এমপি আসলামের দখলে নদীর ১৩ একর জমি, উচ্ছেদের সুপারিশ নদী রক্ষা কমিশনের
jugantor
এমপি আসলামের দখলে নদীর ১৩ একর জমি, উচ্ছেদের সুপারিশ নদী রক্ষা কমিশনের
আরও ৩০.১১ একর জমি দখল করে ভরাটের চেষ্টা অব্যাহত * আরিশা প্রাইভেট ইকোনমিক জোন ও মায়িশা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নামে এসব জমি দখল করা হয়

  কাজী জেবেল  

২৬ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মো. আসলামুল হক

সংসদ সদস্য (এমপি) মো. আসলামুল হকের দখলে থাকা বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর প্রায় ১৩ একর জমি উচ্ছেদের সুপারিশ করেছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও জেলা প্রশাসককে দ্রুত উচ্ছেদ করে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলা হয় ওই সুপারিশে।

সোমবার বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যানকে সুপারিশসহ এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠায় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। পাশাপাশি এটি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, নদীর প্রায় ১৩ একর জমি দখল করে ভারি স্থাপনা তৈরি করছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. আসলামুল হক। সিএস মৌজা ম্যাপে এ জমিতে নদী ছিল। ওই জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে আরিশা প্রাইভেট ইকোনমিক জোন ও মায়িশা গ্রুপের বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার ওয়াশপুর ও ঘাটাচর এবং সাভার উপজেলার শ্যামলাপুর মৌজায় বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

এর বাইরে আরও ৩০ দশমিক ১১ একর নদীর জমি দখল করে ভরাটের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন সরকারদলীয় এ সংসদ সদস্যের প্রতিষ্ঠান। এমপি আসলামের দখলে থাকা বিরোধপূর্ণ ৫১ দশমিক ০২ একর জমির নথিপত্র পর্যালোচনা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দলিল-দস্তাবেজ পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পেয়েছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন গঠিত যৌথ কমিটি।

তবে নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদনের এসব তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন আরিশা প্রাইভেট ইকোনমিক জোন ও মায়িশা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিক ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. আসলামুল হক। তিনি নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদন দেয়ার এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

মো. আসলামুল হক বলেন, নদীর জমি দখলের যে তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। গত একশ’ বছর ধরে ওই জমির খাজনা দিয়ে আসছেন মালিকেরা। তারাই ভোগদখল করে আসছেন। আমি ২০১০ সালের পরে ওইসব জমি কিনেছি। আর যে ৩০ একর জমি দখল করার কথা বলা হচ্ছে সেটিও সঠিক নয়। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী নদী রক্ষা কমিশনের এ ধরনের প্রতিবেদন দেয়ার এখতিয়ার নেই। নদী রক্ষা কমিশনের ওপর অনাস্থা দিয়েছি।

এদিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধি নিয়ে নিরপেক্ষভাবেই প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।

যুগান্তরকে তিনি বলেন, অনেকগুলো সংস্থা নিয়ে নিরপেক্ষ ও নিখুঁতভাবে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই এটি করা হয়েছে। কারও প্রতি বশবর্তী হয়ে নয়। তবে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাই না। অনেকগুলো সংস্থা মিলে যৌথভাবে এ জরিপ করেছে। আশা করি প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি নদীর জমি থেকে স্থাপনা সরিয়ে নেবেন। অন্যথায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে সেখানে আবারও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। তিনি যুগান্তরকে বলেন, এমপি সাহেব আগেই বলেছিলেন যৌথ জরিপের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন।

ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এমপি আসলামুল হকের দাবি করা ৫১ দশমিক ০২ একর জমির বিরোধের বিষয়ে যৌথ কমিটি গঠন করে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। ঢাকা জেলা প্রশাসন, রাজউক, পরিবেশ অধিদফতর, স্পারশোসহ বেশ কয়েকটি সংস্থার প্রতিনিধি ছিলেন এ কমিটিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ৫১ দশমিক ০২ একর জমির মধ্যে ১২ দশমিক ৭৮ একর জমি নদীর।

এছাড়া তিনি ৫১ দশমিক ০২ একর জমির কথা বললেও সেখানে পাওয়া গেছে ৫৪ দশমিক ০১ একর জমি। অর্থাৎ বাড়তি আরও ২.৯৯ একর জমি রয়েছে তার দখলে। দখল হওয়া নদীর জমির দাগ ও মৌজা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ওয়াশপুর মৌজার ৩৩টি দাগে ৮ দশমিক ৪২ একর, ঘাটারচর মৌজার দশমিক ৪০ একর এবং সাভার উপজেলার শ্যামলাপুর মৌজার ৩ দশমিক ৪৩ একর জমি নদীর।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দখলে থাকা জমির বাইরেও মায়িশা গ্রুপ ও আরিশা ইকোনমিক জোন কর্তৃক নদীতে নিমজ্জিত ওয়াশপুর মৌজার ৩০ দশমিক ১১ একর জমি ক্রমান্বয়ে অবৈধভাবে দখল করে ভরাটের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ঢাকা জেলা প্রশাসক ও কালেক্টরকে অবিলম্বে অবৈধ দখলমুক্ত করার কার্যক্রর ব্যবস্থা বা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

সিএসভুক্ত নদীর জমি নদীরই থাকার বিধান। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নামে বন্দোবস্ত দেয়া বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে হস্তান্তর করার বা শ্রেণি পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই- এমন মন্তব্য করে প্রতিবেদনে বলা হয়, এ গ্রুপের দখলে থাকা ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ জমি সিএস রেকর্ড অনুযায়ী নদীর জমি, যা আরএস রেকর্ডে ব্যক্তিমালিকানায় রেকর্ড করা হয়েছে; যা আইনানুগ কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে প্রতারণামূলক লিখন হিসেবে গণ্য।

প্রতিবেদনে বন্দর আইন ও বিধি এবং পানি আইন অনুযায়ী মায়িশা গ্রুপ ও আরিশা ইকোনমিক জোনের সব স্থাপনা সরিয়ে ভূমিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার সুপারিশ করা হয়।

এমপি আসলামের দখলে নদীর ১৩ একর জমি, উচ্ছেদের সুপারিশ নদী রক্ষা কমিশনের

আরও ৩০.১১ একর জমি দখল করে ভরাটের চেষ্টা অব্যাহত * আরিশা প্রাইভেট ইকোনমিক জোন ও মায়িশা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নামে এসব জমি দখল করা হয়
 কাজী জেবেল 
২৬ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
মো. আসলামুল হক
ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আসলামুল হক। ফাইল ছবি

সংসদ সদস্য (এমপি) মো. আসলামুল হকের দখলে থাকা বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর প্রায় ১৩ একর জমি উচ্ছেদের সুপারিশ করেছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও জেলা প্রশাসককে দ্রুত উচ্ছেদ করে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলা হয় ওই সুপারিশে।

সোমবার বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যানকে সুপারিশসহ এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠায় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। পাশাপাশি এটি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, নদীর প্রায় ১৩ একর জমি দখল করে ভারি স্থাপনা তৈরি করছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. আসলামুল হক। সিএস মৌজা ম্যাপে এ জমিতে নদী ছিল। ওই জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে আরিশা প্রাইভেট ইকোনমিক জোন ও মায়িশা গ্রুপের বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার ওয়াশপুর ও ঘাটাচর এবং সাভার উপজেলার শ্যামলাপুর মৌজায় বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

এর বাইরে আরও ৩০ দশমিক ১১ একর নদীর জমি দখল করে ভরাটের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন সরকারদলীয় এ সংসদ সদস্যের প্রতিষ্ঠান। এমপি আসলামের দখলে থাকা বিরোধপূর্ণ ৫১ দশমিক ০২ একর জমির নথিপত্র পর্যালোচনা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দলিল-দস্তাবেজ পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পেয়েছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন গঠিত যৌথ কমিটি।

তবে নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদনের এসব তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন আরিশা প্রাইভেট ইকোনমিক জোন ও মায়িশা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিক ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. আসলামুল হক। তিনি নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদন দেয়ার এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

মো. আসলামুল হক বলেন, নদীর জমি দখলের যে তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। গত একশ’ বছর ধরে ওই জমির খাজনা দিয়ে আসছেন মালিকেরা। তারাই ভোগদখল করে আসছেন। আমি ২০১০ সালের পরে ওইসব জমি কিনেছি। আর যে ৩০ একর জমি দখল করার কথা বলা হচ্ছে সেটিও সঠিক নয়। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী নদী রক্ষা কমিশনের এ ধরনের প্রতিবেদন দেয়ার এখতিয়ার নেই। নদী রক্ষা কমিশনের ওপর অনাস্থা দিয়েছি।

এদিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধি নিয়ে নিরপেক্ষভাবেই প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।

যুগান্তরকে তিনি বলেন, অনেকগুলো সংস্থা নিয়ে নিরপেক্ষ ও নিখুঁতভাবে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই এটি করা হয়েছে। কারও প্রতি বশবর্তী হয়ে নয়। তবে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাই না। অনেকগুলো সংস্থা মিলে যৌথভাবে এ জরিপ করেছে। আশা করি প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি নদীর জমি থেকে স্থাপনা সরিয়ে নেবেন। অন্যথায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে সেখানে আবারও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। তিনি যুগান্তরকে বলেন, এমপি সাহেব আগেই বলেছিলেন যৌথ জরিপের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন।

ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এমপি আসলামুল হকের দাবি করা ৫১ দশমিক ০২ একর জমির বিরোধের বিষয়ে যৌথ কমিটি গঠন করে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। ঢাকা জেলা প্রশাসন, রাজউক, পরিবেশ অধিদফতর, স্পারশোসহ বেশ কয়েকটি সংস্থার প্রতিনিধি ছিলেন এ কমিটিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ৫১ দশমিক ০২ একর জমির মধ্যে ১২ দশমিক ৭৮ একর জমি নদীর।

এছাড়া তিনি ৫১ দশমিক ০২ একর জমির কথা বললেও সেখানে পাওয়া গেছে ৫৪ দশমিক ০১ একর জমি। অর্থাৎ বাড়তি আরও ২.৯৯ একর জমি রয়েছে তার দখলে। দখল হওয়া নদীর জমির দাগ ও মৌজা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ওয়াশপুর মৌজার ৩৩টি দাগে ৮ দশমিক ৪২ একর, ঘাটারচর মৌজার দশমিক ৪০ একর এবং সাভার উপজেলার শ্যামলাপুর মৌজার ৩ দশমিক ৪৩ একর জমি নদীর।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দখলে থাকা জমির বাইরেও মায়িশা গ্রুপ ও আরিশা ইকোনমিক জোন কর্তৃক নদীতে নিমজ্জিত ওয়াশপুর মৌজার ৩০ দশমিক ১১ একর জমি ক্রমান্বয়ে অবৈধভাবে দখল করে ভরাটের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ঢাকা জেলা প্রশাসক ও কালেক্টরকে অবিলম্বে অবৈধ দখলমুক্ত করার কার্যক্রর ব্যবস্থা বা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

সিএসভুক্ত নদীর জমি নদীরই থাকার বিধান। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নামে বন্দোবস্ত দেয়া বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে হস্তান্তর করার বা শ্রেণি পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই- এমন মন্তব্য করে প্রতিবেদনে বলা হয়, এ গ্রুপের দখলে থাকা ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ জমি সিএস রেকর্ড অনুযায়ী নদীর জমি, যা আরএস রেকর্ডে ব্যক্তিমালিকানায় রেকর্ড করা হয়েছে; যা আইনানুগ কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে প্রতারণামূলক লিখন হিসেবে গণ্য।

প্রতিবেদনে বন্দর আইন ও বিধি এবং পানি আইন অনুযায়ী মায়িশা গ্রুপ ও আরিশা ইকোনমিক জোনের সব স্থাপনা সরিয়ে ভূমিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার সুপারিশ করা হয়।