাফের বাহারছড়া থেকে আটক করা হয়েছে।

তাদের র‌্যাব হেফাজতে নেয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সিনহা হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

পরে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয় তাদের। ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি মামলা হয়।

একটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়। এই মামলায় সরকারি কাজে বাধা ও গুলিতে নিহত হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। সেই মামলার আসামি করা হয় সিফাতকে।

আর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রামু থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় আসামি করা হয় শিপ্রা দেবনাথকে।

৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন বাদী হয়ে একই আদালতে টেকনাফ সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, থানার এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

পরের দিন বৃহস্পতিবার বিকালে ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত, এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ ৭ পুলিশ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

একই আদালত র‌্যাবের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দলাল রক্ষিতকে সাত দিনের রিমান্ড এবং অপর চার আসামি কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও এসআই লিটনকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

অপর দুই আসামি এসআই টুটুল ও মো. মোস্তাফা আদালতে হাজির হননি। পুলিশের দাবি, এই নামে জেলা পুলিশে কেউ নেই।