প্রদীপসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
jugantor
টেকনাফে সাদ্দাম খুন
প্রদীপসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

১৯ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার মামলাটি করেন টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার সুলতান আহমদের স্ত্রী গোল চেহের।

৭ জুলাই ছেলে সাদ্দাম হোসেনকে হত্যার ঘটনায় মামলাটি করেন তিনি। আদালত-৩ (টেকনাফ) এর বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইনসাফুর রহমান জানান, ৪ জুলাই সকালে বাদী গোল চেহেরের দুই সন্তান সাদ্দাম হোসেন ও মো. জাহেদ হোসেনকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে লাশ ফেলে দেয়া হবে বলে হুমকি দেন টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান। পাঁচ লাখ টাকা নেয়ার পরও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান ৬ জুলাই জাহেদকে ইয়াবা মামলা দিয়ে আদালতে চালান করেন।

এরপর ৭ জুলাই রাতে বাড়ি থেকে ৩০০ গজ দূরে সাদ্দাম ও অন্য একজনকে গুলি করে পুলিশ। এতে সাদ্দাম গুরুতর আহত হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মশিউরকে এক নম্বর ও প্রদীপকে দুই নম্বর আসামি করে ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আসামিদের মধ্যে ২৭ জনই পুলিশ সদস্য। অন্যজন হলেন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার নূরুল আমিন।

আইনজীবী ইনসাফুর আরও জানান, আদালত এএসপি সমমানের পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এজাহারে মামলার বাদী গুল চেহের দাবি করেন, হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান, সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও মামলার তিন নং আসামি আরিফুর রহমানের পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে অন্য আসামিরা সবাই যোগসাজশ হয়ে সাদ্দামকে ঠাণ্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে। সাদ্দামকে মারার কিছুদিন আগে তার বাবা সুলতান আহামদ বাদশাকেও পুলিশ বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা করেছে বলে গুল চেহের দাবি।

টেকনাফে সাদ্দাম খুন

প্রদীপসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

 টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
১৯ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার মামলাটি করেন টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার সুলতান আহমদের স্ত্রী গোল চেহের।

৭ জুলাই ছেলে সাদ্দাম হোসেনকে হত্যার ঘটনায় মামলাটি করেন তিনি। আদালত-৩ (টেকনাফ) এর বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইনসাফুর রহমান জানান, ৪ জুলাই সকালে বাদী গোল চেহেরের দুই সন্তান সাদ্দাম হোসেন ও মো. জাহেদ হোসেনকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে লাশ ফেলে দেয়া হবে বলে হুমকি দেন টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান। পাঁচ লাখ টাকা নেয়ার পরও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান ৬ জুলাই জাহেদকে ইয়াবা মামলা দিয়ে আদালতে চালান করেন।

এরপর ৭ জুলাই রাতে বাড়ি থেকে ৩০০ গজ দূরে সাদ্দাম ও অন্য একজনকে গুলি করে পুলিশ। এতে সাদ্দাম গুরুতর আহত হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মশিউরকে এক নম্বর ও প্রদীপকে দুই নম্বর আসামি করে ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আসামিদের মধ্যে ২৭ জনই পুলিশ সদস্য। অন্যজন হলেন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার নূরুল আমিন।

আইনজীবী ইনসাফুর আরও জানান, আদালত এএসপি সমমানের পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এজাহারে মামলার বাদী গুল চেহের দাবি করেন, হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউর রহমান, সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও মামলার তিন নং আসামি আরিফুর রহমানের পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে অন্য আসামিরা সবাই যোগসাজশ হয়ে সাদ্দামকে ঠাণ্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে। সাদ্দামকে মারার কিছুদিন আগে তার বাবা সুলতান আহামদ বাদশাকেও পুলিশ বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা করেছে বলে গুল চেহের দাবি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মেজর সিনহার মৃত্যু