৬১ পৌরসভায় ভোট ১৬ জানুয়ারি
jugantor
দ্বিতীয় ধাপের তফসিল
৬১ পৌরসভায় ভোট ১৬ জানুয়ারি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দ্বিতীয় ধাপে ৬১টি পৌরসভায় ১৬ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এসব পৌরসভায় মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন ২০ ডিসেম্বর এবং মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ২৯ ডিসেম্বর। চূড়ান্ত প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৩০ ডিসেম্বর। এ নিয়ে দুই ধাপে ৮৬টি পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করল ইসি।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বুধবার তফসিল পড়ে শোনান। তিনি বলেন, এ ধাপের ৬১টি পৌরসভার মধ্যে ২৯টিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এবং বাকি ৩২টিতে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ডিসেম্বরের শেষদিকে ভোটগ্রহণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে আলোচনা হয়েছে। তবে কোনো কারণে ডিসেম্বরের শেষদিকে ভোটগ্রহণ না হলেও জানুয়ারির প্রথমদিকে এ সিটিতে ভোট হবে বলে জানান সচিব।

কিছু পৌরসভায় ইভিএম ও কিছু পৌরসভায় ব্যালটে ভোটগ্রহণে বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেন, একই জেলায় একাধিক পৌরসভা নির্বাচন আছে। একই জেলায় একটি পৌরসভায় ইভিএম এবং আরেকটিতে ব্যালটে ভোটগ্রহণ করব। অর্থাৎ সব জেলায় ইভিএম থাকছে। তিনি বলেন, যাতায়াত, নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে কোন পৌরসভায় ইভিএম ব্যবহার করা হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ বিষয়ে সচিব বলেন, ডিসেম্বরের শেষদিকে ভোটগ্রহণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে আলোচনা করেছে। তবে কোনো কারণে ডিসেম্বরে ভোটগ্রহণ করা না গেলে জানুয়ারিতে ভোট হবে। এ সিটিতে নতুন করে তফসিল ঘোষণার প্রয়োজন হবে না, শুধু ভোটের দিন নির্ধারণ করা হবে।

যেসব পৌরসভায় ইভিএম : ২৯টি পৌরসভায় ইভিএম ব্যবহার করে ভোট হবে। পৌরসভাগুলো হচ্ছে: সিরাজগঞ্জের কাজীপুর, নারায়ণগঞ্জের তারাব, শরীয়তপুর, মাগুরা, ঢাকার সাভার, দিনাজপুরের বীরগঞ্জ, নওগাঁর নজিপুর, পাবনার ফরিদপুর, রাজশাহীর কাকনহাট। আরও রয়েছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া, নাটোরের নলডাঙ্গা, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর, পিরোজপুর, নেত্রকোনার কেন্দুয়া, মেহেরপুরের গাংনী, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, খাগড়াছড়ি, নীলফামারীর সৈয়দপুর, রাজশাহীর আড়ানী, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, কুমিল্লার চান্দিনা, ফেনীর দাগনভূঞা, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর, নরসিংদীর মনোহরদী, বগুড়ার সান্তাহার, নোয়াখালীর বসুরহাট ও বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট।

যেসব পৌরসভায় ব্যালট : ব্যালটের মাধ্যমে ৩২ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হবে। এগুলো হচ্ছে: চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, নেত্রকোনোর মোহনগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুষ্টিয়ার মিরপুর ও ভেড়ামারা, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও কমলগঞ্জ, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও দিনাজপুর। আরও রয়েছে গাইবান্ধা, দিনাজপুরের বিরামপুর, পাবনার ভাঙ্গুরা, সাঁথিয়া ও সুজানগর, সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জের ছাতক, হবিগঞ্জের মাধবপুর ও নবীগঞ্জ, ফরিদপুরের বোয়ালমারী, পাবনার ঈশ্বরদী এবং বগুড়ার শেরপুর। বাকি পৌরসভাগুলো হচ্ছে : রাজশাহীর ভবানীগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ ও বেলকুচি, নাটোরের গোপালপুর, বান্দরবানের লামা, নাটোরের গুরুদাসপুর, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা।

দ্বিতীয় ধাপের তফসিল

৬১ পৌরসভায় ভোট ১৬ জানুয়ারি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দ্বিতীয় ধাপে ৬১টি পৌরসভায় ১৬ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এসব পৌরসভায় মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন ২০ ডিসেম্বর এবং মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ২৯ ডিসেম্বর। চূড়ান্ত প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৩০ ডিসেম্বর। এ নিয়ে দুই ধাপে ৮৬টি পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করল ইসি।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বুধবার তফসিল পড়ে শোনান। তিনি বলেন, এ ধাপের ৬১টি পৌরসভার মধ্যে ২৯টিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এবং বাকি ৩২টিতে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ডিসেম্বরের শেষদিকে ভোটগ্রহণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে আলোচনা হয়েছে। তবে কোনো কারণে ডিসেম্বরের শেষদিকে ভোটগ্রহণ না হলেও জানুয়ারির প্রথমদিকে এ সিটিতে ভোট হবে বলে জানান সচিব।

কিছু পৌরসভায় ইভিএম ও কিছু পৌরসভায় ব্যালটে ভোটগ্রহণে বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেন, একই জেলায় একাধিক পৌরসভা নির্বাচন আছে। একই জেলায় একটি পৌরসভায় ইভিএম এবং আরেকটিতে ব্যালটে ভোটগ্রহণ করব। অর্থাৎ সব জেলায় ইভিএম থাকছে। তিনি বলেন, যাতায়াত, নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে কোন পৌরসভায় ইভিএম ব্যবহার করা হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ বিষয়ে সচিব বলেন, ডিসেম্বরের শেষদিকে ভোটগ্রহণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে আলোচনা করেছে। তবে কোনো কারণে ডিসেম্বরে ভোটগ্রহণ করা না গেলে জানুয়ারিতে ভোট হবে। এ সিটিতে নতুন করে তফসিল ঘোষণার প্রয়োজন হবে না, শুধু ভোটের দিন নির্ধারণ করা হবে।

যেসব পৌরসভায় ইভিএম : ২৯টি পৌরসভায় ইভিএম ব্যবহার করে ভোট হবে। পৌরসভাগুলো হচ্ছে: সিরাজগঞ্জের কাজীপুর, নারায়ণগঞ্জের তারাব, শরীয়তপুর, মাগুরা, ঢাকার সাভার, দিনাজপুরের বীরগঞ্জ, নওগাঁর নজিপুর, পাবনার ফরিদপুর, রাজশাহীর কাকনহাট। আরও রয়েছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া, নাটোরের নলডাঙ্গা, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর, পিরোজপুর, নেত্রকোনার কেন্দুয়া, মেহেরপুরের গাংনী, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, খাগড়াছড়ি, নীলফামারীর সৈয়দপুর, রাজশাহীর আড়ানী, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, কুমিল্লার চান্দিনা, ফেনীর দাগনভূঞা, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর, নরসিংদীর মনোহরদী, বগুড়ার সান্তাহার, নোয়াখালীর বসুরহাট ও বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট।

যেসব পৌরসভায় ব্যালট : ব্যালটের মাধ্যমে ৩২ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হবে। এগুলো হচ্ছে: চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, নেত্রকোনোর মোহনগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুষ্টিয়ার মিরপুর ও ভেড়ামারা, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও কমলগঞ্জ, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও দিনাজপুর। আরও রয়েছে গাইবান্ধা, দিনাজপুরের বিরামপুর, পাবনার ভাঙ্গুরা, সাঁথিয়া ও সুজানগর, সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জের ছাতক, হবিগঞ্জের মাধবপুর ও নবীগঞ্জ, ফরিদপুরের বোয়ালমারী, পাবনার ঈশ্বরদী এবং বগুড়ার শেরপুর। বাকি পৌরসভাগুলো হচ্ছে : রাজশাহীর ভবানীগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ ও বেলকুচি, নাটোরের গোপালপুর, বান্দরবানের লামা, নাটোরের গুরুদাসপুর, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা।