জলাবদ্ধতা নিরসনসহ রেজাউলের ৩৭ প্রতিশ্রুতি
jugantor
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন
জলাবদ্ধতা নিরসনসহ রেজাউলের ৩৭ প্রতিশ্রুতি

  আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম  

২৪ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী জলাবদ্ধতা নিরসন, নাগরিকবান্ধব নগরী গড়াসহ ৩৭টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। নির্বাচিত হলে প্রথম একশ’ দিনে তিনি জনগুরুত্বপূর্ণ কাজ করার পাশাপাশি নগর উন্নয়নে ত্রুটি, প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে আইনের কঠোর প্রয়োগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করবেন বলে জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে শনিবার সকালে ইশতেহার ঘোষণা করেন রেজাউল করিম চৌধুরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য প্রমুখ।

ইশতেহারের মূল স্লোগান হলো- ‘রূপসী চট্টগ্রাম আমার-আপনার অহংকার। অঙ্গীকার-সবার যোগে সাজবে নগর।’

ইশতেহারে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্পর্কে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নগরীর সবচেয়ে পুরনো ও বড় সংকট জলাবদ্ধতা তথা জলজট। এটি রোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দশ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দিয়েছেন। সিডিএ, ওয়াসা, সিটি করপোরেশনসহ কিছু সেবা সংস্থা এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। ওয়াসায় যুক্ত হয়েছে পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্প। এসব মহাপ্রকল্প ঠিকভাবে বাস্তবায়নে অবশ্যই সর্বোচ্চ মনোযোগ থাকবে।

নির্বাচনে জয়ী হলে প্রথম ১০০ দিনে কোন কাজটা করবেন তা তুলে ধরে ইশতেহারে তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নির্মূল মহাপরিকল্পনা ও নগর উন্নয়নে ডেল্টা প্ল্যান সঠিকভাবে বাস্তবায়ন যাতে ন্যূনতম বাধা না থাকে ও দীর্ঘসূত্রতা না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থা ও সেনাবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সঙ্গে বসে তা তদারকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। নগরীর উন্নয়ন, দখলকৃত খাল, নালা, নদী পুনরুদ্ধার ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোথায় ত্রুটি ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা চিহ্নিত করা হবে। এসব ত্রুটি ও প্রতিবন্ধকতা দূর বা নির্মূলে সমন্বয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ইশতেহারে তিনি বলেন, নগরীর আরেকটি বড় সমস্যা যানজট তথা ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে বসে যত দ্রুত সম্ভব এ জটিল সমস্যা দূরীকরণে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়া হবে।

রেজাউল করিম বলেন, নালা-নর্দমা, খাল-নদী দখল উচ্ছেদ করা হবে। সমন্বিত উদ্যোগে নাগরিকবান্ধব নগর গড়তে দ্রুত খাল, নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনা হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রায় ৭০ লাখ নাগরিকের মহানগরে প্রতিদিন হাজার হাজার টন বর্জ্য জমছে। ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহ কর্মসূচি আরও জোরদার ও নজরদারি বাড়ানো হবে।

ইশতেহারে নগরীর পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতা, সড়ক বাতিসহ, সব ধরনের নাগরিক সুবিধা দেয়া বলে তিনি জানান। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নগরীর মানবতাবাদী ধনাঢ্য ব্যক্তি ও করপোরেট গ্রুপকে এ খাতে যুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। স্বাস্থ্যসেবাকে ডিজিটাল নেটওয়ার্কের আওতায় আনব। নিরাপদ খাদ্য, পানীয়জল ও পুষ্টির ওপর সর্বোচ্চ নজরদারি থাকবে। শিশু অপুষ্টি নির্মূলে স্কুল ফিডিং ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এলাকায় মুখরোচক দূষিত ও ভেজাল খাদ্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হবে। খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এছাড়া মশকমুক্ত নগর গড়তে কার্যকর ও পরিবেশ উপযোগী কীটনাশক প্রয়োগ ও বদ্ধ ডোবা, জলাশয় নিয়মিত পরিষ্কার রাখা হবে। নগরীর ব্যস্ততম সব কেন্দ্রে আধুনিক পাবলিক টয়লেট ও মহিলাদের জন্য নিরাপদ টয়লেট তৈরি করা হবে। সব সড়ক ও গলি-উপগলিতে পর্যাপ্ত এলইডি সড়ক বাতি ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। কিশোর অপরাধের কারণ ও কিশোর অপরাধী গ্যাং, মাদক ও অপরাধের আখড়া গুঁড়িয়ে দিয়ে নাগরিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হবে। নাগরিক তথ্যসেবাসহ সব সেবা কেন্দ্রীয় সার্ভার নেটওয়ার্কের আওতায় থাকবে।

রেজাউল করিম চৌধুরী ইশতেহার ঘোষণা শেষে বলেন, অঙ্গীকারের স্বপ্নের কাচ্চি বিরিয়ানি নয়, নগরীর বিপুল জনগোষ্ঠীকে ন্যূনতম সেবা দিতে পারাটাই আসল যোগ্যতা। সবার সহযোগিতা পেলে যোগ্যতার পরীক্ষায় জিতব বলে আন্তরিকভাবে বিশ্বাসী। আমার কিছুই পাওয়ার নেই, পারিবারিকভাবে সব পার্থিব অর্জন আমার আছে। সুযোগ পেলে নিজের মেধা-মনন, কর্ম সবকিছু নগরবাসীর জন্য উৎসর্গ করাই আমার আসল অঙ্গীকার।

প্রচারণায় আজ নামছেন তারকারা : রেজাউল করিম চৌধুরীর সমর্থনে দেশের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র তারকা শিল্পীরা আজ থেকে প্রচারণা চালাবেন। দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে এই কার্যক্রম শুরু করবেন তারা। এতে চলচ্চিত্র তারকা রিয়াজ, ফেরদৌস, রোকেয়া প্রাচী, দিলারা হানিফ পূর্ণিমা, শমী কায়সার, অরুণা বিশ্বাস, তারিন আহমেদ, তানভীর সুইটি, অপু বিশ্বাস, মীর সাব্বির, আজমেরী হক বাঁধন, বিজরী বরকতউল্লাহ, সায়মন সিকদার, মাহিয়া মাহি, ইমরান অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। তারকারা দুপুর একটায় নিউমার্কেট মোড়, কাজীর দেউরী হয়ে বেলা ৩টায় ইস্পাহানি-জিইসি মোড়-২নং রেলগেট, অক্সিজেন মোড়, মুরাদপুর-বহদ্দার হাট হয়ে কর্ণফুলী নতুন ব্রিজ মোড়ে গিয়ে প্রথম দিনের প্রচারণা কার্যক্রম শেষ করবেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন

জলাবদ্ধতা নিরসনসহ রেজাউলের ৩৭ প্রতিশ্রুতি

 আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম 
২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী জলাবদ্ধতা নিরসন, নাগরিকবান্ধব নগরী গড়াসহ ৩৭টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। নির্বাচিত হলে প্রথম একশ’ দিনে তিনি জনগুরুত্বপূর্ণ কাজ করার পাশাপাশি নগর উন্নয়নে ত্রুটি, প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে আইনের কঠোর প্রয়োগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করবেন বলে জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে শনিবার সকালে ইশতেহার ঘোষণা করেন রেজাউল করিম চৌধুরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য প্রমুখ।

ইশতেহারের মূল স্লোগান হলো- ‘রূপসী চট্টগ্রাম আমার-আপনার অহংকার। অঙ্গীকার-সবার যোগে সাজবে নগর।’

ইশতেহারে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্পর্কে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নগরীর সবচেয়ে পুরনো ও বড় সংকট জলাবদ্ধতা তথা জলজট। এটি রোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দশ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দিয়েছেন। সিডিএ, ওয়াসা, সিটি করপোরেশনসহ কিছু সেবা সংস্থা এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। ওয়াসায় যুক্ত হয়েছে পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্প। এসব মহাপ্রকল্প ঠিকভাবে বাস্তবায়নে অবশ্যই সর্বোচ্চ মনোযোগ থাকবে।

নির্বাচনে জয়ী হলে প্রথম ১০০ দিনে কোন কাজটা করবেন তা তুলে ধরে ইশতেহারে তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নির্মূল মহাপরিকল্পনা ও নগর উন্নয়নে ডেল্টা প্ল্যান সঠিকভাবে বাস্তবায়ন যাতে ন্যূনতম বাধা না থাকে ও দীর্ঘসূত্রতা না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থা ও সেনাবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সঙ্গে বসে তা তদারকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। নগরীর উন্নয়ন, দখলকৃত খাল, নালা, নদী পুনরুদ্ধার ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোথায় ত্রুটি ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা চিহ্নিত করা হবে। এসব ত্রুটি ও প্রতিবন্ধকতা দূর বা নির্মূলে সমন্বয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ইশতেহারে তিনি বলেন, নগরীর আরেকটি বড় সমস্যা যানজট তথা ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে বসে যত দ্রুত সম্ভব এ জটিল সমস্যা দূরীকরণে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়া হবে।

রেজাউল করিম বলেন, নালা-নর্দমা, খাল-নদী দখল উচ্ছেদ করা হবে। সমন্বিত উদ্যোগে নাগরিকবান্ধব নগর গড়তে দ্রুত খাল, নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনা হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রায় ৭০ লাখ নাগরিকের মহানগরে প্রতিদিন হাজার হাজার টন বর্জ্য জমছে। ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহ কর্মসূচি আরও জোরদার ও নজরদারি বাড়ানো হবে।

ইশতেহারে নগরীর পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতা, সড়ক বাতিসহ, সব ধরনের নাগরিক সুবিধা দেয়া বলে তিনি জানান। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নগরীর মানবতাবাদী ধনাঢ্য ব্যক্তি ও করপোরেট গ্রুপকে এ খাতে যুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। স্বাস্থ্যসেবাকে ডিজিটাল নেটওয়ার্কের আওতায় আনব। নিরাপদ খাদ্য, পানীয়জল ও পুষ্টির ওপর সর্বোচ্চ নজরদারি থাকবে। শিশু অপুষ্টি নির্মূলে স্কুল ফিডিং ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এলাকায় মুখরোচক দূষিত ও ভেজাল খাদ্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হবে। খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এছাড়া মশকমুক্ত নগর গড়তে কার্যকর ও পরিবেশ উপযোগী কীটনাশক প্রয়োগ ও বদ্ধ ডোবা, জলাশয় নিয়মিত পরিষ্কার রাখা হবে। নগরীর ব্যস্ততম সব কেন্দ্রে আধুনিক পাবলিক টয়লেট ও মহিলাদের জন্য নিরাপদ টয়লেট তৈরি করা হবে। সব সড়ক ও গলি-উপগলিতে পর্যাপ্ত এলইডি সড়ক বাতি ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। কিশোর অপরাধের কারণ ও কিশোর অপরাধী গ্যাং, মাদক ও অপরাধের আখড়া গুঁড়িয়ে দিয়ে নাগরিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হবে। নাগরিক তথ্যসেবাসহ সব সেবা কেন্দ্রীয় সার্ভার নেটওয়ার্কের আওতায় থাকবে।

রেজাউল করিম চৌধুরী ইশতেহার ঘোষণা শেষে বলেন, অঙ্গীকারের স্বপ্নের কাচ্চি বিরিয়ানি নয়, নগরীর বিপুল জনগোষ্ঠীকে ন্যূনতম সেবা দিতে পারাটাই আসল যোগ্যতা। সবার সহযোগিতা পেলে যোগ্যতার পরীক্ষায় জিতব বলে আন্তরিকভাবে বিশ্বাসী। আমার কিছুই পাওয়ার নেই, পারিবারিকভাবে সব পার্থিব অর্জন আমার আছে। সুযোগ পেলে নিজের মেধা-মনন, কর্ম সবকিছু নগরবাসীর জন্য উৎসর্গ করাই আমার আসল অঙ্গীকার।

প্রচারণায় আজ নামছেন তারকারা : রেজাউল করিম চৌধুরীর সমর্থনে দেশের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র তারকা শিল্পীরা আজ থেকে প্রচারণা চালাবেন। দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে এই কার্যক্রম শুরু করবেন তারা। এতে চলচ্চিত্র তারকা রিয়াজ, ফেরদৌস, রোকেয়া প্রাচী, দিলারা হানিফ পূর্ণিমা, শমী কায়সার, অরুণা বিশ্বাস, তারিন আহমেদ, তানভীর সুইটি, অপু বিশ্বাস, মীর সাব্বির, আজমেরী হক বাঁধন, বিজরী বরকতউল্লাহ, সায়মন সিকদার, মাহিয়া মাহি, ইমরান অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। তারকারা দুপুর একটায় নিউমার্কেট মোড়, কাজীর দেউরী হয়ে বেলা ৩টায় ইস্পাহানি-জিইসি মোড়-২নং রেলগেট, অক্সিজেন মোড়, মুরাদপুর-বহদ্দার হাট হয়ে কর্ণফুলী নতুন ব্রিজ মোড়ে গিয়ে প্রথম দিনের প্রচারণা কার্যক্রম শেষ করবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন