সিএনজিচালক নোমান হাছনুরের আত্মসমর্পণ
jugantor
সিলেটে ব্যাংকার হত্যা
সিএনজিচালক নোমান হাছনুরের আত্মসমর্পণ

  সিলেট ব্যুরো  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটে ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমদ হত্যার প্রধান আসামি সিএনজি অটোরিকশাচালক নোমান হাছনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বুধবার বেলা ১১টায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করে নোমান।

শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিলু। নোমান সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের টুকেরগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে।

এদিকে, আত্মসমর্পণের পর নোমান হাছনুরকে রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোমানের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয় বলে জানান সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, কিভাবে মওদুদকে হত্যা করা

হলো, হত্যাকাণ্ডে কারা কারা ছিল এ তথ্য জানতে নোমানকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তবে বুধবার আদালতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়নি।

অপর দিকে, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে আন্দোলনে রাস্তায় নেমেছেন ব্যাংকাররা। সিলেটের সর্বস্তরের ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংক কর্মচারী ফেডারেশন ও তরুণ পেশাজীবী সমিতিসহ কয়েকটি সংগঠন এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছে। আন্দোলনকারীরা জানান, মওদুদ হত্যাকারীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত ও এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। একই সঙ্গে ব্যাংকারদের নিরাপত্তারও দাবি করেন তারা। এ ছাড়া সিলেটে পরিবহণ শ্রমিকদের নৈরাজ্য চলছে এমন দাবি তুলে তারা জানান, এই নৈরাজ্য ও দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে হবে। নতুবা আরও অনেককে এভাবে প্রাণ দিতে হবে।

শনিবার বিকালে জৈন্তাপুরের হরিপুর থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় নগরীর বন্দরবাজারে আসেন ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমদ। সেখানে চালক নোমান হাছনুরের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে বাগি¦তণ্ডা হয় মওদুদের। তখন নোমানসহ সিএনজি অটোরিকশাচালকরা মওদুদ আহমদকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর পর হত্যাকাণ্ডকে সড়ক দুর্ঘটনা বলে প্রচার চালায় সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকরা।

মওদুদের বড়ভাই আব্দুল ওয়াদুদ নোমান হাছনুরের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সিলেটে ব্যাংকার হত্যা

সিএনজিচালক নোমান হাছনুরের আত্মসমর্পণ

 সিলেট ব্যুরো 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটে ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমদ হত্যার প্রধান আসামি সিএনজি অটোরিকশাচালক নোমান হাছনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বুধবার বেলা ১১টায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করে নোমান।

শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিলু। নোমান সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের টুকেরগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে।

এদিকে, আত্মসমর্পণের পর নোমান হাছনুরকে রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোমানের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয় বলে জানান সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, কিভাবে মওদুদকে হত্যা করা

হলো, হত্যাকাণ্ডে কারা কারা ছিল এ তথ্য জানতে নোমানকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তবে বুধবার আদালতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়নি।

অপর দিকে, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে আন্দোলনে রাস্তায় নেমেছেন ব্যাংকাররা। সিলেটের সর্বস্তরের ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংক কর্মচারী ফেডারেশন ও তরুণ পেশাজীবী সমিতিসহ কয়েকটি সংগঠন এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছে। আন্দোলনকারীরা জানান, মওদুদ হত্যাকারীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত ও এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। একই সঙ্গে ব্যাংকারদের নিরাপত্তারও দাবি করেন তারা। এ ছাড়া সিলেটে পরিবহণ শ্রমিকদের নৈরাজ্য চলছে এমন দাবি তুলে তারা জানান, এই নৈরাজ্য ও দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে হবে। নতুবা আরও অনেককে এভাবে প্রাণ দিতে হবে।

শনিবার বিকালে জৈন্তাপুরের হরিপুর থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় নগরীর বন্দরবাজারে আসেন ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমদ। সেখানে চালক নোমান হাছনুরের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে বাগি¦তণ্ডা হয় মওদুদের। তখন নোমানসহ সিএনজি অটোরিকশাচালকরা মওদুদ আহমদকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর পর হত্যাকাণ্ডকে সড়ক দুর্ঘটনা বলে প্রচার চালায় সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকরা।

মওদুদের বড়ভাই আব্দুল ওয়াদুদ নোমান হাছনুরের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন