চার কারণে অব্যাহতি ইরফান সেলিমের
jugantor
অস্ত্র ও মাদক মামলা
চার কারণে অব্যাহতি ইরফান সেলিমের
ক্যারিয়ার নষ্ট করতে বাসায় অস্ত্র ও মাদক রাখা হয় : তদন্ত কর্মকর্তা * সাক্ষ্য দিতে রাজি হননি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট * নৌ-কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় চার্জশিট শিগগিরই

  সিরাজুল ইসলাম  

০৫ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) করা অস্ত্র ও মাদক মামলা থেকে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ সেলিমের পুত্র ইরফান মোহাম্মদ সেলিম অব্যাহতি পেয়েছেন। চার কারণে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

কারণগুলো হলো : এজাহারে ত্রুটি, ঘটনাস্থল ঠিক না-হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণ না-থাকা এবং সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের বক্তব্য না-পাওয়া। দুটি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সোমবার আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দুটি দাখিল করা হয়েছে। প্রতিবেদন দুটির কপি যুগান্তরের হাতে এসেছে।

মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) থেকে জানা গেছে, কার দেখানোমতে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে তা মামলার এজাহারে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এজাহার অনুযায়ী, র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সাক্ষ্য দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তদন্তকালে অস্ত্র ও মাদকের সপক্ষে কোনো সাক্ষী পাওয়া যায়নি। তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার মডেল থানার পরিদর্শক মুহম্মদ দেলোয়ার হোসেন সোমবার আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনগুলো দাখিল করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারের উপকমিশনার ওয়ালিদ হোসেন যুগান্তরকে জানান, র‌্যাবের করা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ায় অনেকের মনে নানা প্রশ্ন উঠতে পারে। জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়াও হতে পারে। কিন্তু ডিএমপি মনে করে, এক্ষেত্রে কোনো প্রশ্ন ওঠা বা বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, মামলা হলো প্রাথমিক প্রতিবেদন। তদন্তকালে এর সত্যতা না পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

অতীতেও পুলিশ বাদী হয়ে অনেক মামলা করার পর তদন্তের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এর অসংখ্য প্রমাণ আছে। তিনি বলেন, ইরফান সেলিমকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও তার সহযোগী জাহিদুল মোল্লার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। কারণ, জাহিদুলের বিরুদ্ধে এজাহারে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

তার কাছে অস্ত্র ও মাদক পাওয়া গেছে। এক প্রশ্নের জবাবে উপকমিশনার ওয়ালিদ হোসেন জানান, নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধরের ঘটনায় ইরফানের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগির এ মামলায় চার্জশিট দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোমবার র‌্যাব লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিষয়ে আমরা এখনই কোনো মন্তব্য করব না। আগে প্রতিবেদনটি দেখি তারপর প্রতিক্রিয়া জানাব।

মামলার বিবরণে জানা যায়, র‌্যাবের ওয়ারেন্ট অফিসার কাইয়ুম ইসলাম বাদী হয়ে ২৮ অক্টোবর চকবাজার থানায় ইরফান ও তার সহযোগী জাহিদুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৬ অক্টোবর চকবাজারের দেবীদাস লেনের চাঁন সরদার ভবনে অভিযান চালানো হয়। সেখানে জাহিদুলের দেহ তল্লাশি করে একটি কালো রঙের পিস্তল, ৪০৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

এরপর ইরফান সেলিমের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি অবৈধ পিস্তল, ম্যাগাজিন ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়। পরে সেলিম ও জাহিদুলকে নিয়ে ভবনের পঞ্চম তলায় অভিযান চালিয়ে একটি এয়ারগান, দুটি কালো রঙের ছোরা, একটি চাইনিজ কুড়াল, বিদেশি মদ, ৩৮টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কালো রঙের ব্যাটারি ও চার্জারসহ ওয়াকিটকি সেট, হ্যান্ডকাফ এবং ক্যামেরাযুক্ত একটি ড্রোন উদ্ধার করা হয়। এ সময় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন। তার নির্দেশে এসব জব্দ করা হয়।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরফান সেলিম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর। এজাহার ও জব্দ তালিকায় ঘটনাস্থল ইরফানের শয়নকক্ষ উল্লেখ করা হলেও সেটি শয়নকক্ষ ছিল না। সেটি ছিল অতিথিকক্ষ। ইরফানের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট ও মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করাসহ হেয় প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে কে বা কারা পিস্তলটি তার অতিথিকক্ষে রেখেছে। এ ছাড়া পিস্তলটি কার দেখানোমতে জব্দ করা হয়েছে তা এজাহার ও জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি।

মাদক মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনেও একই ধরনের তথ্য (অস্ত্র মামলার প্রতিবেদনেরমতো) উপস্থাপন করা হয়। মামলাটির ঘটনাস্থল ইরফানের শয়নকক্ষ উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে মাদকদ্রব্যগুলো তার অতিথিকক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া বিদেশি মদ ও বিয়ার কার দেখানোমতে উদ্ধার করা হয়েছে, সে বিষয়টিও বাদী এজাহার ও জব্দ তালিকায় উল্লেখ করেননি।

উল্লেখ্য, ২৫ অক্টোবর রাতে ধানমণ্ডিতে হাজি মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করে। এ ঘটনায় পরদিন ইরফানসহ আরও চারজনকে আসামি করে ধানমণ্ডি থানায় মামলা করেন ওই কর্মকর্তা। ২৬ অক্টোবর পুরান ঢাকায় হাজি সেলিমের বাসায় দিনভর অভিযান চালায় র‌্যাব। ইরফানকে দেড় বছর ও তার দেহরক্ষীকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অস্ত্র ও মাদক মামলা

চার কারণে অব্যাহতি ইরফান সেলিমের

ক্যারিয়ার নষ্ট করতে বাসায় অস্ত্র ও মাদক রাখা হয় : তদন্ত কর্মকর্তা * সাক্ষ্য দিতে রাজি হননি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট * নৌ-কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় চার্জশিট শিগগিরই
 সিরাজুল ইসলাম 
০৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) করা অস্ত্র ও মাদক মামলা থেকে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ সেলিমের পুত্র ইরফান মোহাম্মদ সেলিম অব্যাহতি পেয়েছেন। চার কারণে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

কারণগুলো হলো : এজাহারে ত্রুটি, ঘটনাস্থল ঠিক না-হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণ না-থাকা এবং সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের বক্তব্য না-পাওয়া। দুটি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সোমবার আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দুটি দাখিল করা হয়েছে। প্রতিবেদন দুটির কপি যুগান্তরের হাতে এসেছে।

মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) থেকে জানা গেছে, কার দেখানোমতে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে তা মামলার এজাহারে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এজাহার অনুযায়ী, র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সাক্ষ্য দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তদন্তকালে অস্ত্র ও মাদকের সপক্ষে কোনো সাক্ষী পাওয়া যায়নি। তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার মডেল থানার পরিদর্শক মুহম্মদ দেলোয়ার হোসেন সোমবার আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনগুলো দাখিল করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারের উপকমিশনার ওয়ালিদ হোসেন যুগান্তরকে জানান, র‌্যাবের করা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ায় অনেকের মনে নানা প্রশ্ন উঠতে পারে। জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়াও হতে পারে। কিন্তু ডিএমপি মনে করে, এক্ষেত্রে কোনো প্রশ্ন ওঠা বা বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, মামলা হলো প্রাথমিক প্রতিবেদন। তদন্তকালে এর সত্যতা না পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

অতীতেও পুলিশ বাদী হয়ে অনেক মামলা করার পর তদন্তের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এর অসংখ্য প্রমাণ আছে। তিনি বলেন, ইরফান সেলিমকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও তার সহযোগী জাহিদুল মোল্লার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। কারণ, জাহিদুলের বিরুদ্ধে এজাহারে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

তার কাছে অস্ত্র ও মাদক পাওয়া গেছে। এক প্রশ্নের জবাবে উপকমিশনার ওয়ালিদ হোসেন জানান, নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধরের ঘটনায় ইরফানের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগির এ মামলায় চার্জশিট দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোমবার র‌্যাব লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিষয়ে আমরা এখনই কোনো মন্তব্য করব না। আগে প্রতিবেদনটি দেখি তারপর প্রতিক্রিয়া জানাব।

মামলার বিবরণে জানা যায়, র‌্যাবের ওয়ারেন্ট অফিসার কাইয়ুম ইসলাম বাদী হয়ে ২৮ অক্টোবর চকবাজার থানায় ইরফান ও তার সহযোগী জাহিদুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৬ অক্টোবর চকবাজারের দেবীদাস লেনের চাঁন সরদার ভবনে অভিযান চালানো হয়। সেখানে জাহিদুলের দেহ তল্লাশি করে একটি কালো রঙের পিস্তল, ৪০৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

এরপর ইরফান সেলিমের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি অবৈধ পিস্তল, ম্যাগাজিন ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়। পরে সেলিম ও জাহিদুলকে নিয়ে ভবনের পঞ্চম তলায় অভিযান চালিয়ে একটি এয়ারগান, দুটি কালো রঙের ছোরা, একটি চাইনিজ কুড়াল, বিদেশি মদ, ৩৮টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কালো রঙের ব্যাটারি ও চার্জারসহ ওয়াকিটকি সেট, হ্যান্ডকাফ এবং ক্যামেরাযুক্ত একটি ড্রোন উদ্ধার করা হয়। এ সময় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন। তার নির্দেশে এসব জব্দ করা হয়।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরফান সেলিম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর। এজাহার ও জব্দ তালিকায় ঘটনাস্থল ইরফানের শয়নকক্ষ উল্লেখ করা হলেও সেটি শয়নকক্ষ ছিল না। সেটি ছিল অতিথিকক্ষ। ইরফানের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট ও মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করাসহ হেয় প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে কে বা কারা পিস্তলটি তার অতিথিকক্ষে রেখেছে। এ ছাড়া পিস্তলটি কার দেখানোমতে জব্দ করা হয়েছে তা এজাহার ও জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি।

মাদক মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনেও একই ধরনের তথ্য (অস্ত্র মামলার প্রতিবেদনেরমতো) উপস্থাপন করা হয়। মামলাটির ঘটনাস্থল ইরফানের শয়নকক্ষ উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে মাদকদ্রব্যগুলো তার অতিথিকক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া বিদেশি মদ ও বিয়ার কার দেখানোমতে উদ্ধার করা হয়েছে, সে বিষয়টিও বাদী এজাহার ও জব্দ তালিকায় উল্লেখ করেননি।

উল্লেখ্য, ২৫ অক্টোবর রাতে ধানমণ্ডিতে হাজি মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করে। এ ঘটনায় পরদিন ইরফানসহ আরও চারজনকে আসামি করে ধানমণ্ডি থানায় মামলা করেন ওই কর্মকর্তা। ২৬ অক্টোবর পুরান ঢাকায় হাজি সেলিমের বাসায় দিনভর অভিযান চালায় র‌্যাব। ইরফানকে দেড় বছর ও তার দেহরক্ষীকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

ঘটনাপ্রবাহ : হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাণ্ড