ডা. শাহাদাতের ইশতেহারে ৯ প্রতিশ্রুতি
jugantor
ডা. শাহাদাতের ইশতেহারে ৯ প্রতিশ্রুতি

  মজুমদার নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম  

২৪ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর, শিক্ষাবান্ধব ও নান্দনিক পর্যটন নগরী গড়াসহ ৯টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

নগরীর জামালখান এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে শনিবার এই ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান প্রমুখ।

তার অন্য প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে- গৃহকর সহনীয় পর্যায়ে রাখা ও আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা, পরিচ্ছন্ন নগরী, নিরাপদ চট্টগ্রাম, সাম্য-সম্প্রীতির নগরী এবং তথ্যপ্রযুক্তিসমৃদ্ধ চট্টগ্রাম গড়া। ৯টি মূল প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে আরও অনেক গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। কিভাবে এগুলো বাস্তবায়ন করা হবে ইশতেহারে তার দিকনির্দেশনাও রয়েছে। ইশতেহারের মূল স্লোগান হলো- ‘চলো সবাই বাঁধো জোট, এবার দেবো আমার ভোট’ এবং ‘নগর পিতা নয়, নগর সেবক হতে চাই।’

ইশতেহারে ডা. শাহাদাত নিজেকে বিএনপি মনোনীত এবং ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং চট্টগ্রাম নাগরিক ঐক্য পরিষদ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী বলে দাবি করেন।

নির্বাচিত হলে তিনি অতীতে দায়িত্বপালনকারী সব মেয়র এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে নগরীর সমস্যাগুলোর সমাধান করবেন বলে জানান। চ্যালেঞ্জ উত্তরণে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও জানিয়েছেন।

অবাস্তব প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি না দিয়ে বাস্তবতার নিরিখে ইশতেহার দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। যা কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর বিষয় নয়। প্রয়োজন আর সময়ের পরিক্রমায় জীবনমান উন্নত হতে উন্নততর পর্যায়ে উত্তীর্ণ হয়। যার জন্য প্রয়োজন সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ ও সফল বাস্তবায়ন। তাই অবাস্তব প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নয়, প্রয়োজন ত্রুটিহীন পরিকল্পনা, বাস্তবায়নে অভিজ্ঞতা, অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর যৌক্তিক আকাঙ্ক্ষা এবং সততা ও দুর্নীতিমুক্ত মানসিকতা।

১৯৯১-৯৬ সালের মধ্যে বিএনপি সরকারের সময় চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে যে মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছিল তা বাস্তবায়ন করা হবে জানিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর একটি পাহাড়, সাগর ও নদী পরিবেষ্টিত শহর। পাহাড় হতে বৃষ্টির পানি বিভিন্ন খাল হয়ে শহরের মধ্য দিয়ে কর্ণফুলীতে পতিত হয়। অবৈধভাবে পাহাড় কাটার কারণে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি মাটি পড়ে খাল ও নালা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এছাড়াও বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে তা খালে গিয়ে পড়ে। যা নিরসনে বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করব।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা মুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে শহরের মধ্যে প্রবাহিত খাল উদ্ধার করে পানি চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে এবং খালের উভয় পাশ রক্ষায় বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রতি বছর বর্ষার আগে শহরের সব খাল, নালা-নর্দমা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কারসহ পানি চলাচলের উপযুক্ত করে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন করব। কর্ণফুলীর নাব্য রক্ষায় আধুনিক ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ নেয়া হবে।

ডা. শাহাদাত জানান, নগরবাসীর দোরগোড়ায় উন্নয়ন সুবিধা পৌঁছে দিতে সরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা হবে। সাম্য ও সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের হাজার বছরের ঐতিহ্যের আলোকে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতির মেলবন্ধনে আবদ্ধ করার প্রয়াস থাকবে।

নান্দনিক পর্যটন নগর গড়তে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করে পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের জন্য দেশি-বিদেশি সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ, বিনোদনকেন্দ্র ইত্যাদি নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, নাগরিকদের যাতায়াত সুবিধার জন্য পরিকল্পিত স্মার্ট নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা করে আয়বর্ধক প্রকল্প বৃদ্ধিসহ বাসস্টপ নির্মাণ করা হবে। বন্ধ প্রতিষ্ঠান চালু ও লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বায়ুদূষণ রোধে ইলেকট্রিক বাস সার্ভিস চালু করা হবে। নগরীর দীঘি ও লেকগুলোকে পর্যটন স্পটে পরিণত করা হবে। এছাড়া নগরবাসীর জন্য নানা সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বাস্তবভিত্তিক দৃষ্টিনন্দন উন্মুক্ত পার্ক নির্মাণ করা হবে।

স্বাস্থ্যকর চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, বন্দরনগরীর স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে অন্তত আরও ২ হাজার শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। এছাড়া শিশু হাসপাতাল, মাতৃসদন ও সেন্টারসহ বিশেষায়িত ক্যানসার ও করোনা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে।

শিক্ষাবান্ধব চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি অটোমেশনের আওতায় এনে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার মানোন্নয়ন, স্কুলে প্রবেশ, প্রস্থান, ক্লাস কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও পরীক্ষার ফলাফল সবকিছু যাতে অভিভাবকরা ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে মনিটরিং করতে পারেন, তার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গৃহকর সহনীয় পর্যায়ে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, নিু আয়ের নগরবাসী, মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের আবাসন গৃহ করমুক্ত করা হবে। হিজড়া, ভবঘুরে ও ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করা হবে। শ্রমজীবীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে আবাসন সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হবে।

এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে আইটি পার্ক স্থাপন, অ্যাপসের মাধ্যমে নাগরিক সমস্যার অভিযোগ গ্রহণ ও সার্বক্ষণিক তদারকি, করপোরেশন পরিচালিত স্কুল ও কলেজগুলোতে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা দেয়া হবে।

ডা. শাহাদাতের ইশতেহারে ৯ প্রতিশ্রুতি

 মজুমদার নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম 
২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর, শিক্ষাবান্ধব ও নান্দনিক পর্যটন নগরী গড়াসহ ৯টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

নগরীর জামালখান এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে শনিবার এই ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান প্রমুখ।

তার অন্য প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে- গৃহকর সহনীয় পর্যায়ে রাখা ও আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা, পরিচ্ছন্ন নগরী, নিরাপদ চট্টগ্রাম, সাম্য-সম্প্রীতির নগরী এবং তথ্যপ্রযুক্তিসমৃদ্ধ চট্টগ্রাম গড়া। ৯টি মূল প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে আরও অনেক গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। কিভাবে এগুলো বাস্তবায়ন করা হবে ইশতেহারে তার দিকনির্দেশনাও রয়েছে। ইশতেহারের মূল স্লোগান হলো- ‘চলো সবাই বাঁধো জোট, এবার দেবো আমার ভোট’ এবং ‘নগর পিতা নয়, নগর সেবক হতে চাই।’

ইশতেহারে ডা. শাহাদাত নিজেকে বিএনপি মনোনীত এবং ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং চট্টগ্রাম নাগরিক ঐক্য পরিষদ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী বলে দাবি করেন।

নির্বাচিত হলে তিনি অতীতে দায়িত্বপালনকারী সব মেয়র এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে নগরীর সমস্যাগুলোর সমাধান করবেন বলে জানান। চ্যালেঞ্জ উত্তরণে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও জানিয়েছেন।

অবাস্তব প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি না দিয়ে বাস্তবতার নিরিখে ইশতেহার দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। যা কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর বিষয় নয়। প্রয়োজন আর সময়ের পরিক্রমায় জীবনমান উন্নত হতে উন্নততর পর্যায়ে উত্তীর্ণ হয়। যার জন্য প্রয়োজন সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ ও সফল বাস্তবায়ন। তাই অবাস্তব প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নয়, প্রয়োজন ত্রুটিহীন পরিকল্পনা, বাস্তবায়নে অভিজ্ঞতা, অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর যৌক্তিক আকাঙ্ক্ষা এবং সততা ও দুর্নীতিমুক্ত মানসিকতা।

১৯৯১-৯৬ সালের মধ্যে বিএনপি সরকারের সময় চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে যে মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছিল তা বাস্তবায়ন করা হবে জানিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর একটি পাহাড়, সাগর ও নদী পরিবেষ্টিত শহর। পাহাড় হতে বৃষ্টির পানি বিভিন্ন খাল হয়ে শহরের মধ্য দিয়ে কর্ণফুলীতে পতিত হয়। অবৈধভাবে পাহাড় কাটার কারণে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি মাটি পড়ে খাল ও নালা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এছাড়াও বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে তা খালে গিয়ে পড়ে। যা নিরসনে বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করব।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা মুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে শহরের মধ্যে প্রবাহিত খাল উদ্ধার করে পানি চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে এবং খালের উভয় পাশ রক্ষায় বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রতি বছর বর্ষার আগে শহরের সব খাল, নালা-নর্দমা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কারসহ পানি চলাচলের উপযুক্ত করে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন করব। কর্ণফুলীর নাব্য রক্ষায় আধুনিক ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ নেয়া হবে।

ডা. শাহাদাত জানান, নগরবাসীর দোরগোড়ায় উন্নয়ন সুবিধা পৌঁছে দিতে সরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা হবে। সাম্য ও সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের হাজার বছরের ঐতিহ্যের আলোকে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতির মেলবন্ধনে আবদ্ধ করার প্রয়াস থাকবে।

নান্দনিক পর্যটন নগর গড়তে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করে পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের জন্য দেশি-বিদেশি সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ, বিনোদনকেন্দ্র ইত্যাদি নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, নাগরিকদের যাতায়াত সুবিধার জন্য পরিকল্পিত স্মার্ট নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা করে আয়বর্ধক প্রকল্প বৃদ্ধিসহ বাসস্টপ নির্মাণ করা হবে। বন্ধ প্রতিষ্ঠান চালু ও লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বায়ুদূষণ রোধে ইলেকট্রিক বাস সার্ভিস চালু করা হবে। নগরীর দীঘি ও লেকগুলোকে পর্যটন স্পটে পরিণত করা হবে। এছাড়া নগরবাসীর জন্য নানা সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বাস্তবভিত্তিক দৃষ্টিনন্দন উন্মুক্ত পার্ক নির্মাণ করা হবে।

স্বাস্থ্যকর চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, বন্দরনগরীর স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে অন্তত আরও ২ হাজার শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। এছাড়া শিশু হাসপাতাল, মাতৃসদন ও সেন্টারসহ বিশেষায়িত ক্যানসার ও করোনা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে।

শিক্ষাবান্ধব চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি অটোমেশনের আওতায় এনে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার মানোন্নয়ন, স্কুলে প্রবেশ, প্রস্থান, ক্লাস কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও পরীক্ষার ফলাফল সবকিছু যাতে অভিভাবকরা ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে মনিটরিং করতে পারেন, তার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গৃহকর সহনীয় পর্যায়ে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, নিু আয়ের নগরবাসী, মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের আবাসন গৃহ করমুক্ত করা হবে। হিজড়া, ভবঘুরে ও ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করা হবে। শ্রমজীবীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে আবাসন সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হবে।

এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে আইটি পার্ক স্থাপন, অ্যাপসের মাধ্যমে নাগরিক সমস্যার অভিযোগ গ্রহণ ও সার্বক্ষণিক তদারকি, করপোরেশন পরিচালিত স্কুল ও কলেজগুলোতে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা দেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন