করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু শনাক্ত ১৬৬৬
jugantor
করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু শনাক্ত ১৬৬৬

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে ১ হাজার ৬৬৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৪ জন।

আর দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫ হাজার ৪৪ জন। বুধবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে পাঠানো করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৩ হাজার ৯৭৭টি। নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৪ হাজার ১৫০টি। এখন পর্যন্ত ১৮ লাখ ৬২ হাজার ৬৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১৬৩ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ ২ লাখ ৬২ হাজার ৯৫৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, শনাক্ত বিবেচনায় ২৪ ঘণ্টায় প্রতি ১০০ নমুনায় ১১ দশমিক ৭৭ এবং এখন পর্যন্ত ১৮ দশমিক ৯১ শতাংশ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থ হয়েছে ৭৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং মৃত্যু হয়েছে ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। এখন পর্যন্ত পুরুষ ৩ হাজার ৯১৪ জন এবং নারী ১ হাজার ১৩০ জন।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুইজন এবং শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে একজন।

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে পাঁচজন, রাজশাহী বিভাগে দুইজন, বরিশালে একজন, খুলনা বিভাগে পাঁচজন ও সিলেটে একজন।

২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৩৫ জন এবং বাড়িতে দুইজন মারা গেছেন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ২৬২ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৬ হাজার ১৮১ জন।

২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন-মুক্ত হয়েছেন ৪১১ জন। এখন পর্যন্ত মুক্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ৬৩৫ জন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ৭৯ হাজার ৮১৬ জনকে।

প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ১ হাজার ৩৯৩ জনকে। কোয়ারেন্টিন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ২৫৮ জন।

এখন পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৪৭ জন। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৮৫ জনকে। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪৬ হাজার ৫৩৮ জন।

বিশ্বে করোনা রোগী ৩ কোটি ১৮ লাখ : বিশ্বে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও আড়াই লাখের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন পৌনে দশ লাখ মানুষ। তবে আক্রান্তদের ৯৬ ভাগই সুস্থ হয়েছেন। ইতোমধ্যে সুস্থ ২ কোটি ৩৪ লাখের বেশি। করোনা প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে শতাধিক ভ্যাকসিন উন্নয়নে কাজ করছেন গবেষকরা।

রাশিয়া জানিয়েছে, ক্রেতা দেশে তাদের তৈরি ভ্যাকসিন ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তারা এর আইনগত দায় নেবে। খবর বিবিসি, এএফপিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের।

বাংলাদেশ সময় বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডওমিটারসের তথ্য অনুযায়ী- বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ১৮ লাখ ২৫ হাজার ১৩৩ জন।

মারা গেছেন ৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৫৭ জন। অবস্থা আশঙ্কাজনক ৬২ হাজার ১০০ জনের। সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৩৪ লাখ ২৮ হাজার ১২৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩৬, মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৭১৯ জনের।বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৬৯৬ জন।

একই সময়ে মারা গেছেন ৯৬৯ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৭০ লাখ ৯৮ হাজার ২৩১ জন, মারা গেছেন ২ লাখ ৫ হাজার ৪৯১ জন।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ৩৯১ জন, একই সময়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৫৬ জন।

দেশটিতে মোট রোগীর সংখ্যা ৫৬ লাখ ৫০ হাজার ৫৫২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৯০ হাজার ৭৭ জনের। বিশ্বে তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার ২৮২ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

একই সময়ে মারা গেছেন ৮০৯ জন। দেশটিতে মোট রোগীর সংখ্যা ৪৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৬ জন, মারা গেছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ১৯৫ জন।

চতুর্থ স্থানে রাশিয়ায় মোট রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ২২ হাজার ২৯৫ জন, মারা গেছেন ১৯ হাজার ৭৯৯ জন।

ভ্যাকসিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে দায় নেবে রাশিয়া : ক্রেতা দেশে রাশিয়ার তৈরি ভ্যাকসিন ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তার আইনগত দায় নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির উদ্ভাবকরা।

মস্কোর রাষ্ট্রীয় তহবিলের প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সব দায় ক্রেতাদের নিতে হবে না, খানিক অংশ উদ্ভাবকরাও নেবেন। তবে দায় পরিশোধের শর্ত নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

বলা হচ্ছে, বহু ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেই এর দায় এড়াতে চান উদ্ভাবকরা। যেসব দেশের কাছে ভ্যাকসিন বিক্রি করা হয় তাদের কাছে দায়মুক্তির দাবি করে ক্ষতিপূরণ দাবি থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা চান উদ্ভাবকরা।

তবে এ ক্ষেত্রে রাশিয়ার এমন সিদ্ধান্তে ভ্যাকসিন ব্যবহারের পর অপ্রত্যাশিত কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ব্যয়বহুল ক্ষতিপূরণের দাবির মুখে পড়বে এর উদ্ভাবকরা।

করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু শনাক্ত ১৬৬৬

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে ১ হাজার ৬৬৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৪ জন।

আর দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫ হাজার ৪৪ জন। বুধবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে পাঠানো করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৩ হাজার ৯৭৭টি। নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৪ হাজার ১৫০টি। এখন পর্যন্ত ১৮ লাখ ৬২ হাজার ৬৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১৬৩ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ ২ লাখ ৬২ হাজার ৯৫৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, শনাক্ত বিবেচনায় ২৪ ঘণ্টায় প্রতি ১০০ নমুনায় ১১ দশমিক ৭৭ এবং এখন পর্যন্ত ১৮ দশমিক ৯১ শতাংশ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থ হয়েছে ৭৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং মৃত্যু হয়েছে ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। এখন পর্যন্ত পুরুষ ৩ হাজার ৯১৪ জন এবং নারী ১ হাজার ১৩০ জন।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুইজন এবং শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে একজন।

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে পাঁচজন, রাজশাহী বিভাগে দুইজন, বরিশালে একজন, খুলনা বিভাগে পাঁচজন ও সিলেটে একজন।

২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৩৫ জন এবং বাড়িতে দুইজন মারা গেছেন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ২৬২ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৬ হাজার ১৮১ জন।

২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন-মুক্ত হয়েছেন ৪১১ জন। এখন পর্যন্ত মুক্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ৬৩৫ জন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ৭৯ হাজার ৮১৬ জনকে।

প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ১ হাজার ৩৯৩ জনকে। কোয়ারেন্টিন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ২৫৮ জন।

এখন পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৪৭ জন। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৮৫ জনকে। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪৬ হাজার ৫৩৮ জন।

বিশ্বে করোনা রোগী ৩ কোটি ১৮ লাখ : বিশ্বে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও আড়াই লাখের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন পৌনে দশ লাখ মানুষ। তবে আক্রান্তদের ৯৬ ভাগই সুস্থ হয়েছেন। ইতোমধ্যে সুস্থ ২ কোটি ৩৪ লাখের বেশি। করোনা প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে শতাধিক ভ্যাকসিন উন্নয়নে কাজ করছেন গবেষকরা।

রাশিয়া জানিয়েছে, ক্রেতা দেশে তাদের তৈরি ভ্যাকসিন ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তারা এর আইনগত দায় নেবে। খবর বিবিসি, এএফপিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের।

বাংলাদেশ সময় বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডওমিটারসের তথ্য অনুযায়ী- বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ১৮ লাখ ২৫ হাজার ১৩৩ জন।

মারা গেছেন ৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৫৭ জন। অবস্থা আশঙ্কাজনক ৬২ হাজার ১০০ জনের। সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৩৪ লাখ ২৮ হাজার ১২৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩৬, মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৭১৯ জনের।বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৬৯৬ জন।

একই সময়ে মারা গেছেন ৯৬৯ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৭০ লাখ ৯৮ হাজার ২৩১ জন, মারা গেছেন ২ লাখ ৫ হাজার ৪৯১ জন।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ৩৯১ জন, একই সময়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৫৬ জন।

দেশটিতে মোট রোগীর সংখ্যা ৫৬ লাখ ৫০ হাজার ৫৫২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৯০ হাজার ৭৭ জনের। বিশ্বে তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার ২৮২ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

একই সময়ে মারা গেছেন ৮০৯ জন। দেশটিতে মোট রোগীর সংখ্যা ৪৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৬ জন, মারা গেছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ১৯৫ জন।

চতুর্থ স্থানে রাশিয়ায় মোট রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ২২ হাজার ২৯৫ জন, মারা গেছেন ১৯ হাজার ৭৯৯ জন। 

ভ্যাকসিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে দায় নেবে রাশিয়া : ক্রেতা দেশে রাশিয়ার তৈরি ভ্যাকসিন ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তার আইনগত দায় নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির উদ্ভাবকরা।

মস্কোর রাষ্ট্রীয় তহবিলের প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সব দায় ক্রেতাদের নিতে হবে না, খানিক অংশ উদ্ভাবকরাও নেবেন। তবে দায় পরিশোধের শর্ত নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

বলা হচ্ছে, বহু ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেই এর দায় এড়াতে চান উদ্ভাবকরা। যেসব দেশের কাছে ভ্যাকসিন বিক্রি করা হয় তাদের কাছে দায়মুক্তির দাবি করে ক্ষতিপূরণ দাবি থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা চান উদ্ভাবকরা।

তবে এ ক্ষেত্রে রাশিয়ার এমন সিদ্ধান্তে ভ্যাকসিন ব্যবহারের পর অপ্রত্যাশিত কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ব্যয়বহুল ক্ষতিপূরণের দাবির মুখে পড়বে এর উদ্ভাবকরা।