করোনা টিকার প্রথম ডোজ কাল থেকে বন্ধ
jugantor
করোনা টিকার প্রথম ডোজ কাল থেকে বন্ধ
৮ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ডোজ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামীকাল থেকে বন্ধ হচ্ছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচির প্রথম ডোজের টিকা প্রয়োগ। গণমাধ্যমে শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন। তিনি বলেন, লকডাউনের ভেতরে টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকবে। তবে আগামীকাল থেকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ হচ্ছে। দ্বিতীয় ডোজ ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। যারা টিকা নেবেন তারা কাছের টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে কার্ড দেখিয়ে টিকা নেবেন।

৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া করোনাভাইরাস টিকাদান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ৫৪ লাখ ৫২ হাজার ৬৩৪ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৩৩ লাখ ৮৬ হাজার ৩৫৩ জন ও নারী ২০ লাখ ৬৬ হাজার ২৮১ জন। তাদের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে ৯৩৭ জনের।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার গত বছর ৩ কোটি ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ক্রয়ে চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে প্রতি মাসে ৫০ লাখ করে মোট ৩০ কোটি ডোজ টিকা পাঠানোর কথা। কিন্তু জানুয়ারি মাসে ৫০ লাখ টিকা দিলেও ফেব্রুয়ারি মাসে মাত্র ২০ লাখ টিকা দিয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট। মার্চ মাসে চুক্তি অনুসারে কেনা টিকার কোনো চালান দেশে আসেনি। এপ্রিলেও টিকা আসবে কি-না, সেই নিশ্চয়তা দিতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ডোজ টিকার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৩২ লাখ ডোজ টিকা উপহার হিসাবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে। যা টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির পরিচালক ও এমএনসিএইচের লাইন ডিরেক্টর ডা. শামসুল হক যুগান্তরকে বলেন, টিকা আসার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে দ্বিতীয় ডোজ হিসাবে ৩০ লাখ ব্যক্তিকে টিকা দেওয়ার সক্ষমতা অধিদপ্তরের রয়েছে।

করোনা টিকার প্রথম ডোজ কাল থেকে বন্ধ

৮ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ডোজ
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামীকাল থেকে বন্ধ হচ্ছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচির প্রথম ডোজের টিকা প্রয়োগ। গণমাধ্যমে শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন। তিনি বলেন, লকডাউনের ভেতরে টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকবে। তবে আগামীকাল থেকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ হচ্ছে। দ্বিতীয় ডোজ ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। যারা টিকা নেবেন তারা কাছের টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে কার্ড দেখিয়ে টিকা নেবেন।

৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া করোনাভাইরাস টিকাদান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ৫৪ লাখ ৫২ হাজার ৬৩৪ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৩৩ লাখ ৮৬ হাজার ৩৫৩ জন ও নারী ২০ লাখ ৬৬ হাজার ২৮১ জন। তাদের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে ৯৩৭ জনের।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার গত বছর ৩ কোটি ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ক্রয়ে চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে প্রতি মাসে ৫০ লাখ করে মোট ৩০ কোটি ডোজ টিকা পাঠানোর কথা। কিন্তু জানুয়ারি মাসে ৫০ লাখ টিকা দিলেও ফেব্রুয়ারি মাসে মাত্র ২০ লাখ টিকা দিয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট। মার্চ মাসে চুক্তি অনুসারে কেনা টিকার কোনো চালান দেশে আসেনি। এপ্রিলেও টিকা আসবে কি-না, সেই নিশ্চয়তা দিতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ডোজ টিকার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৩২ লাখ ডোজ টিকা উপহার হিসাবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে। যা টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির পরিচালক ও এমএনসিএইচের লাইন ডিরেক্টর ডা. শামসুল হক যুগান্তরকে বলেন, টিকা আসার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে দ্বিতীয় ডোজ হিসাবে ৩০ লাখ ব্যক্তিকে টিকা দেওয়ার সক্ষমতা অধিদপ্তরের রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন