নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন আইসিইউ জরুরি
jugantor
করোনা চিকিৎসায় তীব্র শয্যা সংকট
নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন আইসিইউ জরুরি
নিশ্চিত হয়নি স্বাস্থ্যবিধির অত্যাবশ্যকীয় চার নির্দেশনা * নির্দেশনা না মানলে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে -স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  রাশেদ রাব্বি  

০৭ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিদিন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে। বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার। কিন্তু সংক্রমণের এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও সর্বত্র নিশ্চিত হয়নি স্বাস্থ্যবিধির চার নির্দেশনা। এগুলো হচ্ছে-মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া এবং বেশি বেশি করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা। আর এ কারণেই মূলত দিন যতই যাচ্ছে রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে অস্বাভাবিকভাবে। কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়েনি সরকারি-বেসরকরি হাসপাতালে করোনা রোগীর শয্যা সংখ্যা। শুধু তাই নয়, তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে আইসিইউ শয্যারও। রীতিমতো হাহাকার। পাশাপাশি নিশ্চিত হয়নি নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহও। ১০ মাসেও পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি সব জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন ট্যাংক এবং জেলা ও উপজেলায় আইসিইউ শয্যা স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা। এছাড়া করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম প্রয়োজনের তুলনায় এ মুহূর্তে অপ্রতুল।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে করোনা রোগীর সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেকটই দুর্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, কোভিড সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে ব্যাপক হারে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। কারণ তারা যেসব কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন, সেখানে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই কোভিড ইউনিটে ডিউটি করে বাড়িতে যাচ্ছেন এবং হাসপাতালে অন্যান্য দায়িত্ব পালন করছেন। এতে সংক্রমণ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া গত বছর কোভিড শুরুর পরে রোগীদের শনাক্তকরণে শতাধিক বুথ স্থাপন করা হয়। এমনকি বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহে যে ব্যবস্থা ছিল এবার সেটিও নেই বললেই চলে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ১৮টি জনগুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন করোনা প্রতিরোধে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ চলছে। অথচ দেশের কোথাও কোথাও লকডাউন তুলে নিতে আন্দোলন করা হচ্ছে। এ মুহূর্তে সরকারের লকডাউন ব্যবস্থা জরুরি ছিল তাই সরকার দিয়েছে। সরকার সঠিক সময়েই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। এখন এসব সরকারি নির্দেশনা মেনে না চললে আগামীতে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু উভয়ই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে।

জানতে চাইলে অনুপ্রাণবিদ অধ্যাপক ডা. শেখ মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, প্রথম সংক্রমণের তুলনায় দ্বিতীয় সংক্রমণ আক্রান্ত ও মৃত্যু হার অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু পরীক্ষার সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন, বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা আরও বাড়াতে হবে। গত বছর কোভিড চিকিৎসায় যেসব হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছিল, এ বছর তার চেয়েও বেশি প্রস্তুতি নেওয়া দরকার। এমনকি যেসব হাসপাতালে নতুন আইসিইউ শয্যা স্থাপনের কথা ছিল সেগুলো দ্রুত স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীসহ দেশের সব বিভাগ থেকে পাঠানো করোনা প্রতিরোধী সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে কোভিড আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় রেমডিসিভির ইনজেকশন, আরটিপিসিআর কিটস, কাভার অলসহ পিপিই, মাস্ক, হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা, অক্সিজেন কনসেট্রেটর, মনিটরসহ আইসিইউ শয্যা, ভেন্টিলেটর এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার। এ থেকেই বোঝা যায় কোভিড চিকিৎসায় নিয়োজিত হাসপাতালগুলোর দুর্বলতা। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোভিড রোগীদের সাধারণ এবং আইসিইউর কোনো শয্যা ফাঁকা নেই। আইসিইউতে কোনো রোগীর মৃত্যু হলেই শয্যা ফাঁকা হচ্ছে এবং একই সঙ্গে আরেকজন মুমূর্ষু রোগীকে সেখানে স্থানান্তর করা হচ্ছে। দুই থেকে তিন ঘরেও আইসিইউ শয্যা পাওয়া যাচ্ছে না। একটি সাধারণ শয্যার জন্য ঘুরতে হচ্ছে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল।

এছাড়া দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভায় পাঁচ দফা সুপারিশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে-হাসপাতালগুলোতে যথাসম্ভব কোভিড-১৯ রোগীর শয্যা সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। আইসিইউতে শয্যা বাড়ানো দরকার। ঢাকার বাইরে মেডিকেল কলেজগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে সেখানে এলাকার রোগীর চিকিৎসা করা দরকার। কোভিড-১৯ এর জন্য পরীক্ষা করতে আসা মানুষ যাতে সহজে সেবা পায় তার ব্যবস্থা করা দরকার। এমনকি আগামী দিনগুলোতে করোনা পরীক্ষা বাড়তে পারে, সেটি মাথায় রেখে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়।

এসব বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ও করোনাসংক্রান্ত মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ইতোমধ্যে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে আড়াই হাজার শয্যা বাড়ানো হয়েছে। লালকুঠি ও মহানগর হাসপাতাল পুনরায় চালু করা হয়েছে। শিগগির ডিএনসিসিতে এক হাজার শয্যার করোনা আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হচ্ছে। যেখানে দুইশত আইসিইউ/এইচডিইউ শয্যা থাকছে। অক্সিজেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশিরভাগ হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। বাকিগুলোর স্থাপন চলমান। অধ্যাপক নাজমুল বলেন, ঢাকার বাইরের সব জেলাতেই হাসপাতালে কোভিড শয্যা খালি রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত পড়ে আছে। সব রোগী ঢাকায় চলে আসায় এ সংকট দেখা দিয়েছে। তিনি রোগীদের ঢাকা না এসে নিজ জেলায় চিকিৎসা নেওয়ার অনুরোধ জানান।

করোনা চিকিৎসায় তীব্র শয্যা সংকট

নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন আইসিইউ জরুরি

নিশ্চিত হয়নি স্বাস্থ্যবিধির অত্যাবশ্যকীয় চার নির্দেশনা * নির্দেশনা না মানলে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে -স্বাস্থ্যমন্ত্রী
 রাশেদ রাব্বি 
০৭ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
করোনা
শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগ নিয়ে রাজধানীর মহাখালী থেকে আবুল কালাম এসেছিলেন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে। শয্যা সংকটে ভর্তি হতে না পেরে চলে যেতে হচ্ছে অন্য হাসপাতালে। মঙ্গলবারের ছবি: যুগান্তর

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিদিন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে। বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার। কিন্তু সংক্রমণের এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও সর্বত্র নিশ্চিত হয়নি স্বাস্থ্যবিধির চার নির্দেশনা। এগুলো হচ্ছে-মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া এবং বেশি বেশি করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা। আর এ কারণেই মূলত দিন যতই যাচ্ছে রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে অস্বাভাবিকভাবে। কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়েনি সরকারি-বেসরকরি হাসপাতালে করোনা রোগীর শয্যা সংখ্যা। শুধু তাই নয়, তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে আইসিইউ শয্যারও। রীতিমতো হাহাকার। পাশাপাশি নিশ্চিত হয়নি নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহও। ১০ মাসেও পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি সব জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন ট্যাংক এবং জেলা ও উপজেলায় আইসিইউ শয্যা স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা। এছাড়া করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম প্রয়োজনের তুলনায় এ মুহূর্তে অপ্রতুল।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে করোনা রোগীর সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেকটই দুর্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, কোভিড সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে ব্যাপক হারে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। কারণ তারা যেসব কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন, সেখানে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই কোভিড ইউনিটে ডিউটি করে বাড়িতে যাচ্ছেন এবং হাসপাতালে অন্যান্য দায়িত্ব পালন করছেন। এতে সংক্রমণ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া গত বছর কোভিড শুরুর পরে রোগীদের শনাক্তকরণে শতাধিক বুথ স্থাপন করা হয়। এমনকি বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহে যে ব্যবস্থা ছিল এবার সেটিও নেই বললেই চলে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ১৮টি জনগুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন করোনা প্রতিরোধে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ চলছে। অথচ দেশের কোথাও কোথাও লকডাউন তুলে নিতে আন্দোলন করা হচ্ছে। এ মুহূর্তে সরকারের লকডাউন ব্যবস্থা জরুরি ছিল তাই সরকার দিয়েছে। সরকার সঠিক সময়েই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। এখন এসব সরকারি নির্দেশনা মেনে না চললে আগামীতে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু উভয়ই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে। 

জানতে চাইলে অনুপ্রাণবিদ অধ্যাপক ডা. শেখ মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, প্রথম সংক্রমণের তুলনায় দ্বিতীয় সংক্রমণ আক্রান্ত ও মৃত্যু হার অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু পরীক্ষার সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন, বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা আরও বাড়াতে হবে। গত বছর কোভিড চিকিৎসায় যেসব হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছিল, এ বছর তার চেয়েও বেশি প্রস্তুতি নেওয়া দরকার। এমনকি যেসব হাসপাতালে নতুন আইসিইউ শয্যা স্থাপনের কথা ছিল সেগুলো দ্রুত স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীসহ দেশের সব বিভাগ থেকে পাঠানো করোনা প্রতিরোধী সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে কোভিড আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় রেমডিসিভির ইনজেকশন, আরটিপিসিআর কিটস, কাভার অলসহ পিপিই, মাস্ক, হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা, অক্সিজেন কনসেট্রেটর, মনিটরসহ আইসিইউ শয্যা, ভেন্টিলেটর এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার। এ থেকেই বোঝা যায় কোভিড চিকিৎসায় নিয়োজিত হাসপাতালগুলোর দুর্বলতা। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোভিড রোগীদের সাধারণ এবং আইসিইউর কোনো শয্যা ফাঁকা নেই। আইসিইউতে কোনো রোগীর মৃত্যু হলেই শয্যা ফাঁকা হচ্ছে এবং একই সঙ্গে আরেকজন মুমূর্ষু রোগীকে সেখানে স্থানান্তর করা হচ্ছে। দুই থেকে তিন ঘরেও আইসিইউ শয্যা পাওয়া যাচ্ছে না। একটি সাধারণ শয্যার জন্য ঘুরতে হচ্ছে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল। 

এছাড়া দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভায় পাঁচ দফা সুপারিশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে-হাসপাতালগুলোতে যথাসম্ভব কোভিড-১৯ রোগীর শয্যা সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। আইসিইউতে শয্যা বাড়ানো দরকার। ঢাকার বাইরে মেডিকেল কলেজগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে সেখানে এলাকার রোগীর চিকিৎসা করা দরকার। কোভিড-১৯ এর জন্য পরীক্ষা করতে আসা মানুষ যাতে সহজে সেবা পায় তার ব্যবস্থা করা দরকার। এমনকি আগামী দিনগুলোতে করোনা পরীক্ষা বাড়তে পারে, সেটি মাথায় রেখে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। 

এসব বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ও করোনাসংক্রান্ত মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ইতোমধ্যে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে আড়াই হাজার শয্যা বাড়ানো হয়েছে। লালকুঠি ও মহানগর হাসপাতাল পুনরায় চালু করা হয়েছে। শিগগির ডিএনসিসিতে এক হাজার শয্যার করোনা আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হচ্ছে। যেখানে দুইশত আইসিইউ/এইচডিইউ শয্যা থাকছে। অক্সিজেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশিরভাগ হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। বাকিগুলোর স্থাপন চলমান। অধ্যাপক নাজমুল বলেন, ঢাকার বাইরের সব জেলাতেই হাসপাতালে কোভিড শয্যা খালি রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত পড়ে আছে। সব রোগী ঢাকায় চলে আসায় এ সংকট দেখা দিয়েছে। তিনি রোগীদের ঢাকা না এসে নিজ জেলায় চিকিৎসা নেওয়ার অনুরোধ জানান।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস