৫ হাজার বিঘা জমি ও ৫৫ গাড়ি জব্দের নির্দেশ
jugantor
বরকত-রুবেলের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলা
৫ হাজার বিঘা জমি ও ৫৫ গাড়ি জব্দের নির্দেশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থ পাচার মামলায় ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের ৫ হাজার ৭০৬ বিঘা জমি এবং বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারসহ ৫৫টি গাড়ি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের ১৮৮টি হিসাবে থাকা প্রায় ১০ কোটি টাকা ফ্রিজের আদেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২৬ জুন ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলকে প্রধান আসামি করে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলাটি করে সিআইডি। মামলায় অবৈধ উপায়ে দুই হাজার কোটি টাকা উপার্জন ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ মামলায় রুবেল ও বরকতকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদে জড়িত অনেকের নাম প্রকাশ করেন তারা। তাদের স্বীকারোক্তি ও তথ্যানুযায়ী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহামুদ শামীমকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে এ মামলায় শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী ও জেলা শ্রমিক লীগের অর্থ সম্পাদক বেল্লাল হোসেনও গ্রেফতার হন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে এ বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল। এ ছাড়া, মাদক ব্যবসা ও ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ গড়েছেন। ২৩টি বাস, ট্রাকসহ বিলাসবহুল গাড়িরও মালিক হয়েছেন। এছাড়া বিপুল পরিমাণ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন।

রাজবাড়ীতে ১৯৯৪ সালের ২০ নভেম্বর এক আইনজীবী খুন হন। সে হত্যা মামলার আসামি ছিলেন এ দুই ভাই। এজাহারে আরও বলা হয়, ১৮ জুন মিরাজ আল মাহমুদ এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এ দুই ভাই অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।

৭ জুন রাতে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার শহরের বাড়িতে হামলার ঘটনায় করা মামলার শহরের বদরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বরকত ও তার ভাই রুবেলসহ নয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বরকত-রুবেলের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলা

৫ হাজার বিঘা জমি ও ৫৫ গাড়ি জব্দের নির্দেশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থ পাচার মামলায় ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের ৫ হাজার ৭০৬ বিঘা জমি এবং বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারসহ ৫৫টি গাড়ি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের ১৮৮টি হিসাবে থাকা প্রায় ১০ কোটি টাকা ফ্রিজের আদেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২৬ জুন ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলকে প্রধান আসামি করে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলাটি করে সিআইডি। মামলায় অবৈধ উপায়ে দুই হাজার কোটি টাকা উপার্জন ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ মামলায় রুবেল ও বরকতকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদে জড়িত অনেকের নাম প্রকাশ করেন তারা। তাদের স্বীকারোক্তি ও তথ্যানুযায়ী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহামুদ শামীমকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে এ মামলায় শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী ও জেলা শ্রমিক লীগের অর্থ সম্পাদক বেল্লাল হোসেনও গ্রেফতার হন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে এ বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল। এ ছাড়া, মাদক ব্যবসা ও ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ গড়েছেন। ২৩টি বাস, ট্রাকসহ বিলাসবহুল গাড়িরও মালিক হয়েছেন। এছাড়া বিপুল পরিমাণ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন।

রাজবাড়ীতে ১৯৯৪ সালের ২০ নভেম্বর এক আইনজীবী খুন হন। সে হত্যা মামলার আসামি ছিলেন এ দুই ভাই। এজাহারে আরও বলা হয়, ১৮ জুন মিরাজ আল মাহমুদ এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এ দুই ভাই অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। 

৭ জুন রাতে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার শহরের বাড়িতে হামলার ঘটনায় করা মামলার শহরের বদরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বরকত ও তার ভাই রুবেলসহ নয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন