দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের ভোট ১৬ ও ৩০ জানুয়ারি
jugantor
পৌরসভা নির্বাচন
দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের ভোট ১৬ ও ৩০ জানুয়ারি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩০ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দ্বিতীয় ধাপে ৫৭টি পৌরসভায় ১৬ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ধাপের তফসিল চলতি সপ্তাহে ঘোষণা করা হতে পারে। আর তৃতীয় ধাপে ৩০ জানুয়ারি ও চতুর্থ ধাপে ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। এ দু’ধাপে ৫৭টি করে পৌরসভায় ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নিতে ইসি সচিবালয়কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রোববার কমিশনের ৭৩তম কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় অংশ নেয়া একাধিক কর্মকর্তা এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে প্রথম ধাপে ২৫টি পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। এ হিসাব অনুযায়ী, চার ধাপে ১৯৬টি পৌরসভায় ভোট হতে যাচ্ছে।

ওইসব কর্মকর্তা বলেন, সভায় ভোটের প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ধাপে ৫৭টি করে পৌরসভা রাখা হলেও শেষ মুহূর্তে নানা কারণে এ সংখ্যার কিছুটা হেরফের হতে পারে। তবে ভোটের তারিখ ঠিক থাকছে- এটা মোটামুটি নিশ্চিত।

কমিশন সভা শেষে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর ভোটের তারিখ সম্পর্কে বলেন, জানুয়ারির মাঝামাঝি দ্বিতীয় ও শেষ দিকে তৃতীয় ধাপ এবং ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি চতুর্থ ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ধাপে কম-বেশি ৬০টি করে পৌরসভায় ভোট নেয়া হবে। প্রত্যেক ধাপে ৩০টি পৌরসভায় ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। বাকিগুলোতে ব্যালট পেপারে ভোট হবে। সচিব জানান, শীতকালে দিন ছোট হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কোন ধাপে কোন পৌরসভা নির্বাচন হবে তা কমিশন সিদ্ধান্ত নেন। এখানে কারও তদবির বা প্রভাবের কারণে পৌরসভায় আগে বা পরে ভোট হয় না।

পিডিপির নিবন্ধন বাতিল : ইসি সচিব জানান, সভায় প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) নিবন্ধন বাতিল করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইসিতে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধিত থাকতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয় পিডিপি তার বেশিরভাগই পূরণ করতে পারেনি।

যে কারণে দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইসি তদন্ত করে দেখেছে পিডিপি নিবন্ধনের শর্ত পূরণ করছে না। পরে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল। এ নিয়ে শুনানিও হয়। দলটি কিছু কাগজপত্র দিয়েছিল। কিন্তু ইসি পর্যালোচনা করে দেখেছে, তারা নিবন্ধিত থাকার বেশিরভাগ শর্ত পূরণ করছে না। কমিশন সভার অন্য সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে প্রবাসে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে কোনো ফি দিতে হবে না।

পৌরসভা নির্বাচন

দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের ভোট ১৬ ও ৩০ জানুয়ারি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩০ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দ্বিতীয় ধাপে ৫৭টি পৌরসভায় ১৬ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ধাপের তফসিল চলতি সপ্তাহে ঘোষণা করা হতে পারে। আর তৃতীয় ধাপে ৩০ জানুয়ারি ও চতুর্থ ধাপে ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। এ দু’ধাপে ৫৭টি করে পৌরসভায় ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নিতে ইসি সচিবালয়কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রোববার কমিশনের ৭৩তম কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় অংশ নেয়া একাধিক কর্মকর্তা এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে প্রথম ধাপে ২৫টি পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। এ হিসাব অনুযায়ী, চার ধাপে ১৯৬টি পৌরসভায় ভোট হতে যাচ্ছে।

ওইসব কর্মকর্তা বলেন, সভায় ভোটের প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ধাপে ৫৭টি করে পৌরসভা রাখা হলেও শেষ মুহূর্তে নানা কারণে এ সংখ্যার কিছুটা হেরফের হতে পারে। তবে ভোটের তারিখ ঠিক থাকছে- এটা মোটামুটি নিশ্চিত।

কমিশন সভা শেষে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর ভোটের তারিখ সম্পর্কে বলেন, জানুয়ারির মাঝামাঝি দ্বিতীয় ও শেষ দিকে তৃতীয় ধাপ এবং ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি চতুর্থ ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ধাপে কম-বেশি ৬০টি করে পৌরসভায় ভোট নেয়া হবে। প্রত্যেক ধাপে ৩০টি পৌরসভায় ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। বাকিগুলোতে ব্যালট পেপারে ভোট হবে। সচিব জানান, শীতকালে দিন ছোট হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কোন ধাপে কোন পৌরসভা নির্বাচন হবে তা কমিশন সিদ্ধান্ত নেন। এখানে কারও তদবির বা প্রভাবের কারণে পৌরসভায় আগে বা পরে ভোট হয় না।

পিডিপির নিবন্ধন বাতিল : ইসি সচিব জানান, সভায় প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) নিবন্ধন বাতিল করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইসিতে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধিত থাকতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয় পিডিপি তার বেশিরভাগই পূরণ করতে পারেনি।

যে কারণে দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইসি তদন্ত করে দেখেছে পিডিপি নিবন্ধনের শর্ত পূরণ করছে না। পরে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল। এ নিয়ে শুনানিও হয়। দলটি কিছু কাগজপত্র দিয়েছিল। কিন্তু ইসি পর্যালোচনা করে দেখেছে, তারা নিবন্ধিত থাকার বেশিরভাগ শর্ত পূরণ করছে না। কমিশন সভার অন্য সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে প্রবাসে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে কোনো ফি দিতে হবে না।