ঋণের সুদ ৯ শতাংশের বেশি নেয়া যাবে না
jugantor
সুদহার বাড়ানো সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল
ঋণের সুদ ৯ শতাংশের বেশি নেয়া যাবে না

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ক্রেডিট কার্ড ছাড়া অন্যান্য সব ধরনের ঋণে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশের বেশি সুদ নেয়া যাবে না বলে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি সুদহার নিয়ন্ত্রণে আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে।

জানা গেছে, আগে ব্যাংকগুলো ইচ্ছেমতো সুদহার বাড়াত। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা নিয়ন্ত্রণে দুই বছর আগে নির্দেশনা জারি করে। এখন যেহেতু ঋণের সুদ ৯ শতাংশের বেশি নেয়ার সুযোগ নেই, তাই সুদহার নিয়ন্ত্রণে আগের জারি করা সার্কুলার বাতিল করা হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। আগে জারি করা (৩০ মে ২০১৮) প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বছরে একবার ঋণের সুদহার বৃদ্ধির সুযোগ ছিল।

ঋণের সুদহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে তা গ্রাহককে কমপক্ষে তিন মাস আগে নোটিশ দিতে হতো। এছাড়া ঋণের সুদহার ঊর্ধ্বমুখী সংশোধন মেয়াদি ঋণের বেলায় প্রতিবার অনধিক শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ এবং চলতি মূলধন ও অন্যান্য ঋণের বেলায় প্রতিবার অনধিক ১ শতাংশ মাত্রায় পরিমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে নতুন প্রজ্ঞাপনে আগের নিয়ম বাতিল করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংকসমূহ কর্তৃক নতুন ঋণ মঞ্জুরি ছাড়াও বিদ্যমান ঋণ হিসাবগুলোতেও অযৌক্তিক মাত্রায় উচ্চতর সুদহার নির্ধারণ রোধ, ঋণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নতুনভাবে খেলাপি ঋণ সৃষ্টির জন্য আগের ওই প্রজ্ঞাপনে কতিপয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

তবে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত বিআরপিডি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১ এপ্রিল থেকে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া অন্যান্য সব ধরনের অশ্রেণীকৃত ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ নির্ধারণ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে বিআরপিডির জারি করা নির্দেশনা রহিত করা হল। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এই নির্দেশনা ১ এপ্রিল ২০২০ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে উল্লেখ করা হয় প্রজ্ঞাপনে।

সুদহার বাড়ানো সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল

ঋণের সুদ ৯ শতাংশের বেশি নেয়া যাবে না

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ক্রেডিট কার্ড ছাড়া অন্যান্য সব ধরনের ঋণে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশের বেশি সুদ নেয়া যাবে না বলে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি সুদহার নিয়ন্ত্রণে আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে।

জানা গেছে, আগে ব্যাংকগুলো ইচ্ছেমতো সুদহার বাড়াত। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা নিয়ন্ত্রণে দুই বছর আগে নির্দেশনা জারি করে। এখন যেহেতু ঋণের সুদ ৯ শতাংশের বেশি নেয়ার সুযোগ নেই, তাই সুদহার নিয়ন্ত্রণে আগের জারি করা সার্কুলার বাতিল করা হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। আগে জারি করা (৩০ মে ২০১৮) প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বছরে একবার ঋণের সুদহার বৃদ্ধির সুযোগ ছিল।

ঋণের সুদহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে তা গ্রাহককে কমপক্ষে তিন মাস আগে নোটিশ দিতে হতো। এছাড়া ঋণের সুদহার ঊর্ধ্বমুখী সংশোধন মেয়াদি ঋণের বেলায় প্রতিবার অনধিক শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ এবং চলতি মূলধন ও অন্যান্য ঋণের বেলায় প্রতিবার অনধিক ১ শতাংশ মাত্রায় পরিমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে নতুন প্রজ্ঞাপনে আগের নিয়ম বাতিল করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংকসমূহ কর্তৃক নতুন ঋণ মঞ্জুরি ছাড়াও বিদ্যমান ঋণ হিসাবগুলোতেও অযৌক্তিক মাত্রায় উচ্চতর সুদহার নির্ধারণ রোধ, ঋণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নতুনভাবে খেলাপি ঋণ সৃষ্টির জন্য আগের ওই প্রজ্ঞাপনে কতিপয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

তবে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত বিআরপিডি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১ এপ্রিল থেকে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া অন্যান্য সব ধরনের অশ্রেণীকৃত ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ নির্ধারণ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে বিআরপিডির জারি করা নির্দেশনা রহিত করা হল। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এই নির্দেশনা ১ এপ্রিল ২০২০ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে উল্লেখ করা হয় প্রজ্ঞাপনে।