খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
jugantor
স্কুলছাত্রী লামিয়া হত্যা
খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

  কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

২৪ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে স্কুলছাত্রী লিমুমনি লামিয়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ ছয় দিনেও উদ্ঘাটন হয়নি। এ ঘটনায় বাড়ির ভাড়াটিয়া স্বামী সুমন ও স্ত্রী মিলিকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও উদ্ধার হয়নি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র ও লুণ্ঠিত স্বর্ণের গহনা। হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে সোমবার দুপুরে মানববন্ধন করেছে আলোকিত হৃদয় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও সহপাঠীরা। এ সময় দ্রুত বিচারের দাবিতে তারা মহাসড়কে বিক্ষোভ করে।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার রনারচালা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এ মানববন্ধন করা হয়। এতে লামিয়ার পরিবার ও কালিয়াকৈর এবং মির্জাপুর এলাকার বাসিন্দারা অংশ নেয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গোড়াই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন ভূঁইয়া ঠাণ্ডু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাশেম দেওয়ান, আলোকিত হৃদয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানোয়ার হোসেন সজিব, সহকারী শিক্ষক শামিমা আক্তার, শাকিলা খাতুন, লামিয়ার বাবা সাহেব আলী, মা শামীমা বেগম, ভাই সুমন মিয়া, সহপাঠী রাতুল হোসেন প্রমুখ।

লিমুমনি লামিয়া কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর গজারিয়া এলাকার সাহেব আলীর মেয়ে। সে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর গোড়াই এলাকার আলোকিত হৃদয় বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা হল : বগুড়ার সদর থানার ফুলবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে সুমন মিয়া (২৭) ও সুমনের স্ত্রী মিলি বেগম (২২)। জানা যায়, কালিয়াকৈরে ১৭ নভেম্বর রাতে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী লামিয়াকে হত্যা করা হয়। সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনায় লাশ বেঁধে বাড়ির পাশের শিমুলতলী খালের পানিতে ডুবিয়ে গুমের চেষ্টাও করা হয়। লুট করা হয়েছে তার গলা, কান ও পায়ের স্বর্ণের গহনা। ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন রাত ৯টায় সেই খালের পাড়েই তাকে কবর দেয়া হয়।

তিনটি ধারণাকে প্রাধান্য দিয়ে সিআইডি, পিবিআই ও পুলিশ বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহের পর তদন্ত চালিয়ে গেলেও ঘটনার ছয় দিনেও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। আদালত সুমনের দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সুমনের স্ত্রী মিলির পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, মিলির রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া স্বজনকে না পেয়ে দেড় বছরের শিশু আলিফকেও তাদের সঙ্গে পাঠানো হয়েছে।

স্কুলছাত্রী লামিয়া হত্যা

খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

 কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
২৪ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে স্কুলছাত্রী লিমুমনি লামিয়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ ছয় দিনেও উদ্ঘাটন হয়নি। এ ঘটনায় বাড়ির ভাড়াটিয়া স্বামী সুমন ও স্ত্রী মিলিকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও উদ্ধার হয়নি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র ও লুণ্ঠিত স্বর্ণের গহনা। হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে সোমবার দুপুরে মানববন্ধন করেছে আলোকিত হৃদয় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও সহপাঠীরা। এ সময় দ্রুত বিচারের দাবিতে তারা মহাসড়কে বিক্ষোভ করে।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার রনারচালা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এ মানববন্ধন করা হয়। এতে লামিয়ার পরিবার ও কালিয়াকৈর এবং মির্জাপুর এলাকার বাসিন্দারা অংশ নেয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গোড়াই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন ভূঁইয়া ঠাণ্ডু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাশেম দেওয়ান, আলোকিত হৃদয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানোয়ার হোসেন সজিব, সহকারী শিক্ষক শামিমা আক্তার, শাকিলা খাতুন, লামিয়ার বাবা সাহেব আলী, মা শামীমা বেগম, ভাই সুমন মিয়া, সহপাঠী রাতুল হোসেন প্রমুখ।

লিমুমনি লামিয়া কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর গজারিয়া এলাকার সাহেব আলীর মেয়ে। সে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর গোড়াই এলাকার আলোকিত হৃদয় বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা হল : বগুড়ার সদর থানার ফুলবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে সুমন মিয়া (২৭) ও সুমনের স্ত্রী মিলি বেগম (২২)। জানা যায়, কালিয়াকৈরে ১৭ নভেম্বর রাতে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী লামিয়াকে হত্যা করা হয়। সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনায় লাশ বেঁধে বাড়ির পাশের শিমুলতলী খালের পানিতে ডুবিয়ে গুমের চেষ্টাও করা হয়। লুট করা হয়েছে তার গলা, কান ও পায়ের স্বর্ণের গহনা। ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন রাত ৯টায় সেই খালের পাড়েই তাকে কবর দেয়া হয়।

তিনটি ধারণাকে প্রাধান্য দিয়ে সিআইডি, পিবিআই ও পুলিশ বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহের পর তদন্ত চালিয়ে গেলেও ঘটনার ছয় দিনেও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। আদালত সুমনের দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সুমনের স্ত্রী মিলির পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, মিলির রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া স্বজনকে না পেয়ে দেড় বছরের শিশু আলিফকেও তাদের সঙ্গে পাঠানো হয়েছে।