১৪ দোকানকে সাড়ে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা
jugantor
মানহীন মেডিকেলসামগ্রী
১৪ দোকানকে সাড়ে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানহীন ও অনুমোদনহীন পালস অক্সিমিটার, প্রেসার মেশিন ও ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট রাখার অভিযোগে রাজধানীর ১৪টি সার্জিক্যাল দোকানকে সাড়ে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। তোপখানা রোডের গফুর টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসুর নেতৃত্বে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলে এ অভিযান।

মোস্তফা সার্জিক্যালকে দুই লাখ টাকা, এ জে সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা, এ জে সার্জিক্যাল (২) কে এক লাখ টাকা, ক্যাপিটাল হেলথ কেয়ারকে দুই লাখ টাকা, নিলিমা সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা, লামিয়া সাইন্টিফিক সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা, ফাহিম সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা এবং রাকিব সার্জিক্যালকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো হল- মায়ের আশীর্বাদ সার্জিক্যালকে এক লাখ টাকা, বায়ো কেয়ার সার্জিক্যালকে তিন লাখ টাকা, জেনেসিস ইন্টারন্যাশনালকে ৫০ হাজার টাকা, বিএম ট্রেড ইন্টারন্যাশনালকে ৫০ হাজার টাকা, নওশিন সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা এবং রোমেড সার্জিক্যালকে দুই লাখ টাকা। এ বিষয়ে পলাশ কুমার বসু যুগান্তরকে বলেন, অক্সিমিটার ও প্রেসার মেশিন রেজিস্টার্ড পণ্য। কিন্তু আমাদের কাছে এমন অভিযোগ ছিল, এসব পণ্য মানহীন। যার অনেকগুলোই কাজ করছিল না। অবস্থা এমন ছিল এসব মেশিন কেউ চারটা নিলে একটি কাজ করে, তিনটি করে না। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ১৪টি সার্জিক্যাল দোকানকে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এর মধ্যে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়। এছাড়া বিপুল পরিমাণ ওইসব সার্জিক্যাল পণ্য জব্দ করা হয়। জব্দ হওয়া এসব সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে।

মানহীন মেডিকেলসামগ্রী

১৪ দোকানকে সাড়ে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানহীন ও অনুমোদনহীন পালস অক্সিমিটার, প্রেসার মেশিন ও ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট রাখার অভিযোগে রাজধানীর ১৪টি সার্জিক্যাল দোকানকে সাড়ে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। তোপখানা রোডের গফুর টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসুর নেতৃত্বে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলে এ অভিযান।

মোস্তফা সার্জিক্যালকে দুই লাখ টাকা, এ জে সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা, এ জে সার্জিক্যাল (২) কে এক লাখ টাকা, ক্যাপিটাল হেলথ কেয়ারকে দুই লাখ টাকা, নিলিমা সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা, লামিয়া সাইন্টিফিক সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা, ফাহিম সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা এবং রাকিব সার্জিক্যালকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো হল- মায়ের আশীর্বাদ সার্জিক্যালকে এক লাখ টাকা, বায়ো কেয়ার সার্জিক্যালকে তিন লাখ টাকা, জেনেসিস ইন্টারন্যাশনালকে ৫০ হাজার টাকা, বিএম ট্রেড ইন্টারন্যাশনালকে ৫০ হাজার টাকা, নওশিন সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা এবং রোমেড সার্জিক্যালকে দুই লাখ টাকা। এ বিষয়ে পলাশ কুমার বসু যুগান্তরকে বলেন, অক্সিমিটার ও প্রেসার মেশিন রেজিস্টার্ড পণ্য। কিন্তু আমাদের কাছে এমন অভিযোগ ছিল, এসব পণ্য মানহীন। যার অনেকগুলোই কাজ করছিল না। অবস্থা এমন ছিল এসব মেশিন কেউ চারটা নিলে একটি কাজ করে, তিনটি করে না। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ১৪টি সার্জিক্যাল দোকানকে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এর মধ্যে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়। এছাড়া বিপুল পরিমাণ ওইসব সার্জিক্যাল পণ্য জব্দ করা হয়। জব্দ হওয়া এসব সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে।