শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদির বৈঠক ডিসেম্বরে
jugantor
ভার্চুয়াল জেসিসি বৈঠক আজ
শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদির বৈঠক ডিসেম্বরে

  মাসুদ করিম  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আগামী ডিসেম্বরে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে দিল্লি। এটি বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে। তবে মোদি ওই সময়ে বাংলাদেশ সফরে এসে বৈঠকে যোগ দেবেন বলে ঢাকার প্রত্যাশা।

আজ মঙ্গলবার দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ‘জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশন’ (জেসিসি) বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। মহামারী পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভার্চুয়ালি বৈঠকটি হতে পারে। এ ছাড়াও আজকের জেসিসি বৈঠকের মাধ্যমে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে। মুজিববর্ষে যৌথ কর্মসূচি নেয়ার বিষয়ে আলোচনা করবে দুই দেশ। প্রস্তাবিত তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি দ্রুত সম্পাদনের তাগাদা দিতে পারে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দু’দেশের যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) বৈঠকের তারিখ নির্ধারণের চেষ্টা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে করা হবে।

জেসিসি বৈঠকের অন্যতম এজেন্ডা হল দুই দেশের জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে যৌথ কর্মসূচি গ্রহণ। এর মধ্যে ‘বাপুজি অ্যান্ড বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক একটি অনলাইন প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। এছাড়া দু’দেশের যৌথ উদ্যোগে শ্যামভেনেগাল বঙ্গবন্ধুর একটি জীবনচিত্র নির্মাণ করবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিদেশে দু’দেশের দূতাবাস যৌথ কর্মসূচি নেবে। কারণ ওই সময়ে দু’দেশের সম্পর্কেরও ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হবে। আজ বিকালে ভার্চুয়ালি জেসিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের সময় খুব কম। এক ঘণ্টা স্থায়ী এ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। তিনি সোমবার যুগান্তরকে বলেন, ‘ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ ২৫ মিনিট ও ভারত ২৫ মিনিট সময় পাবে। এত অল্প সময়ে বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব নয়। দিনব্যাপী আলোচনা করলে অনেক বিষয়ে অগ্রগতি সম্ভব ছিল। ফলে আজকের বৈঠকে খুব বেশি কিছু আশা করা ঠিক হবে না।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেন, ‘জেসিসি ভার্চুয়াল বৈঠকে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই করার কথা ছিল। এখন সেগুলো ভারত পিছিয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সময় সই করার জন্য নতুন করে প্রস্তাব করেছে। ফলে আমাদের বৈঠকে (আজকের জেসিসি) এসব এমওইউ সই হচ্ছে না। ডিসেম্বরে ভারত দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক করতে চাইছে।’ আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা চুক্তি সই করার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি এখনও নেই।’ প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গত মার্চে মোদির ঢাকায় আসার কথা ছিল। কিন্তু মহামারীর কারণে অনুষ্ঠানটি বাতিল হওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। আজকের জেসিসি বৈঠকে দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। বাণিজ্য, সীমান্ত ইস্যু, পানিবণ্টন, জ্বালানি, কানেকটিভিটি, রোহিঙ্গা এবং ভারতীয় ঋণে বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনার লক্ষ্যে বছরে অন্তত একবার জেসিসি বৈঠক হয়ে থাকে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে সর্বশেষ জেসিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে এ বছর ঢাকায় বৈঠকটি হওয়ার কথা থাকলেও ভার্চুয়ালি বৈঠক হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামনিয়াম জয়শঙ্কর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের কাছে টেলিফোন করেছিলেন। বাংলাদেশের তরফ থেকে জয়শঙ্করকে জেসিসি বৈঠক উপলক্ষে ঢাকায় আসার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ভারতে পার্লামেন্ট অধিবেশন থাকার কারণে তিনি আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ভার্চুয়ালি বৈঠকটি হচ্ছে। বিকাল সাড়ে ৩টায় বৈঠকটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে ২৬ সদস্যবিশিষ্ট বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল অংশ নেবে। তবে প্রতিনিধি দলের সব সদস্যই ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন না। কেউ কেউ আলোচনায় ইনপুট দেয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন। ভার্চুয়াল হলেও বৈঠকটি হবে রুদ্ধদ্বার। এতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য ক্ষেত্রে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করার আহ্বান জানানো হবে। এছাড়া ভারতের প্রতিশ্রুত আট বিলিয়ন ডলার ঋণের বাস্তবায়নের ধীরগতি দূর করে তাতে গতি সঞ্চারের আহ্বান জানানো হতে পারে।

মহামারীর কারণে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বিশেষ বিমানে ঢাকায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে মোদির আগ্রহের বার্তা পৌঁছে দেন।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তখনই জেসিসি বৈঠক অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়। লাদাখে চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে ভূরাজনৈতিক কারণে ঢাকাকে পাশে চায় দিল্লি। বাংলাদেশ অবশ্য দুই দেশ যেন শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করে সেই আহ্বান জানিয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিককালে সীমান্ত হত্যা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জেসিসি বৈঠকে তা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হতে পারে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য মোতাবেক, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। ২০১৯ সালে তা বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়ায়। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে সীমান্তে হত্যার শিকার হয়েছেন ২৯ জন। সম্প্রতি বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে বিএসএফ সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

ভার্চুয়াল জেসিসি বৈঠক আজ

শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদির বৈঠক ডিসেম্বরে

 মাসুদ করিম 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আগামী ডিসেম্বরে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে দিল্লি। এটি বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে। তবে মোদি ওই সময়ে বাংলাদেশ সফরে এসে বৈঠকে যোগ দেবেন বলে ঢাকার প্রত্যাশা।

আজ মঙ্গলবার দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ‘জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশন’ (জেসিসি) বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। মহামারী পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভার্চুয়ালি বৈঠকটি হতে পারে। এ ছাড়াও আজকের জেসিসি বৈঠকের মাধ্যমে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে। মুজিববর্ষে যৌথ কর্মসূচি নেয়ার বিষয়ে আলোচনা করবে দুই দেশ। প্রস্তাবিত তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি দ্রুত সম্পাদনের তাগাদা দিতে পারে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দু’দেশের যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) বৈঠকের তারিখ নির্ধারণের চেষ্টা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে করা হবে।

জেসিসি বৈঠকের অন্যতম এজেন্ডা হল দুই দেশের জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে যৌথ কর্মসূচি গ্রহণ। এর মধ্যে ‘বাপুজি অ্যান্ড বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক একটি অনলাইন প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। এছাড়া দু’দেশের যৌথ উদ্যোগে শ্যামভেনেগাল বঙ্গবন্ধুর একটি জীবনচিত্র নির্মাণ করবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিদেশে দু’দেশের দূতাবাস যৌথ কর্মসূচি নেবে। কারণ ওই সময়ে দু’দেশের সম্পর্কেরও ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হবে। আজ বিকালে ভার্চুয়ালি জেসিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের সময় খুব কম। এক ঘণ্টা স্থায়ী এ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। তিনি সোমবার যুগান্তরকে বলেন, ‘ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ ২৫ মিনিট ও ভারত ২৫ মিনিট সময় পাবে। এত অল্প সময়ে বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব নয়। দিনব্যাপী আলোচনা করলে অনেক বিষয়ে অগ্রগতি সম্ভব ছিল। ফলে আজকের বৈঠকে খুব বেশি কিছু আশা করা ঠিক হবে না।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেন, ‘জেসিসি ভার্চুয়াল বৈঠকে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই করার কথা ছিল। এখন সেগুলো ভারত পিছিয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সময় সই করার জন্য নতুন করে প্রস্তাব করেছে। ফলে আমাদের বৈঠকে (আজকের জেসিসি) এসব এমওইউ সই হচ্ছে না। ডিসেম্বরে ভারত দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক করতে চাইছে।’ আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা চুক্তি সই করার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি এখনও নেই।’ প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গত মার্চে মোদির ঢাকায় আসার কথা ছিল। কিন্তু মহামারীর কারণে অনুষ্ঠানটি বাতিল হওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। আজকের জেসিসি বৈঠকে দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। বাণিজ্য, সীমান্ত ইস্যু, পানিবণ্টন, জ্বালানি, কানেকটিভিটি, রোহিঙ্গা এবং ভারতীয় ঋণে বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনার লক্ষ্যে বছরে অন্তত একবার জেসিসি বৈঠক হয়ে থাকে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে সর্বশেষ জেসিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে এ বছর ঢাকায় বৈঠকটি হওয়ার কথা থাকলেও ভার্চুয়ালি বৈঠক হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামনিয়াম জয়শঙ্কর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের কাছে টেলিফোন করেছিলেন। বাংলাদেশের তরফ থেকে জয়শঙ্করকে জেসিসি বৈঠক উপলক্ষে ঢাকায় আসার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ভারতে পার্লামেন্ট অধিবেশন থাকার কারণে তিনি আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ভার্চুয়ালি বৈঠকটি হচ্ছে। বিকাল সাড়ে ৩টায় বৈঠকটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে ২৬ সদস্যবিশিষ্ট বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল অংশ নেবে। তবে প্রতিনিধি দলের সব সদস্যই ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন না। কেউ কেউ আলোচনায় ইনপুট দেয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন। ভার্চুয়াল হলেও বৈঠকটি হবে রুদ্ধদ্বার। এতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য ক্ষেত্রে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করার আহ্বান জানানো হবে। এছাড়া ভারতের প্রতিশ্রুত আট বিলিয়ন ডলার ঋণের বাস্তবায়নের ধীরগতি দূর করে তাতে গতি সঞ্চারের আহ্বান জানানো হতে পারে।

মহামারীর কারণে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বিশেষ বিমানে ঢাকায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে মোদির আগ্রহের বার্তা পৌঁছে দেন।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তখনই জেসিসি বৈঠক অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়। লাদাখে চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে ভূরাজনৈতিক কারণে ঢাকাকে পাশে চায় দিল্লি। বাংলাদেশ অবশ্য দুই দেশ যেন শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করে সেই আহ্বান জানিয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিককালে সীমান্ত হত্যা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জেসিসি বৈঠকে তা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হতে পারে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য মোতাবেক, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। ২০১৯ সালে তা বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়ায়। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে সীমান্তে হত্যার শিকার হয়েছেন ২৯ জন। সম্প্রতি বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে বিএসএফ সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।