জেএমআই চেয়ারম্যান রাজ্জাক রিমান্ডে
jugantor
নকল এন-৯৫ মাস্ক নিয়ে দুদকের মামলা
জেএমআই চেয়ারম্যান রাজ্জাক রিমান্ডে
আসামি করা হয়েছে সিএমএসডির ৬ কর্মকর্তাসহ ৭ জনকে * নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ করে ডাক্তার ও নার্সকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ আনা হয় জেএমআইয়ের বিরুদ্ধে * মারা যাওয়ার সিএমএসডির সাবেক পরিচালককে মামলা থেকে অব্যাহতি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এন-৯৫ মাস্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় জড়িত অভিযোগে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) ৬ কর্মকর্তা ও জেএমআইর চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। মঙ্গলবার দুপুরে দুদক কার্যালয়ে এ মামলা করা হয়। দুদকের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা দুপুরেই জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিটের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার বিকালে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ রিমান্ড দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর উপ-পরিচালক মো. নূরুল হুদা আসামির ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। দুদকের উপ-পরিচালক নুরুল হুদা বাদী হয়ে করা মামলাটির অপর আসামিরা হলেন- সিএমএসডির উপ-পরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন খান, প্রতিষ্ঠানটির সহকারী পরিচালক (স্টোরেজ অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন), চিফ কো-অর্ডিনেটর ও ডেস্ক অফিসার, ডা. মো. শাহজাহান সরকার, ডেস্ক-১১ (মনিটরিং ডেস্ক) অফিসার ডা. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, ডেস্ক অফিসার (ডেস্ক-৮) ও অতিরিক্ত দায়িত্ব (স্টোর) ডা. সাব্বির আহমেদ, স্টোর অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. কবির আহম্মেদ ও সিনিয়র স্টোর কিপার মোহাম্মদ ইউসুফ ফকির। মামলায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ না থাকলেও নকল এন-৯৫ মাস্ক ডাক্তার ও নার্সকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। মারা যাওয়ায় সিএমএসডির সাবেক পরিচালককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয় দুদক। মামলায় বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রকৃত এন-৯৫ মাস্কের পরিবর্তে নকল মাস্ক সিএমএসডিতে সরবরাহ করে। জেএমআই ফেস মাস্ক মুদ্রিত বড় কার্টনের মধ্যে এন-৯৫ ফেস মাস্ক লেখা ছোট বক্সে জেএমআই হসপিটাল জিকুইজিটের উৎপাদিত ২০ হাজার ৬১০ পিস নকল এন-৯৫ মাস্ক দেয়। পরে ওই মাস্ক ১০টি প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়ে মামলায় বলা হয়, করোনাভাইরাস মোকাবেলা ও চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং কেমিক্যাল রিএজেন্ট সংগ্রহের জন্য উদ্যোগ নেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এজন্য ১৮ মার্চ বরাদ্দকৃত ৫০ কোটি টাকা সিএমএসডিতে ন্যস্ত করা হয়। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে প্রতি মাসে সারা দেশের জন্য ৪ হাজার ৩৫১টি হ্যান্ড হেল্ড থার্মোমিটার এবং প্রতি মাসে ১ লাখ ৪ হাজার ৫৫০ লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজার; ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬৫০ সেট পিপিই; ১০ লাখ ১২ হাজার ২০০ পিস মাস্ক; ৪ লাখ ৬২ হাজার জোড়া ডিসপোজেবল গ্লাভস, ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ পিস গগলস; ৯৯ হাজার ৪৮০ পিস ডিসপোজেবল ব্যাগ; ৭ হাজার ১৬০ লিটার ডিসইনফেকট্যান্ট ও ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৪০ পিস এন-৯৫ মাস্ক ক্রয় এবং সরবরাহের চাহিদাপত্র প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতর ২৫ মার্চের স্মারক মূলে চিকিৎসা ও শৈল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সংগ্রহে সিএমএসডিতে আরও ১০০ কোটি টাকা ন্যস্ত করে।

দুদকের মামলায় রেকর্ডপত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ঔষধাগার (সিএমএসডি) এর ক্রয় সংক্রান্ত কার‌্যাবলী সম্পাদন, রেকর্ডপত্র প্রস্তুত ও সংরক্ষণের কাজ তথা প্রকিউরমেন্ট কার‌্যাবলি সাধারণত ১০টি ডেস্কের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। যার প্রতিটি ডেস্কে দায়িত্ব পালন করেন ১ জন করে ডেস্ক অফিসার। এছাড়া ক্রয় সংক্রান্ত সব ডেস্কের কাজ মনিটরিং তথা পুরো প্রকিউরমেন্ট কার‌্যাবলি মনিটরিং করা হয় ডেস্ক-১১ এর মাধ্যমে। যার ডেস্ক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ডা. মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান। কোভিড-১৯ এর শুরু থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৫৩টি সরবরাহকারী/ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএমএসডিতে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, কেমিক্যাল, রি-এজেন্ট, ওষুধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করে। এর মধ্যে সিএমএসডির ২৩ মার্চের সিএমএসডি/হিসাব/২০১৯-২০২০/২৬৭৪ স্মারক মূলে প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর (করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান) স্বাক্ষরে স্পেসিফিকেশন ও মূল্য নির্ধারণ ব্যতীত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জেএমআইকে ৫০ লাখ পিস ‘ফেস মাস্ক’ সরবরাহের আদেশ দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ২৭ মার্চ চালান নং সিএমএসডি-১৩/২০২০ এর মাধ্যমে জেএমআই ফেস মাস্ক মুদ্রিত ১০টি বড় কার্টন সরবরাহ করে। যার প্রতিটিতে ৩২টি করে ছোট বক্স রয়েছে। যাতে এন-৯৫ ফেস মাস্ক মুদ্রিত এবং প্রতিটি ছোট বক্সে ৩০টি করে মাস্ক রয়েছে। সব মিলিয়ে ২০ হাজার ৬১০ পিস মাস্ক সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি। এসব ফেস মাস্কের চালান গ্রহণ করেন সিএমএসডির ওই ৬ কর্মকর্তা। তারা সিএমএসডির নিয়মানুযায়ী সার্ভে কমিটির মাধ্যমে যাচাই না করেই পরস্পর যোগসাজশে নকল এন-৯৫ মাস্ক গ্রহণ করেন। একই তারিখে অসৎ উদ্দেশ্যে উক্ত নকল এন-৯৫ মাস্ক ১০টি প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করে স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্যদের মৃত্যুঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, সিএমএসডির তৎকালীন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলায় অভিযুক্ত করা হয়নি।

নকল এন-৯৫ মাস্ক নিয়ে দুদকের মামলা

জেএমআই চেয়ারম্যান রাজ্জাক রিমান্ডে

আসামি করা হয়েছে সিএমএসডির ৬ কর্মকর্তাসহ ৭ জনকে * নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ করে ডাক্তার ও নার্সকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ আনা হয় জেএমআইয়ের বিরুদ্ধে * মারা যাওয়ার সিএমএসডির সাবেক পরিচালককে মামলা থেকে অব্যাহতি
 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এন-৯৫ মাস্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় জড়িত অভিযোগে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) ৬ কর্মকর্তা ও জেএমআইর চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। মঙ্গলবার দুপুরে দুদক কার্যালয়ে এ মামলা করা হয়। দুদকের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা দুপুরেই জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিটের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার বিকালে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ রিমান্ড দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর উপ-পরিচালক মো. নূরুল হুদা আসামির ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। দুদকের উপ-পরিচালক নুরুল হুদা বাদী হয়ে করা মামলাটির অপর আসামিরা হলেন- সিএমএসডির উপ-পরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন খান, প্রতিষ্ঠানটির সহকারী পরিচালক (স্টোরেজ অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন), চিফ কো-অর্ডিনেটর ও ডেস্ক অফিসার, ডা. মো. শাহজাহান সরকার, ডেস্ক-১১ (মনিটরিং ডেস্ক) অফিসার ডা. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, ডেস্ক অফিসার (ডেস্ক-৮) ও অতিরিক্ত দায়িত্ব (স্টোর) ডা. সাব্বির আহমেদ, স্টোর অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. কবির আহম্মেদ ও সিনিয়র স্টোর কিপার মোহাম্মদ ইউসুফ ফকির। মামলায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ না থাকলেও নকল এন-৯৫ মাস্ক ডাক্তার ও নার্সকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। মারা যাওয়ায় সিএমএসডির সাবেক পরিচালককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয় দুদক। মামলায় বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রকৃত এন-৯৫ মাস্কের পরিবর্তে নকল মাস্ক সিএমএসডিতে সরবরাহ করে। জেএমআই ফেস মাস্ক মুদ্রিত বড় কার্টনের মধ্যে এন-৯৫ ফেস মাস্ক লেখা ছোট বক্সে জেএমআই হসপিটাল জিকুইজিটের উৎপাদিত ২০ হাজার ৬১০ পিস নকল এন-৯৫ মাস্ক দেয়। পরে ওই মাস্ক ১০টি প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়ে মামলায় বলা হয়, করোনাভাইরাস মোকাবেলা ও চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং কেমিক্যাল রিএজেন্ট সংগ্রহের জন্য উদ্যোগ নেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এজন্য ১৮ মার্চ বরাদ্দকৃত ৫০ কোটি টাকা সিএমএসডিতে ন্যস্ত করা হয়। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে প্রতি মাসে সারা দেশের জন্য ৪ হাজার ৩৫১টি হ্যান্ড হেল্ড থার্মোমিটার এবং প্রতি মাসে ১ লাখ ৪ হাজার ৫৫০ লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজার; ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬৫০ সেট পিপিই; ১০ লাখ ১২ হাজার ২০০ পিস মাস্ক; ৪ লাখ ৬২ হাজার জোড়া ডিসপোজেবল গ্লাভস, ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ পিস গগলস; ৯৯ হাজার ৪৮০ পিস ডিসপোজেবল ব্যাগ; ৭ হাজার ১৬০ লিটার ডিসইনফেকট্যান্ট ও ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৪০ পিস এন-৯৫ মাস্ক ক্রয় এবং সরবরাহের চাহিদাপত্র প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতর ২৫ মার্চের স্মারক মূলে চিকিৎসা ও শৈল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সংগ্রহে সিএমএসডিতে আরও ১০০ কোটি টাকা ন্যস্ত করে।

দুদকের মামলায় রেকর্ডপত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ঔষধাগার (সিএমএসডি) এর ক্রয় সংক্রান্ত কার‌্যাবলী সম্পাদন, রেকর্ডপত্র প্রস্তুত ও সংরক্ষণের কাজ তথা প্রকিউরমেন্ট কার‌্যাবলি সাধারণত ১০টি ডেস্কের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। যার প্রতিটি ডেস্কে দায়িত্ব পালন করেন ১ জন করে ডেস্ক অফিসার। এছাড়া ক্রয় সংক্রান্ত সব ডেস্কের কাজ মনিটরিং তথা পুরো প্রকিউরমেন্ট কার‌্যাবলি মনিটরিং করা হয় ডেস্ক-১১ এর মাধ্যমে। যার ডেস্ক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ডা. মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান। কোভিড-১৯ এর শুরু থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৫৩টি সরবরাহকারী/ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএমএসডিতে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, কেমিক্যাল, রি-এজেন্ট, ওষুধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করে। এর মধ্যে সিএমএসডির ২৩ মার্চের সিএমএসডি/হিসাব/২০১৯-২০২০/২৬৭৪ স্মারক মূলে প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর (করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান) স্বাক্ষরে স্পেসিফিকেশন ও মূল্য নির্ধারণ ব্যতীত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জেএমআইকে ৫০ লাখ পিস ‘ফেস মাস্ক’ সরবরাহের আদেশ দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ২৭ মার্চ চালান নং সিএমএসডি-১৩/২০২০ এর মাধ্যমে জেএমআই ফেস মাস্ক মুদ্রিত ১০টি বড় কার্টন সরবরাহ করে। যার প্রতিটিতে ৩২টি করে ছোট বক্স রয়েছে। যাতে এন-৯৫ ফেস মাস্ক মুদ্রিত এবং প্রতিটি ছোট বক্সে ৩০টি করে মাস্ক রয়েছে। সব মিলিয়ে ২০ হাজার ৬১০ পিস মাস্ক সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি। এসব ফেস মাস্কের চালান গ্রহণ করেন সিএমএসডির ওই ৬ কর্মকর্তা। তারা সিএমএসডির নিয়মানুযায়ী সার্ভে কমিটির মাধ্যমে যাচাই না করেই পরস্পর যোগসাজশে নকল এন-৯৫ মাস্ক গ্রহণ করেন। একই তারিখে অসৎ উদ্দেশ্যে উক্ত নকল এন-৯৫ মাস্ক ১০টি প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করে স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্যদের মৃত্যুঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, সিএমএসডির তৎকালীন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলায় অভিযুক্ত করা হয়নি।