প্রথম ১০০ দিনে যেসব পদক্ষেপ নেবেন বাইডেন
jugantor
প্রথম ১০০ দিনে যেসব পদক্ষেপ নেবেন বাইডেন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৬ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য প্রথম ১০০ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ের মধ্যে বোঝা যায় নতুন প্রশাসনের নীতি কী ধরনের হবে? ‘এ ফার্স্ট হান্ড্রেড ডে স্ট্যান্ডার্ড’ বা মানসম্মত প্রথম ১০০ দিনের পরিকল্পনা আসে ১৯৩৩ সালে প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্টের মাথা থেকে। তারপর থেকে এটি নিয়মে পরিণত হয়েছে।

এ কারণে অভ্যন্তরীণ তো বটেই, বহির্বিশ্বও মার্কিন নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রথম ১০০ দিনের দিকে তাকিয়ে থাকবে। দেখে নেয়া যাক বাইডেন প্রশাসনের প্রথম ১০০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কাজগুলো কী হবে? ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নেবেন বাইডেন। এবিসি নিউজ, ফোর্বস নিউজ।

জলবায়ু পরিবর্তন : জো বাইডেন খুব স্পষ্টভাবে জানেন যে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার অগ্রাধিকারভিত্তিক কাজগুলোর একটি হবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে পুনরায় যোগদান। ২০১৭ সালে ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেয়ার পর জাতিসংঘকে জানিয়েছিল যে, তারা চুক্তিটি থেকে সরে আসতে চায়। তারপর এ মাসের শুরুর দিকে তথা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের একদিন পর ৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

জলবায়ু চুক্তিতে ফিরে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ঘোষণার সময় বাইডেন বলেছিলেন তার লক্ষ্য হচ্ছে চুক্তিতে যোগদান করে বাকি বিশ্বকে নতুন করে উজ্জীবিত করা। এর মধ্য দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত তাদের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো এবং জলবায়ু পরিবর্তন রুখে দিতে আরও বেশি পদক্ষেপ নেয়া। নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে ফ্লোরিডায় এক র‌্যালিতে তিনি বলেছিলেন, অন্য যে কোনো রাজ্য থেকে এই রাজ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বেশি।

বাইডেনের বক্তব্য ছিল, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের অর্থনৈতিক ক্ষতি স্তম্ভিত করার মতো এবং এই ক্ষতি প্রতিবছর বাড়ছে। কিন্তু মানুষের এর চেয়েও অনেক বেশি। অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে, বাড়িঘর হারাচ্ছে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমরা যে পথে আছি, তা পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের এখনই পদক্ষেপ নেয়া শুরু করতে হবে। সময় গড়িয়ে যাচ্ছে।’

এছাড়া একটি জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজন করা এবং নৌ ও আকাশপথে কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথাও বলেছিলেন বাইডেন। ফলে প্রথম ৩/৪ মাস তথা ১০০ দিনে জলবায়ুই হবে তার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

কোভিড-১৯ মহামারী : প্রথম ১০০ দিনে বাইডেনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে করোনাভাইরাস তথা কোভিড-১৯ মহামারীর আঘাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে মুক্ত করার চেষ্টা ও কেরোনা নিয়ন্ত্রণে আনা। এখন যুক্তরাষ্ট্রে দৈনিক এক লাখের মতো মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

নিজের বিজয়ী বক্তব্যে বাইডেন বলেছিলেন, ‘আমাদের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে করোনা নিয়ন্ত্রণে আনার পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে। বাইডেনের জয়ের পেছনের অন্যতম প্রভাবক এই করোনা মহামারী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনাকে গুরুত্ব দেননি। এমনকি মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিধি তিনি মানেননি, অন্যদেরও না মানার পথে ডেকেছেন। মাস্ক নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করেছেন। বিষয়গুলোকে সচেতন মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। কি

ন্তু বাইডেন ছিলেন সতর্ক এবং করোনাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছেন তিনি ও নির্বাচনী প্রচারণা টিম। এ কারণে হোয়াইট হাউসে ঢুকেই করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, ভ্যাকসিন সংক্রান্ত কাজ ও করোনার কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার মানুষের জন্য জরুরি পদক্ষেপ ঘোষণা করবেন বাইডেন।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন : নির্বাচনে নিজের জয়ের দাবি করারও আগে বাইডেন বলেছিলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হবে তার অগ্রাধিকারভিত্তিক কাজগুলোর একটি। তার বক্তব্য ছিল, ‘২ কোটির বেশি মানুষ বেকার। লাখো মানুষ ভাড়া পরিশোধ ও খাবার জোগানোর চিন্তায় উদ্বিগ্ন।

আমাদের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা হচ্ছে শক্তিশালী পুনরুদ্ধার কর্মসূচির মাধ্যমে অর্থনীতি ও উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়া।’ তিনি বলেছিলেন, কর্মজীবী পরিবার ও ছোট ব্যবসাকে সহায়তা করার জন্য দ্রুত আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে। আরও বেশি কর্মসৃজনের উদ্যোগ নেয়া হবে।

সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক : বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রমে গতি আনা হবে। এজন্য হোয়াইট হাউস, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা দফতরে নিয়মিত দৈনিক ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এছাড়া পররাষ্ট্রনীতির ভিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন জোটের পুনঃআবির্ভাব ঘটানোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়া ও মার্কিন নেতৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে। এটিও হবে বাইডেনের ১০০ দিনের অগ্রাধিকার ক্ষেত্র।

অভিবাসন : জুনে বাইডেন বলেছিলেন প্রথম দিন অফিসে বসেই তার কাজ হবে অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনা। সীমান্তের দুই পারে পরিবার বিভক্তির ট্রাম্পের নীতির পর্যালোচনা করা। তিনি আরও বলেছিলেন, ক্ষমতার প্রথম দিনে অভিবাসন সংস্কারের একটি বিল পাঠাবেন কংগ্রেসে। এর উদ্দেশ্য হবে বৈধ কাগজপত্রহীন ১ কোটি ১০ লাখ মার্কিনির নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা।

লিঙ্গ, বর্ণ ও সামাজিক ইস্যু : আরও যেসব বিষয়ে বাইডেন জরুরি পদক্ষেপ নেবেন তার মধ্যে আছে বর্ণবাদ, লিঙ্গ ও সামাজিক কিছু ইস্যু। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার একটি আইন নবায়ন করা হয়নি। এটি করবেন বাইডেন প্রথম ১০০ দিনে। শেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ বৈষম্য ও সামাজিক বিভক্তি দূরীকরণের জন্য দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ থাকবে বাইডেনের প্রথম ১০০ দিনের অগ্রাধিকারের তালিকায়।

প্রথম ১০০ দিনে যেসব পদক্ষেপ নেবেন বাইডেন

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৬ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য প্রথম ১০০ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ের মধ্যে বোঝা যায় নতুন প্রশাসনের নীতি কী ধরনের হবে? ‘এ ফার্স্ট হান্ড্রেড ডে স্ট্যান্ডার্ড’ বা মানসম্মত প্রথম ১০০ দিনের পরিকল্পনা আসে ১৯৩৩ সালে প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্টের মাথা থেকে। তারপর থেকে এটি নিয়মে পরিণত হয়েছে।

এ কারণে অভ্যন্তরীণ তো বটেই, বহির্বিশ্বও মার্কিন নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রথম ১০০ দিনের দিকে তাকিয়ে থাকবে। দেখে নেয়া যাক বাইডেন প্রশাসনের প্রথম ১০০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কাজগুলো কী হবে? ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নেবেন বাইডেন। এবিসি নিউজ, ফোর্বস নিউজ।

জলবায়ু পরিবর্তন : জো বাইডেন খুব স্পষ্টভাবে জানেন যে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার অগ্রাধিকারভিত্তিক কাজগুলোর একটি হবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে পুনরায় যোগদান। ২০১৭ সালে ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেয়ার পর জাতিসংঘকে জানিয়েছিল যে, তারা চুক্তিটি থেকে সরে আসতে চায়। তারপর এ মাসের শুরুর দিকে তথা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের একদিন পর ৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

জলবায়ু চুক্তিতে ফিরে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ঘোষণার সময় বাইডেন বলেছিলেন তার লক্ষ্য হচ্ছে চুক্তিতে যোগদান করে বাকি বিশ্বকে নতুন করে উজ্জীবিত করা। এর মধ্য দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত তাদের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো এবং জলবায়ু পরিবর্তন রুখে দিতে আরও বেশি পদক্ষেপ নেয়া। নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে ফ্লোরিডায় এক র‌্যালিতে তিনি বলেছিলেন, অন্য যে কোনো রাজ্য থেকে এই রাজ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বেশি।

বাইডেনের বক্তব্য ছিল, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের অর্থনৈতিক ক্ষতি স্তম্ভিত করার মতো এবং এই ক্ষতি প্রতিবছর বাড়ছে। কিন্তু মানুষের এর চেয়েও অনেক বেশি। অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে, বাড়িঘর হারাচ্ছে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমরা যে পথে আছি, তা পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের এখনই পদক্ষেপ নেয়া শুরু করতে হবে। সময় গড়িয়ে যাচ্ছে।’

এছাড়া একটি জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজন করা এবং নৌ ও আকাশপথে কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথাও বলেছিলেন বাইডেন। ফলে প্রথম ৩/৪ মাস তথা ১০০ দিনে জলবায়ুই হবে তার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

কোভিড-১৯ মহামারী : প্রথম ১০০ দিনে বাইডেনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে করোনাভাইরাস তথা কোভিড-১৯ মহামারীর আঘাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে মুক্ত করার চেষ্টা ও কেরোনা নিয়ন্ত্রণে আনা। এখন যুক্তরাষ্ট্রে দৈনিক এক লাখের মতো মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

নিজের বিজয়ী বক্তব্যে বাইডেন বলেছিলেন, ‘আমাদের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে করোনা নিয়ন্ত্রণে আনার পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে। বাইডেনের জয়ের পেছনের অন্যতম প্রভাবক এই করোনা মহামারী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনাকে গুরুত্ব দেননি। এমনকি মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিধি তিনি মানেননি, অন্যদেরও না মানার পথে ডেকেছেন। মাস্ক নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করেছেন। বিষয়গুলোকে সচেতন মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। কি

ন্তু বাইডেন ছিলেন সতর্ক এবং করোনাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছেন তিনি ও নির্বাচনী প্রচারণা টিম। এ কারণে হোয়াইট হাউসে ঢুকেই করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, ভ্যাকসিন সংক্রান্ত কাজ ও করোনার কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার মানুষের জন্য জরুরি পদক্ষেপ ঘোষণা করবেন বাইডেন।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন : নির্বাচনে নিজের জয়ের দাবি করারও আগে বাইডেন বলেছিলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হবে তার অগ্রাধিকারভিত্তিক কাজগুলোর একটি। তার বক্তব্য ছিল, ‘২ কোটির বেশি মানুষ বেকার। লাখো মানুষ ভাড়া পরিশোধ ও খাবার জোগানোর চিন্তায় উদ্বিগ্ন।

আমাদের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা হচ্ছে শক্তিশালী পুনরুদ্ধার কর্মসূচির মাধ্যমে অর্থনীতি ও উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়া।’ তিনি বলেছিলেন, কর্মজীবী পরিবার ও ছোট ব্যবসাকে সহায়তা করার জন্য দ্রুত আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে। আরও বেশি কর্মসৃজনের উদ্যোগ নেয়া হবে।

সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক : বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রমে গতি আনা হবে। এজন্য হোয়াইট হাউস, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা দফতরে নিয়মিত দৈনিক ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এছাড়া পররাষ্ট্রনীতির ভিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন জোটের পুনঃআবির্ভাব ঘটানোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়া ও মার্কিন নেতৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে। এটিও হবে বাইডেনের ১০০ দিনের অগ্রাধিকার ক্ষেত্র।

অভিবাসন : জুনে বাইডেন বলেছিলেন প্রথম দিন অফিসে বসেই তার কাজ হবে অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনা। সীমান্তের দুই পারে পরিবার বিভক্তির ট্রাম্পের নীতির পর্যালোচনা করা। তিনি আরও বলেছিলেন, ক্ষমতার প্রথম দিনে অভিবাসন সংস্কারের একটি বিল পাঠাবেন কংগ্রেসে। এর উদ্দেশ্য হবে বৈধ কাগজপত্রহীন ১ কোটি ১০ লাখ মার্কিনির নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা।

লিঙ্গ, বর্ণ ও সামাজিক ইস্যু : আরও যেসব বিষয়ে বাইডেন জরুরি পদক্ষেপ নেবেন তার মধ্যে আছে বর্ণবাদ, লিঙ্গ ও সামাজিক কিছু ইস্যু। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার একটি আইন নবায়ন করা হয়নি। এটি করবেন বাইডেন প্রথম ১০০ দিনে। শেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ বৈষম্য ও সামাজিক বিভক্তি দূরীকরণের জন্য দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ থাকবে বাইডেনের প্রথম ১০০ দিনের অগ্রাধিকারের তালিকায়।

 

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-২০২০