তৃণমূলের সব অভিযোগ যাচাই করবে আ.লীগ
jugantor
চতুর্থ ধাপে পৌর নির্বাচনে ৫৬ প্রার্থী চূড়ান্ত 
তৃণমূলের সব অভিযোগ যাচাই করবে আ.লীগ

  হাসিবুল হাসান   

১৪ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সারা দেশের জেলা-উপজেলা ও ওয়ার্ড ইউনিয়ন পর্যায় থেকে কেন্দ্রে আসা সব অভিযোগ যাচাই-বাছাই করবে আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম। গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশনা দিয়েছেন।

বিভাগওয়ারি অভিযোগের ফাইল দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের কাছে দিয়ে তা যাচাই-বাছাই করা হবে। তারা এগুলো যাচাই-বাছাই করে আবার দলীয় সভাপতির কাছে প্রতিবেদন জমা দেবেন। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনে কাজ করারও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক সূত্র যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, বুধবার বিকাল ৪টায় শুরু হয়ে এই বৈঠক চলে রাত প্রায় সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। বৈঠকে প্রতিটি পৌর এলাকার প্রার্থীর আমলনামা বিশ্লেষণ করা হয়। এতে চতুর্থ ধাপের ৫৬ ধাপের পৌরসভার প্রার্থী চূড়ান্ত করে আওয়ামী লীগ। অধিকাংশ জায়গায় নতুন মুখ ও নারী প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি বিগত সময়ে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন এবারও তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব) মুহাম্মদ ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ও প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান বুধবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, আগে যারা বিদ্রোহী ছিলেন এবারও তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই, দলের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক এবং বিশেষ করে করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন নারীকে এবার প্রার্থী করা হয়েছে। অভিযোগের কারণে আগের বেশ কয়েকজন মেয়রকে এবার মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ২৫ জানুয়ারি করোনার ভ্যাকসিনের প্রথম চালান দেশে পৌঁছবে। ভ্যাকসিনেশনের এই কাজে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও বৈঠকে আলোচনা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে। সুখবর হচ্ছে আমরা ভ্যাকসিন পাচ্ছি। আমরা সরকারিভাবে ভ্যাকসিন নিয়ে আসব। সেগুলো মানুষের মাঝে বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

কখন, কীভাবে ও কারা প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম ধাপে এই টিকা পাবে সে তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও মানুষ যেন টিকা আনতে পারে সে ব্যবস্থা করেছি। মানুষের জীবন আগে। সবাই যেন টিকা নিতে পারে সে ব্যাপারটি অগ্রাধিকার দিচ্ছি।

সূত্র জানায় বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি দলীয় এমপি-মন্ত্রী ও নেতাদের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এখন পৌরসভা নির্বাচনে যারা আমার নৌকার প্রার্থীর বিরোধিতা করবে, তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকা পাওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। নৌকার বিরোধীদের নৌকা প্রতীক দেব না। নৌকার পক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দলের অনেক ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মী রয়েছেন। তাদের অনেকেই যোগ্য।

কিন্তু একজনকে বেছে নিতে হয়। প্রথমে কিছু মান-অভিমান থাকলেও কর্মীরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে। কিন্তু সমস্যা কিছু এমপি-মন্ত্রী ও নেতা। তারা দলের পছন্দের প্রার্থী ও নৌকা প্রতীকের বিরোধিতা করেন। আমার সাফ কথা, সবার আমলনামা আমার হাতে।

চতুর্থ ধাপে ৫৬ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত : বৈঠক শেষে দলের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত দলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মেয়র পদে দলের একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

৫৬ পৌরসভায় নৌকার মাঝি হলেন- ঠাকুরগাঁও জেলা সদরে আঞ্জুমান আরা বেগম, রানীশংকৈলে মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট সদর পৌরসভায় মোফাজ্জল হোসেন, পাটগ্রাম সদরে রাশেদুল ইসলাম সুইট, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুরে শহীদুল আলম চৌধুরী, কালাইয়ে মোছা. রাবেয়া সুলতানা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌরসভায় সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভায় হাফিজুর রহমান হাফিজ, গোদাগাড়ীতে আয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, তানোরে ইমরুল হক, বাগমারার তাহেরপুরে আবুল কালাম আজাদ, নাটোরের বড়াইগ্রামে মাজেদুল বারী নয়ন, নাটোর সদরে উমা চৌধুরী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

এছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর পৌরসভায় রফিকুল ইসলাম, আলমডাঙ্গায় হাসান কাদির গনু, যশোরের চৌগাছায় নূর উদ্দীন আল-মামুন, বাঘারপাড়ায় মো. কামরুজ্জামান, বাগেরহাট সদরে খান হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরায় শেখ নাসেরুল হক, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, বরিশালের মুলাদীতে মো. শফিকউজ্জামান, বানারীপাড়ায় সুভাসচন্দ্র শীল, ঢাকার গোপালপুরে রকিবুল হক ছানা, কালিহাতীতে মোহাম্মদ নুরুন্নবী, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে আনোয়ার হোসেন, হোসেনপুরে আবদুল কাইয়ুম খোকন, করিমগঞ্জে মুসলেহ উদ্দিন, মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে আবদুস ছালাম, নরসিংদীতে আশরাফ হোসেন সরকার, মাধবদীতে মোশাররফ হোসেন, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নজরুল ইসলাম, রাজবাড়ী সদরে মহম্মদ আলী চৌধুরী, ফরিদপুরের নগরকান্দায় নিমাই চন্দ্র সরকার, মাদারীপুরের কালকিনিতে এসএম হানিফ, শরীয়তপুরের ডামুড্যায় কামাল উদ্দিন আহমদ, জামালপুরের মেলান্দহে শফিক জাহেদী রবিন, শেরপুর সদরে গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া, শ্রীবরদীতে মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া, ময়মনসিংহের ফুলপুরে শশধর সেন, নেত্রকোনা সদরে নজরুল ইসলাম খান, সিলেটের কানাইঘাটে লুৎফুর রহমান, চুনারুঘাটে মোহাম্মদ সাইফুল আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়াতে তাকজিল খলিফা, কুমিল্লার হোমনাতে নজরুল ইসলাম, দাউদকান্দিতে নাইম ইউসুফ, চাঁদপুরের কচুয়ায় নাজমুল আলম, ফরিদগঞ্জে আবুল খায়ের পাটওয়ারী, ফেনীর পরশুরামে নিজাম উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, নোয়াখালীর চাটখিলে নিজাম উদ্দিন, সোনাইমুড়ীতে নুরুল হক চৌধুরী, লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে এম মেজবাহ উদ্দিন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মোহাম্মদ জোবায়ের, পটিয়ায় আইয়ুব বাবুল, চন্দনাইশে মু. মাহবুবুল আলম, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শামছুল হক, রাঙ্গামাটি সদরে আকবর হোসেন চৌধুরী এবং বান্দরবানে মোহাম্মদ ইসলাম বেবী মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

চতুর্থ ধাপে পৌর নির্বাচনে ৫৬ প্রার্থী চূড়ান্ত 

তৃণমূলের সব অভিযোগ যাচাই করবে আ.লীগ

 হাসিবুল হাসান  
১৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সারা দেশের জেলা-উপজেলা ও ওয়ার্ড ইউনিয়ন পর্যায় থেকে কেন্দ্রে আসা সব অভিযোগ যাচাই-বাছাই করবে আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম। গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশনা দিয়েছেন।

বিভাগওয়ারি অভিযোগের ফাইল দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের কাছে দিয়ে তা যাচাই-বাছাই করা হবে। তারা এগুলো যাচাই-বাছাই করে আবার দলীয় সভাপতির কাছে প্রতিবেদন জমা দেবেন। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনে কাজ করারও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক সূত্র যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, বুধবার বিকাল ৪টায় শুরু হয়ে এই বৈঠক চলে রাত প্রায় সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। বৈঠকে প্রতিটি পৌর এলাকার প্রার্থীর আমলনামা বিশ্লেষণ করা হয়। এতে চতুর্থ ধাপের ৫৬ ধাপের পৌরসভার প্রার্থী চূড়ান্ত করে আওয়ামী লীগ। অধিকাংশ জায়গায় নতুন মুখ ও নারী প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি বিগত সময়ে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন এবারও তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব) মুহাম্মদ ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ। 

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ও প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান বুধবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, আগে যারা বিদ্রোহী ছিলেন এবারও তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই, দলের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক এবং বিশেষ করে করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন নারীকে এবার প্রার্থী করা হয়েছে। অভিযোগের কারণে আগের বেশ কয়েকজন মেয়রকে এবার মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ২৫ জানুয়ারি করোনার ভ্যাকসিনের প্রথম চালান দেশে পৌঁছবে। ভ্যাকসিনেশনের এই কাজে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও বৈঠকে আলোচনা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে। সুখবর হচ্ছে আমরা ভ্যাকসিন পাচ্ছি। আমরা সরকারিভাবে ভ্যাকসিন নিয়ে আসব। সেগুলো মানুষের মাঝে বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

কখন, কীভাবে ও কারা প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম ধাপে এই টিকা পাবে সে তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও মানুষ যেন টিকা আনতে পারে সে ব্যবস্থা করেছি। মানুষের জীবন আগে। সবাই যেন টিকা নিতে পারে সে ব্যাপারটি অগ্রাধিকার দিচ্ছি। 

সূত্র জানায় বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি দলীয় এমপি-মন্ত্রী ও নেতাদের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এখন পৌরসভা নির্বাচনে যারা আমার নৌকার প্রার্থীর বিরোধিতা করবে, তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকা পাওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। নৌকার বিরোধীদের নৌকা প্রতীক দেব না। নৌকার পক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দলের অনেক ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মী রয়েছেন। তাদের অনেকেই যোগ্য।

কিন্তু একজনকে বেছে নিতে হয়। প্রথমে কিছু মান-অভিমান থাকলেও কর্মীরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে। কিন্তু সমস্যা কিছু এমপি-মন্ত্রী ও নেতা। তারা দলের পছন্দের প্রার্থী ও নৌকা প্রতীকের বিরোধিতা করেন। আমার সাফ কথা, সবার আমলনামা আমার হাতে।

চতুর্থ ধাপে ৫৬ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত : বৈঠক শেষে দলের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত দলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মেয়র পদে দলের একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

৫৬ পৌরসভায় নৌকার মাঝি হলেন- ঠাকুরগাঁও জেলা সদরে আঞ্জুমান আরা বেগম, রানীশংকৈলে মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট সদর পৌরসভায় মোফাজ্জল হোসেন, পাটগ্রাম সদরে রাশেদুল ইসলাম সুইট, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুরে শহীদুল আলম চৌধুরী, কালাইয়ে মোছা. রাবেয়া সুলতানা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌরসভায় সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভায় হাফিজুর রহমান হাফিজ, গোদাগাড়ীতে আয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, তানোরে ইমরুল হক, বাগমারার তাহেরপুরে আবুল কালাম আজাদ, নাটোরের বড়াইগ্রামে মাজেদুল বারী নয়ন, নাটোর সদরে উমা চৌধুরী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

এছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর পৌরসভায় রফিকুল ইসলাম, আলমডাঙ্গায় হাসান কাদির গনু, যশোরের চৌগাছায় নূর উদ্দীন আল-মামুন, বাঘারপাড়ায় মো. কামরুজ্জামান, বাগেরহাট সদরে খান হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরায় শেখ নাসেরুল হক, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, বরিশালের মুলাদীতে মো. শফিকউজ্জামান, বানারীপাড়ায় সুভাসচন্দ্র শীল, ঢাকার গোপালপুরে রকিবুল হক ছানা, কালিহাতীতে মোহাম্মদ নুরুন্নবী, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে আনোয়ার হোসেন, হোসেনপুরে আবদুল কাইয়ুম খোকন, করিমগঞ্জে মুসলেহ উদ্দিন, মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে আবদুস ছালাম, নরসিংদীতে আশরাফ হোসেন সরকার, মাধবদীতে মোশাররফ হোসেন, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নজরুল ইসলাম, রাজবাড়ী সদরে মহম্মদ আলী চৌধুরী, ফরিদপুরের নগরকান্দায় নিমাই চন্দ্র সরকার, মাদারীপুরের কালকিনিতে এসএম হানিফ, শরীয়তপুরের ডামুড্যায় কামাল উদ্দিন আহমদ, জামালপুরের মেলান্দহে শফিক জাহেদী রবিন, শেরপুর সদরে গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া, শ্রীবরদীতে মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া, ময়মনসিংহের ফুলপুরে শশধর সেন, নেত্রকোনা সদরে নজরুল ইসলাম খান, সিলেটের কানাইঘাটে লুৎফুর রহমান, চুনারুঘাটে মোহাম্মদ সাইফুল আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়াতে তাকজিল খলিফা, কুমিল্লার হোমনাতে নজরুল ইসলাম, দাউদকান্দিতে নাইম ইউসুফ, চাঁদপুরের কচুয়ায় নাজমুল আলম, ফরিদগঞ্জে আবুল খায়ের পাটওয়ারী, ফেনীর পরশুরামে নিজাম উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, নোয়াখালীর চাটখিলে নিজাম উদ্দিন, সোনাইমুড়ীতে নুরুল হক চৌধুরী, লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে এম মেজবাহ উদ্দিন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মোহাম্মদ জোবায়ের, পটিয়ায় আইয়ুব বাবুল, চন্দনাইশে মু. মাহবুবুল আলম, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শামছুল হক, রাঙ্গামাটি সদরে আকবর হোসেন চৌধুরী এবং বান্দরবানে মোহাম্মদ ইসলাম বেবী মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।