টিকাদানের প্রস্তুতি শেষ হয়নি
jugantor
টিকাদানের প্রস্তুতি শেষ হয়নি

  রাশেদ রাব্বি  

২৩ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা টিকা

করোনা রোধে ২০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু টিকাদান সম্পর্কিত সব প্রস্তুতি এখনো সম্পন্ন হয়নি। এখনো চূড়ান্ত হয়নি টিকা গ্রহীতাদের তালিকা। যেসব হাসপাতালে টিকা কর্মসূচি পরিচালিত হবে সম্পন্ন হয়নি সেগুলোর প্রস্তুতি। এমনকি টিকাদান কর্মসূচি কবে শুরু হবে সেটি এখনো নিশ্চিত হয়নি। অনেকেই টিকা নিতে চাচ্ছেন না। এর সুফল সম্পর্কে খুব বেশি প্রচারও হয়নি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচারণা, অ্যাপসনির্ভর নিবন্ধনসহ বেশকিছু চ্যালেঞ্জ আছে সামনে। প্রসঙ্গত ভারত সরকারের সহায়তার নিদর্শন হিসেবে ২০ লাখ ডোজ টিকা বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছেছে। এগুলো রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ইপিআই স্টোরে রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, টিকাদান কর্মসূচি কবে শুরু করা হবে সেই দিনক্ষণও এখন ঠিক হয়নি। তারিখের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। তিনি বলেন, আগামী ছয়-সাত দিনের মধ্যে টিকার একটি ট্রায়াল রান করার চিন্তাভাবনা আছে। সেই তারিখটি আপনাদের পরে জানানো হবে। মন্ত্রী বলেন, আমরা টিকা গ্রহণ করেছি, এখন পরিকল্পনা করছি। পরিকল্পনা শতভাগ তৈরি হয়ে গেছে তা কিন্তু নয়।
টিকা পাওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে অনেকেই। তারা মনে করেন যেহেতু টিকা আবিষ্কার হয়েছে, টেস্ট, ট্রায়াল পিরিয়ড পেরিয়ে এখন প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেহেতু এটা ভালোই হবে হয়তো। কিন্তু তারা কবে পাবেন, আদৌ
পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, এখন আর করোনা টিকার দরকার নেই। করোনা পরিস্থিতি এমনিতেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। তাছাড়া টিকা নিলে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়েও অনেকেই টিকা নিতে আগ্রহী নন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা প্রয়োগের আগে তালিকার বিবরণ এবং সচেতনতা কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করতে হবে আগে। টিকা কর্মসূচি ডিসি, ইউএনও’র মাধ্যমে বাস্তবায়ন না করে সরাসরি চিকিৎসকদের সম্পৃক্ত করা জরুরি।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, শুধু টিকা থাকলেই হবে না। মানুষ টিকা গ্রহণে যেন আগ্রহী হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ টিকা নিয়ে তাদের মনে নানা ধরনের প্রশ্ন থাকবে, সংশয় থাকবে। সেগুলো দূর করতে আমাদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। এই কার্যক্রমে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারীসহ অনেক এনজিও আছে, তাদের প্রত্যেককে সংযুক্ত করতে হবে।
গত ১৭ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং তথ্য ও প্রযুক্তি অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বলা হয়, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাপ্রাপ্তদের তালিকা ২১ জানুয়ারির মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক এমআইএস সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সংগ্রহ করবেন। এছাড়া আইবাস প্লাস প্লাস সরকারি কর্মচারীদের তথ্য সংগ্রহে সহযোগিতা করবে। পরিচয়ডটকম এবং আইডিয়া প্রকল্প বিনা মূল্যে এনআইডি ভেরিফিকেশন কার্যক্রম সম্পাদন করবে। টেলিটকসহ অন্যান্য মোবাইল অপারেটর সিএসআরএ’র আওতায় বিনা মূল্যে এসএমএস প্রদান কার্যক্রম সম্পাদন করবে। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল প্ল্নাটফরম তৈরি এবং ডোমেনই ও হোস্টিং সার্ভিস পরিচালনা করবে। এ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয়ভার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বহন করবে। বিসিসি বাজেট চাহিদা দ্রুত স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগে পঠাবে। এছাড়া পরিচয়, এপিআই, এসএমএস সার্ভিস, ওয়েব পোর্টালে কন্টেন্ট অনুমোদন কার্যক্রম বিসিসি সমন্বয় করবে। এসএমএস প্রদান কার্যক্রমে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক এবং টেলিটককে সম্পৃক্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, এসব প্রস্তুতির এখনো কিছুটা বাকি রয়েছে। তবে সম্পৃক্ত দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলো নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, প্রস্তুতির কাজ শেষের দিকে। এর বেশি তিনি বলতে পারবেন না। এদিকে টিকাদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য কর্মীরা। সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদের তথ্য আইবাস প্লাস প্লাস থেকে নেওয়া হবে। তবে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি পর্যায়ে যারা স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকেন তাদের তালিকা এখন চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা যুগান্তরকে বলেন, কাজ চলমান রয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।
এ মাসেই ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৩ কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিনের ৫০ লাখ ডোজ এসে পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক চুক্তি অনুযায়ী এ মাসের শেষে ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসার কথা। ফ্লাইট শিডিউল হাতে পেলে জানিয়ে দেওয়া হবে কবে টিকা পাচ্ছি। এখনো ফ্লাইট শিডিউল পাইনি। এরপর প্রতিমাসে ৫০ লাখ করে টিকা আসার কথা রয়েছে। টিকা আসার একটি শিডিউল আছে। যদি এদিক-সেদিক হয় তবে যখন আমরা জানব তখন জানানো হবে। স^াস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, দেশের মোট ৩৭ ভাগ শিশু। যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। তারা কেউ টিকা পাবেন না। যাদের ক্যান্সার আছে বা যারা ক্যান্সারের ওষুধ খেয়ে থাকেন, অথবা যারা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ নিয়ে থাকেন তারা ভ্যাকসিন নিতে পারবেন না। এছাড়া যারা বর্তমানে কোভিডে আক্রান্ত তারাও টিকা গ্রহণ করতে পারবেন না। তবে টিকাদান সংক্রান্ত সব কাজ দ্রুততার সঙ্গে চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে যারা টিকা দেবেন তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি সব কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে।

টিকাদানের প্রস্তুতি শেষ হয়নি

 রাশেদ রাব্বি 
২৩ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
করোনা টিকা
ফাইল ছবি

করোনা রোধে ২০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু টিকাদান সম্পর্কিত সব প্রস্তুতি এখনো সম্পন্ন হয়নি। এখনো চূড়ান্ত হয়নি টিকা গ্রহীতাদের তালিকা। যেসব হাসপাতালে টিকা কর্মসূচি পরিচালিত হবে সম্পন্ন হয়নি সেগুলোর প্রস্তুতি। এমনকি টিকাদান কর্মসূচি কবে শুরু হবে সেটি এখনো নিশ্চিত হয়নি। অনেকেই টিকা নিতে চাচ্ছেন না। এর সুফল সম্পর্কে খুব বেশি প্রচারও হয়নি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচারণা, অ্যাপসনির্ভর নিবন্ধনসহ বেশকিছু চ্যালেঞ্জ আছে সামনে। প্রসঙ্গত ভারত সরকারের সহায়তার নিদর্শন হিসেবে ২০ লাখ ডোজ টিকা বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছেছে। এগুলো রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ইপিআই স্টোরে রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, টিকাদান কর্মসূচি কবে শুরু করা হবে সেই দিনক্ষণও এখন ঠিক হয়নি। তারিখের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। তিনি বলেন, আগামী ছয়-সাত দিনের মধ্যে টিকার একটি ট্রায়াল রান করার চিন্তাভাবনা আছে। সেই তারিখটি আপনাদের পরে জানানো হবে। মন্ত্রী বলেন, আমরা টিকা গ্রহণ করেছি, এখন পরিকল্পনা করছি। পরিকল্পনা শতভাগ তৈরি হয়ে গেছে তা কিন্তু নয়।
টিকা পাওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে অনেকেই। তারা মনে করেন যেহেতু টিকা আবিষ্কার হয়েছে, টেস্ট, ট্রায়াল পিরিয়ড পেরিয়ে এখন প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেহেতু এটা ভালোই হবে হয়তো। কিন্তু তারা কবে পাবেন, আদৌ
পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, এখন আর করোনা টিকার দরকার নেই। করোনা পরিস্থিতি এমনিতেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। তাছাড়া টিকা নিলে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়েও অনেকেই টিকা নিতে আগ্রহী নন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা প্রয়োগের আগে তালিকার বিবরণ এবং সচেতনতা কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করতে হবে আগে। টিকা কর্মসূচি ডিসি, ইউএনও’র মাধ্যমে বাস্তবায়ন না করে সরাসরি চিকিৎসকদের সম্পৃক্ত করা জরুরি।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, শুধু টিকা থাকলেই হবে না। মানুষ টিকা গ্রহণে যেন আগ্রহী হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ টিকা নিয়ে তাদের মনে নানা ধরনের প্রশ্ন থাকবে, সংশয় থাকবে। সেগুলো দূর করতে আমাদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। এই কার্যক্রমে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারীসহ অনেক এনজিও আছে, তাদের প্রত্যেককে সংযুক্ত করতে হবে।
গত ১৭ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং তথ্য ও প্রযুক্তি অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বলা হয়, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাপ্রাপ্তদের তালিকা ২১ জানুয়ারির মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক এমআইএস সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সংগ্রহ করবেন। এছাড়া আইবাস প্লাস প্লাস সরকারি কর্মচারীদের তথ্য সংগ্রহে সহযোগিতা করবে। পরিচয়ডটকম এবং আইডিয়া প্রকল্প বিনা মূল্যে এনআইডি ভেরিফিকেশন কার্যক্রম সম্পাদন করবে। টেলিটকসহ অন্যান্য মোবাইল অপারেটর সিএসআরএ’র আওতায় বিনা মূল্যে এসএমএস প্রদান কার্যক্রম সম্পাদন করবে। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল প্ল্নাটফরম তৈরি এবং ডোমেনই ও হোস্টিং সার্ভিস পরিচালনা করবে। এ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয়ভার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বহন করবে। বিসিসি বাজেট চাহিদা দ্রুত স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগে পঠাবে। এছাড়া পরিচয়, এপিআই, এসএমএস সার্ভিস, ওয়েব পোর্টালে কন্টেন্ট অনুমোদন কার্যক্রম বিসিসি সমন্বয় করবে। এসএমএস প্রদান কার্যক্রমে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক এবং টেলিটককে সম্পৃক্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, এসব প্রস্তুতির এখনো কিছুটা বাকি রয়েছে। তবে সম্পৃক্ত দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলো নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, প্রস্তুতির কাজ শেষের দিকে। এর বেশি তিনি বলতে পারবেন না। এদিকে টিকাদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য কর্মীরা। সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদের তথ্য আইবাস প্লাস প্লাস থেকে নেওয়া হবে। তবে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি পর্যায়ে যারা স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকেন তাদের তালিকা এখন চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা যুগান্তরকে বলেন, কাজ চলমান রয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।
এ মাসেই ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৩ কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিনের ৫০ লাখ ডোজ এসে পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক চুক্তি অনুযায়ী এ মাসের শেষে ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসার কথা। ফ্লাইট শিডিউল হাতে পেলে জানিয়ে দেওয়া হবে কবে টিকা পাচ্ছি। এখনো ফ্লাইট শিডিউল পাইনি। এরপর প্রতিমাসে ৫০ লাখ করে টিকা আসার কথা রয়েছে। টিকা আসার একটি শিডিউল আছে। যদি এদিক-সেদিক হয় তবে যখন আমরা জানব তখন জানানো হবে। স^াস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, দেশের মোট ৩৭ ভাগ শিশু। যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। তারা কেউ টিকা পাবেন না। যাদের ক্যান্সার আছে বা যারা ক্যান্সারের ওষুধ খেয়ে থাকেন, অথবা যারা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ নিয়ে থাকেন তারা ভ্যাকসিন নিতে পারবেন না। এছাড়া যারা বর্তমানে কোভিডে আক্রান্ত তারাও টিকা গ্রহণ করতে পারবেন না। তবে টিকাদান সংক্রান্ত সব কাজ দ্রুততার সঙ্গে চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে যারা টিকা দেবেন তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি সব কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১