অসীম আকাশ যার চলার ঠিকানা
jugantor
অশ্রুঝরা আগস্ট
অসীম আকাশ যার চলার ঠিকানা

  ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ  

২১ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে বসবাসরত দম্পতি শেখ লুৎফর রহমান ও শেখ সায়েরা খাতুনের আদরের সন্তান খোকা একদিন হয়ে উঠলেন একটা গোটা জাতির পিতা। যার ভরাট কণ্ঠের আহ্বানে সাড়া দিয়ে লাখো-কোটি মানুষ জমা হতো তৎকালীন রেসকোর্স, বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে; যার ভাষণ সংগ্রামী চেতনা ছড়িয়ে দিত এ বাংলার আপামরসাধারণের হৃদয়ে; যে মানুষ অগুনতি মানুষকে এক সুতায় বেঁধেছিলেন; যে মানুষ ইতিহাস হয়ে মিশে আছেন পদ্মা-মেঘনা-যমুনায়; ভালোবাসা, প্রেম আর মমতায় যে মানুষ ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়ে ওঠেন সমগ্র বাংলার মানুষের; অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তা ও দেশপ্রেম নিয়ে যিনি হয়ে ওঠেন একজন ক্যারিশম্যাটিক লিডার; ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের ছোট্ট ভূখণ্ড ‘বাংলাদেশ’-এর জন্মের সঙ্গে যার নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত; তিনি আর কেউ নন- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

গণমানুষের নেতা, অসাধারণ সম্মোহনী বাগ্মী এ মানুষটির হাতেই রচিত হয় বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ছোটবেলা থেকেই তার চরিত্রে প্রস্ফুটিত হতে থাকে একজন শ্রেষ্ঠ বিশ্বনেতার সব গুণ এবং দাবি আদায়ের অদম্য স্পৃহা। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চুয়ান্নর নির্বাচন, আটান্নর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ- প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি অসাধারণ নেতৃত্বগুণের ছাপ রেখেছেন। তিনি তার দেশের মানুষের মুক্তির জন্য জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় কারাবাসকে বরণ করে নিয়েছেন।

স্লোগানে আগুনঝরা কণ্ঠ নিয়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জনতার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের গান শোনালেন। সেদিন দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে স্বাধীনতাসংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছিলেন, তা উজ্জীবিত করেছিল বাংলার আপামরসাধারণকে। সর্বশেষ ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের পূর্বপরিকল্পিত অপারেশন সার্চলাইটের নীলনকশা অনুযায়ী রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে। অথচ গ্রেফতারের আগেও তিনি গাইলেন মুক্তির গান। নির্ভীক কণ্ঠে ঘোষণা দিলেন- ‘আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন’। অবশেষে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ পেল তার স্বাধীনতা আর দীর্ঘ ৯ মাসের বন্দিত্ব থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু বিজয়ীর বেশে ফিরে এলেন স্বপ্নের দেশ বাংলাদেশে। এবার আর আন্দোলনকারীর ভূমিকায় নয়, বরং এক যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড সুষ্ঠুভাবে পুনর্গঠনে কাণ্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন জাতির পিতা। তিনি দেশের শাসনব্যবস্থাসহ সব উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে গ্রহণ করেন বিরাট মহাযজ্ঞ, পালন করেন আরেক ঐতিহাসিক মহান দায়িত্ব। মাত্র এক বছরের মধ্যে একটি সুলিখিত ও বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত সংবিধান প্রণয়ন করে বঙ্গবন্ধু বিশ্বে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। সদ্যস্বাধীন দেশের উন্নয়ন, পুনর্গঠন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তিনি। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে পুনর্গঠনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কী কী কাজ করতে হবে এবং কত দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে, তার স্পষ্ট পরিকল্পনা ছিল বঙ্গবন্ধুর।

তৎকালীন দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধুর সর্বশেষ ভিশনারি পদক্ষেপ ও দূরদর্শী চিন্তার ফসল ছিল দ্বিতীয় বিপ্লব অর্থাৎ ‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ’ বা বাকশাল প্রবর্তন। কিন্তু যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধু যেসব পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছিলেন, তা তিনি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। দেশ পুনর্গঠনের এ মহাকর্মযজ্ঞে যখন হাত দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু, তখনই দেশের ভেতরে-বাইরে দানা বাঁধতে থাকে ষড়যন্ত্র। সেগুলো মোকাবেলা করেও স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার পথে বঙ্গবন্ধু এগিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিকই। কিন্তু সব প্রয়াস ব্যর্থ করে দিয়ে ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট নেমে আসে এক ঘৃণ্যতম কালরাত্রি।

অপশক্তির কালোছায়া জাতির পিতার স্বপ্নকে এবং একটি সদ্যস্বাধীন দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা তা পারেনি, বরং স্বাধীন বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের এই মহান নায়ক সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন এক মৃত্যুহীন প্রাণ। তার সুনিপুণ হাতের ছোঁয়ায় গড়ে ওঠা এ রাষ্ট্র তারই আদর্শে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরিশেষে আমরা বলতে পারি, বঙ্গবন্ধু বাঙালি ও বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য। ‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান / ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।’

ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ : উপাচার্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর

(আগামীকাল প্রকাশিত হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার লেখা)

অশ্রুঝরা আগস্ট

অসীম আকাশ যার চলার ঠিকানা

 ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ 
২১ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে বসবাসরত দম্পতি শেখ লুৎফর রহমান ও শেখ সায়েরা খাতুনের আদরের সন্তান খোকা একদিন হয়ে উঠলেন একটা গোটা জাতির পিতা। যার ভরাট কণ্ঠের আহ্বানে সাড়া দিয়ে লাখো-কোটি মানুষ জমা হতো তৎকালীন রেসকোর্স, বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে; যার ভাষণ সংগ্রামী চেতনা ছড়িয়ে দিত এ বাংলার আপামরসাধারণের হৃদয়ে; যে মানুষ অগুনতি মানুষকে এক সুতায় বেঁধেছিলেন; যে মানুষ ইতিহাস হয়ে মিশে আছেন পদ্মা-মেঘনা-যমুনায়; ভালোবাসা, প্রেম আর মমতায় যে মানুষ ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়ে ওঠেন সমগ্র বাংলার মানুষের; অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তা ও দেশপ্রেম নিয়ে যিনি হয়ে ওঠেন একজন ক্যারিশম্যাটিক লিডার; ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের ছোট্ট ভূখণ্ড ‘বাংলাদেশ’-এর জন্মের সঙ্গে যার নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত; তিনি আর কেউ নন- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

গণমানুষের নেতা, অসাধারণ সম্মোহনী বাগ্মী এ মানুষটির হাতেই রচিত হয় বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ছোটবেলা থেকেই তার চরিত্রে প্রস্ফুটিত হতে থাকে একজন শ্রেষ্ঠ বিশ্বনেতার সব গুণ এবং দাবি আদায়ের অদম্য স্পৃহা। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চুয়ান্নর নির্বাচন, আটান্নর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ- প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি অসাধারণ নেতৃত্বগুণের ছাপ রেখেছেন। তিনি তার দেশের মানুষের মুক্তির জন্য জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় কারাবাসকে বরণ করে নিয়েছেন।

স্লোগানে আগুনঝরা কণ্ঠ নিয়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জনতার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের গান শোনালেন। সেদিন দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে স্বাধীনতাসংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছিলেন, তা উজ্জীবিত করেছিল বাংলার আপামরসাধারণকে। সর্বশেষ ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের পূর্বপরিকল্পিত অপারেশন সার্চলাইটের নীলনকশা অনুযায়ী রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে। অথচ গ্রেফতারের আগেও তিনি গাইলেন মুক্তির গান। নির্ভীক কণ্ঠে ঘোষণা দিলেন- ‘আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন’। অবশেষে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ পেল তার স্বাধীনতা আর দীর্ঘ ৯ মাসের বন্দিত্ব থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু বিজয়ীর বেশে ফিরে এলেন স্বপ্নের দেশ বাংলাদেশে। এবার আর আন্দোলনকারীর ভূমিকায় নয়, বরং এক যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড সুষ্ঠুভাবে পুনর্গঠনে কাণ্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন জাতির পিতা। তিনি দেশের শাসনব্যবস্থাসহ সব উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে গ্রহণ করেন বিরাট মহাযজ্ঞ, পালন করেন আরেক ঐতিহাসিক মহান দায়িত্ব। মাত্র এক বছরের মধ্যে একটি সুলিখিত ও বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত সংবিধান প্রণয়ন করে বঙ্গবন্ধু বিশ্বে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। সদ্যস্বাধীন দেশের উন্নয়ন, পুনর্গঠন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তিনি। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে পুনর্গঠনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কী কী কাজ করতে হবে এবং কত দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে, তার স্পষ্ট পরিকল্পনা ছিল বঙ্গবন্ধুর।

তৎকালীন দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধুর সর্বশেষ ভিশনারি পদক্ষেপ ও দূরদর্শী চিন্তার ফসল ছিল দ্বিতীয় বিপ্লব অর্থাৎ ‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ’ বা বাকশাল প্রবর্তন। কিন্তু যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধু যেসব পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছিলেন, তা তিনি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। দেশ পুনর্গঠনের এ মহাকর্মযজ্ঞে যখন হাত দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু, তখনই দেশের ভেতরে-বাইরে দানা বাঁধতে থাকে ষড়যন্ত্র। সেগুলো মোকাবেলা করেও স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার পথে বঙ্গবন্ধু এগিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিকই। কিন্তু সব প্রয়াস ব্যর্থ করে দিয়ে ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট নেমে আসে এক ঘৃণ্যতম কালরাত্রি।

অপশক্তির কালোছায়া জাতির পিতার স্বপ্নকে এবং একটি সদ্যস্বাধীন দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা তা পারেনি, বরং স্বাধীন বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের এই মহান নায়ক সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন এক মৃত্যুহীন প্রাণ। তার সুনিপুণ হাতের ছোঁয়ায় গড়ে ওঠা এ রাষ্ট্র তারই আদর্শে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরিশেষে আমরা বলতে পারি, বঙ্গবন্ধু বাঙালি ও বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য। ‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান / ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।’

ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ : উপাচার্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর

(আগামীকাল প্রকাশিত হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার লেখা)

 

ঘটনাপ্রবাহ : অশ্রুঝরা আগস্ট