সাজা মানিক মিয়ার জেল খাটছেন মানিক হাওলাদার
jugantor
হাইকোর্টের দ্বারস্থ স্ত্রী
সাজা মানিক মিয়ার জেল খাটছেন মানিক হাওলাদার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদক মামলায় চার বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মো. মানিক মিয়া। আর গ্রেফতার হয়ে জেল খাটছেন মানিক হাওলাদার। নামের অংশবিশেষ মিল থাকায় মাদক মামলায় একজনের স্থলে জেল খাটছেন আরেকজন। এমন অভিযোগে মানিক হাওলাদারের স্ত্রী তার স্বামীর মুক্তি চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ বিষয়ে আদেশের জন্য ৭ মার্চ দিন রেখেছেন। আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী পার্থ সারথী রায়। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

আইনজীবীরা জানান, ২০০৯ সালে গাড়িতে ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিল পাওয়ার অভিযোগে ওই বছর ২ জুন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই মামলার আসামি মানিক মিয়াকে ২০০৯ সালের ৩ জুন গ্রেফতার করে পুলিশ। কিছুদিন পর ওই বছরই হাইকোর্ট থেকে জামিন পান মানিক। ২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জ আদালত চার আসামিকে চার বছরের কারাদণ্ড দেন। আসামিরা হলেন-ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার মন্টু শেখ ওরফে জামাল উদ্দিন ও সোহরাব হোসেন, পটুয়াখালীর বাউফল থানার জামাল হোসেন এবং শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার মানিক মিয়া।

হতভাগ্য মানিক হাওলাদারের ছোট ভাই রতন হাওলাদার বলেন, আমাদের বাড়ি শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলম চাঁন ব্যাপারীকান্দী গ্রামে। আমার বাবার নাম নজরুল ইসলাম আর মায়ের নাম রেজিয়া বেগম। অন্যদিকে মামলার প্রকৃত আসামি মানিক মিয়ার বাবার নাম ইব্রাহিম মৃধা, মায়ের নাম লুতফা বেগম। তাদের বাড়ি সখিপুরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মালতকান্দিতে গ্রামে। ১৩ জানুয়ারি সাজাপ্রাপ্ত মানিক মিয়ার স্থলে শুধু নামের অংশবিশেষ মিল থাকায় মানিক হাওলাদারকে শরীয়তপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

হাইকোর্টের দ্বারস্থ স্ত্রী

সাজা মানিক মিয়ার জেল খাটছেন মানিক হাওলাদার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদক মামলায় চার বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মো. মানিক মিয়া। আর গ্রেফতার হয়ে জেল খাটছেন মানিক হাওলাদার। নামের অংশবিশেষ মিল থাকায় মাদক মামলায় একজনের স্থলে জেল খাটছেন আরেকজন। এমন অভিযোগে মানিক হাওলাদারের স্ত্রী তার স্বামীর মুক্তি চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ বিষয়ে আদেশের জন্য ৭ মার্চ দিন রেখেছেন। আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী পার্থ সারথী রায়। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

আইনজীবীরা জানান, ২০০৯ সালে গাড়িতে ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিল পাওয়ার অভিযোগে ওই বছর ২ জুন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই মামলার আসামি মানিক মিয়াকে ২০০৯ সালের ৩ জুন গ্রেফতার করে পুলিশ। কিছুদিন পর ওই বছরই হাইকোর্ট থেকে জামিন পান মানিক। ২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জ আদালত চার আসামিকে চার বছরের কারাদণ্ড দেন। আসামিরা হলেন-ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার মন্টু শেখ ওরফে জামাল উদ্দিন ও সোহরাব হোসেন, পটুয়াখালীর বাউফল থানার জামাল হোসেন এবং শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার মানিক মিয়া।

হতভাগ্য মানিক হাওলাদারের ছোট ভাই রতন হাওলাদার বলেন, আমাদের বাড়ি শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলম চাঁন ব্যাপারীকান্দী গ্রামে। আমার বাবার নাম নজরুল ইসলাম আর মায়ের নাম রেজিয়া বেগম। অন্যদিকে মামলার প্রকৃত আসামি মানিক মিয়ার বাবার নাম ইব্রাহিম মৃধা, মায়ের নাম লুতফা বেগম। তাদের বাড়ি সখিপুরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মালতকান্দিতে গ্রামে। ১৩ জানুয়ারি সাজাপ্রাপ্ত মানিক মিয়ার স্থলে শুধু নামের অংশবিশেষ মিল থাকায় মানিক হাওলাদারকে শরীয়তপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন