মেয়র প্রার্থীর হলফনামা

হাসান সরকারের চেয়ে ধনী জাহাঙ্গীর আলম

বার্ষিক আয় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ২ কোটি ১৬ লাখ ও বিএনপি প্রার্থীর ১১ লাখ টাকা * জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অতীতে মামলা থাকলেও বর্তমানে নেই, হাসানের বিরুদ্ধে দুটি মামলা চলমান * বৈধ ৯ মেয়র প্রার্থীর সবাই শিক্ষিত * বড় দুই দলসহ তিন প্রার্থী ব্যবসায়ী, বাকিদের মধ্যে দু’জন শিক্ষক ও দু’জন চাকরিজীবী

  কাজী জেবেল ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

হাসান আলী সরকার, জাহাঙ্গীর আলম

আসন্ন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বৈধ ৯ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত দুই প্রার্থীই বিত্তবান (ধনী)। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম অন্য প্রার্থীদের তুলনায় বেশি সম্পদশালী। এ সম্পদের বিবেচনায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন বিএনপি প্রার্থী মো. হাসান উদ্দিন সরকার (হাসান সরকার)। তবে দুটি বিষয়ে তাদের মধ্যে রয়েছে বেশ মিল। পেশায় তারা দু’জনই ব্যবসায়ী। আর দু’জনেরই রয়েছে দায়দেনা। তবে এ দুই প্রার্থী ব্যবসায়ী হলেও আয়ের ক্ষেত্রে রয়েছে বড় ব্যবধান। জাহাঙ্গীর আলমের বার্ষিক আয় ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং হাসান সরকারের বার্ষিক আয় প্রায় ১১ লাখ টাকা। এছাড়া আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর নামে অতীতে মামলা থাকলেও বর্তমানে নেই। অপরদিকে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা চলমান রয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে আরও দেখা গেছে, ৯ জন মেয়র প্রার্থীর সবাই শিক্ষিত। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এমএ (স্নাতকোত্তর) ও বিএনপি প্রার্থী বিএ (স্নাতক) পাস। এছাড়া বাকি প্রার্থীদের মধ্যে কেউ এইচএসসির নিচে নেই। পেশার দিক থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী ছাড়া অন্য সাত মেয়র প্রার্থীর মধ্যে দু’জন শিক্ষক, দু’জন চাকরিজীবী এবং একজন ব্যবসায়ী রয়েছেন। আর দু’জনের পেশার বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

হলফনামার বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল যুগান্তরকে বলেন, প্রার্থীদের হলফনামা প্রচার ও প্রকাশের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে সাধারণ ভোটাররা প্রার্থীদের তথ্য জেনে ভোট দিতে পারবেন। তিনি বলেন, কেউ হলফনামায় তথ্য গোপন করলে এবং তা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম : হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের বার্ষিক আয় ২ কোটি ১৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৮ কোটি ৮৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। এর বাইরে রয়েছে ১ হাজার ৫৩৬ শতাংশ কৃষি ও অকৃষি জমি। অপরদিকে দেনা রয়েছে ৮ কোটি টাকা। রয়েছে দুটি অস্ত্র, গাড়িসহ আসবাবপত্র। নির্বাচনী প্রচার ও অন্য কার্যক্রমে তিনি ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করবেন বলে ইসিকে জানিয়েছেন। এর মধ্যে কর্মীদের পেছনে ব্যয় করবেন ১০ লাখ টাকা। আইন অনুযায়ী, গাজীপুর সিটি নির্বাচনে সর্বোচ্চ ব্যয় ৩০ লাখ টাকা ও প্রার্থীর ব্যক্তিগত ব্যয় দেড় লাখ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তির আয় দেখানো হয়নি হলফনামায়।

আরও দেখা গেছে, জাহাঙ্গীর আলমের শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ পাস। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনবিদ্যায় এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। অতীতে দ্রুত বিচার আইনে দুটি মামলা দায়ের হয়েছিল তার বিরুদ্ধে; যার মধ্যে একটিতে খালাস ও অপরটি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। হলফনামায় জাহাঙ্গীর আলম বার্ষিক আয়ের মধ্যে মধ্যে ১ কোটি ১৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা আয়কর অধ্যাদেশের ১৯ই ধারায় অর্জিত দেখিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ ধারায় অপ্রদর্শিত টাকা সাদা করার বিধান রয়েছে। এছাড়া কৃষি খাত থেকে তার বার্ষিক আয় দেড় লাখ টাকা। বাড়ি ও দোকান ভাড়া পান ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে আয় ৯৪ লাখ ২০ হাজার টাকা।

হলফনামায় জাহাঙ্গীর আলম তার পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ব্যবসা। তিনি অনারেবল টেক্সটাইলস কম্পোজিট এবং জেড আলম অ্যাপারেলস লিমিটেড নামক দুটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। যদিও অনারেবল টেক্সটাইলস কম্পোজিটে তার শেয়ার রয়েছে ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও জেড আলম অ্যাপারেলসে শেয়ার মাত্র ২০ হাজার টাকা।

তার সম্পদের মধ্যে নগদ টাকার পরিমাণ ৭ কোটি ৪৮ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। ব্যাংকে তার জমা রয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৭১ টাকা এবং ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন ৭৫ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৭ টাকা। আর সঞ্চয়পত্র আছে ১০ লাখ টাকার। এছাড়া জাহাঙ্গীর আলমের দুটি গাড়ি, একটি বন্দুক ও একটি পিস্তল, ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং আসবাবপত্র রয়েছে।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৫৩৬ শতাংশ জমি। এর মধ্যে কৃষিজমি ১ হাজার ৪৯৫.১৫ শতাংশ, অকৃষি জমি ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং আবাসিক/বাণিজ্যিক জমি ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। জমি বিক্রয়ের জন্য বায়না বাবদ ৮ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে তার।

এছাড়া নির্বাচনী পরিকল্পনার বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন, নির্বাচনী প্রচারে ১ লাখ ১৪ হাজার পোস্টার ছাপাবেন। ১০টি নির্বাচনী ও একটি কেন্দ্রীয় ক্যাম্প স্থাপন, ১০ লাখ লিফলেট বিতরণ ও ৫৭টি পথসভা করবেন। এতে সর্বমোট ব্যয় হবে ৩০ লাখ টাকা।

হাসান উদ্দিন সরকার : বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মো. হাসান উদ্দিন সরকার ও তার স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া দু’জনই সম্পদশালী। তবে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চেয়ে বিএনপি প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ অনেক কম। হলফনামায় হাসান উদ্দিন সরকারের বার্ষিক আয় ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ও তার ওপর যারা নির্ভরশীল, তাদের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৯১ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। নিজের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬৪ লাখ টাকা ও স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ টাকা। এর বাইরে দু’জনের ৫৩ তোলা স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে। এছাড়া হাসান সরকার তার নিজের নামে একটি পিস্তল ও একটি শর্টগান এবং স্ত্রীর নামে একনলা বন্দুক রয়েছে বলে উল্লেখ করেন হলফনামায়। স্থাবর সম্পদের মধ্যে হাসান সরকারের নামে ৫৯৮ শতাংশ ও তার স্ত্রীর নামে ৩০৫ শতাংশ জমি রয়েছে। আর স্ত্রীর নামে রয়েছে একটি চারতলা বাড়ি। হাসান সরকারের ঋণ রয়েছে ২৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।

হলফনামায় আরও দেখা গেছে, হাসান উদ্দিন সরকার একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেছেন। তার বিরুদ্ধে ঢাকার তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি ও টঙ্গী থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা চলমান রয়েছে। দুটি মামলার একটি বিচারাধীন ও আরেকটি তদন্তাধীন রয়েছে। এ দুটি মামলা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৫ ও ২০১৮ সালে দায়ের করা হয়েছে। এর আগে ১৯৯৩ ও ১৯৯৯ সালে তার নামে তিনটি মামলা হয়েছিল। এর মধ্যে দুটিতে বেকসুর খালাস ও একটি খারিজ হয়েছে।

হাসান সরকারের বার্ষিক আয়ের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাতা পান ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া কৃষি খাত থেকে ৬৩ হাজার, বাড়ি/দোকান/অন্যান্য ভাড়া ৫ লাখ ২২ হাজার ৯০০ টাকা, ব্যবসা থেকে ৩ লাখ ৭৩ হাজার ও ব্যাংক সুদ বাবদ ১১ হাজার ৫২৬ টাকা আয় রয়েছে তার।

হাসান সরকারের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে প্রায় ৬৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে তার নগদ টাকা সাড়ে ৩ লাখ ও ব্যাংকে জমা ৬০ লাখ ৪৯ হাজার ৬০১ টাকা। রয়েছে ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাড়ি। এছাড়া তার ২১ তোলা স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- ৫০০ দশমিক ৫৩১ শতাংশ কৃষিজমি, যার দাম দেখিয়েছেন ৯৪ হাজার ৪৬৪ টাকা। এছাড়া রয়েছে ৭ দশমিক ৫ শতক জমিসহ ৫টি দোকান, ৯০ শতাংশ জমি ও স্থাপনা, টঙ্গীতে সেমিপাকা ৩২টি রুমের ঘর এবং একচালা টিনশেড। অপরদিকে হাসান উদ্দিন সরকারের স্ত্রীর সম্পদের মধ্যে নগদ ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ৫৮ হাজার ৫৪২ টাকা রয়েছে। এছাড়া তার (স্ত্রী) নামে ২৯০০ বর্গফুটের চারতলা বাড়ি রয়েছে; যার দাম ৭৭ লাখ ৮৪ হাজার ১৮৮ টাকা। এছাড়া ৩২ তোলা স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, আসবাবপত্র ও একনলা বন্দুক রয়েছে।

হাসান সরকার নির্বাচনে সম্ভাব্য ব্যয় ২০ লাখ টাকা করবেন বলে ইসিকে জানিয়েছেন। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা তার স্ত্রীর কাছ থেকে নেবেন। নির্বাচনী প্রচারে তার পরিকল্পনায় রয়েছে- ৩ লাখ পোস্টার ছাপানো, দুটি নির্বাচনী ক্যাম্প, একটি কেন্দ্রীয় ক্যাম্প, ৫ লাখ করে লিফলেট ও হ্যান্ডবিল বিতরণ, ঘরোয়া বৈঠক ও সভা, ৩৪২টি ডিজিটাল ব্যানার, ১৭১টি পথসভা এবং টেলিভিশন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারণা।

রাশেদুল হাসান রানা : জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) এই প্রার্থীর আয় ও সম্পদ দুটোই কম। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাস। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ টাকা। তবে তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে ৫ বিঘা জমি রয়েছে।

ফজলুর রহমান : ইসলামী ঐক্যজোটের এ প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা দাওরায়ে হাদিস। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা নেই এবং অতীতেও ছিল না। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। রয়েছে ট্রাভেল এজেন্সি। তার বার্ষিক আয় ৮ লাখ ৫ হাজার ৬০০ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে আড়াই লাখ টাকা, এজেন্সির পরিচালক হিসেবে সম্মানী ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ওয়াজ-মাহফিল থেকে সম্মানী ৭৫ হাজার ৬০০ টাকা। তার সম্পদের মধ্যে রয়েছে- নগদ দুই লাখ টাকা, ব্যাংকে জমা ৫ লাখ টাকা, একটি প্রাইভেট কার, আসবাবপত্র, ২৭ শতাংশ অকৃষি জমি ও নির্মাণাধীন বাড়ি।

মো. নাসির উদ্দিন : ইসলামী আন্দোলনের এই প্রার্থী তাকমিল পাস। পেশায় শিক্ষক। তার বার্ষিক আয় সাড়ে ৮ লাখ টাকা। তার সম্পদের মধ্যে রয়েছে- নগদ ৩৮ হাজার ২৮০ টাকা, ব্যাংকে জমা ৬ লাখ ২১ হাজার ৭২০ টাকা ও আসবাবপত্র। এছাড়া ১৬৫ শতাংশ অকৃষি জমি রয়েছে।

মো. সানাউল্লাহ : স্বতন্ত্র এই প্রার্থী কামিল পাস। পেশায় শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা দুটি মামলা বিচারাধীন। অতীতে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। ওই মামলায় খালাস পেয়েছেন তিনি। তার বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯ লাখ টাকা। এছাড়া রয়েছে মোটরসাইকেল, স্বর্ণ ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে কৃষিজমি ১ বিঘা, অকৃষি জমি ৪ বিঘা ও একটি বাড়ি।

কাজী মো. রুহুল আমিন : বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির এই প্রার্থী স্নাতক পাস। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা চলমান রয়েছে। আগে তিনটি মামলায় আসামি থাকলেও তা থেকে খালাস পেয়েছেন। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। বার্ষিক আয় ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ সাড়ে ৪ লাখ টাকা।

ফরিদ আহমদ : স্বতন্ত্র এই প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ পাস। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই, অতীতেও ছিল না। পেশায় চাকরিজীবী। বার্ষিক আয় ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, সোয়া ২ কাঠা কৃষিজমি ও একটি বাড়ি। তার কোনো দায়দেনা নেই।

এছাড়া বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মেয়র প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিনের হলফনামার ফটোকপি অস্পস্ট থাকায় তার দেয়া তথ্য প্রকাশ করা হল না।

ঘটনাপ্রবাহ : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৮

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter