জেএমবির ভারপ্রাপ্ত আমির রেজাউল গ্রেফতার
jugantor
জেএমবির ভারপ্রাপ্ত আমির রেজাউল গ্রেফতার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) ভারপ্রাপ্ত আমিরকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। তার নাম রেজাউল হক ওরফে রেজা ওরফে তানভীর মাহমুদ ওরফে শিহাব আহনাফ (৩৭)। সিটিটিসির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী শনিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রহমত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকালে রেজাউল হককে গ্রেফতার করা হয়। ২০০৫ সালে দেশজুড়ে সিরিজ বোমা হামলায় রেজাউল জড়িত ছিলেন। সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় ওই বছর গ্রেফতারও হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর ২০১৭ সালে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবার সাংগঠনিক কাজে সম্পৃক্ত হন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, জেএমবির ভারপ্রাপ্ত আমিরের পদ ছাড়াও রেজাউল সংগঠনটির দাওয়াহ এবং বায়তুলমাল বিভাগের প্রধান হিসাবে কাজ করতেন। তিনি মূলত জেএমবির শীর্ষ নেতা সালাউদ্দিন সালেহীনের নির্দেশনায় বর্তমানে সংগঠনকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সালেহীন অনেক দিন ধরে দেশের বাইরে পলাতক। রহমত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, রেজাউল সংগঠনটির শূরা সদস্যও। অনেক দিন পর জেএমবির শীর্ষ কোনো নেতা ধরা পড়ল। সর্বশেষ জেএমবির ভারপ্রাপ্ত আমির ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার খুরশিদ আলম। ২০১৮ সালের দিকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা যান তিনি। তিনি আরও বলেন, জেএমবির ভারপ্রাপ্ত এই আমিরের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা তদন্তাধীন।

বিমানবন্দর ও জিআরপি থানার দুটি মামলার আসামিও তিনি। ওই দুই মামলা আদালতে বিচারাধীন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রেজাউল পুলিশকে জানান, দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফরের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি। সারা দেশে জেএমবির সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদার টাকায় পরিচালিত বায়তুলমাল তত্ত্বাবধান করেন। জেএমবির কারাবন্দি সদস্যদের পরিবারকে প্রায় নিয়মিত অর্থসহায়তা করে আসছেন তিনি। বিভিন্ন সময় অনলাইনের মাধ্যমে সারা দেশের জেএমবি সদস্যদের মাঝে উগ্র মৌলবাদী বিষয় নিয়ে বক্তৃতা দিতেন রেজাউল।

সিটিটিসি সূত্র জানায়, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো ইলিয়াছ শরীফের নির্দেশনায় ও স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল মান্নানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

জেএমবির ভারপ্রাপ্ত আমির রেজাউল গ্রেফতার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) ভারপ্রাপ্ত আমিরকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। তার নাম রেজাউল হক ওরফে রেজা ওরফে তানভীর মাহমুদ ওরফে শিহাব আহনাফ (৩৭)। সিটিটিসির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী শনিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রহমত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকালে রেজাউল হককে গ্রেফতার করা হয়। ২০০৫ সালে দেশজুড়ে সিরিজ বোমা হামলায় রেজাউল জড়িত ছিলেন। সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় ওই বছর গ্রেফতারও হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর ২০১৭ সালে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবার সাংগঠনিক কাজে সম্পৃক্ত হন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, জেএমবির ভারপ্রাপ্ত আমিরের পদ ছাড়াও রেজাউল সংগঠনটির দাওয়াহ এবং বায়তুলমাল বিভাগের প্রধান হিসাবে কাজ করতেন। তিনি মূলত জেএমবির শীর্ষ নেতা সালাউদ্দিন সালেহীনের নির্দেশনায় বর্তমানে সংগঠনকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সালেহীন অনেক দিন ধরে দেশের বাইরে পলাতক। রহমত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, রেজাউল সংগঠনটির শূরা সদস্যও। অনেক দিন পর জেএমবির শীর্ষ কোনো নেতা ধরা পড়ল। সর্বশেষ জেএমবির ভারপ্রাপ্ত আমির ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার খুরশিদ আলম। ২০১৮ সালের দিকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা যান তিনি। তিনি আরও বলেন, জেএমবির ভারপ্রাপ্ত এই আমিরের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা তদন্তাধীন।

বিমানবন্দর ও জিআরপি থানার দুটি মামলার আসামিও তিনি। ওই দুই মামলা আদালতে বিচারাধীন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রেজাউল পুলিশকে জানান, দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফরের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি। সারা দেশে জেএমবির সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদার টাকায় পরিচালিত বায়তুলমাল তত্ত্বাবধান করেন। জেএমবির কারাবন্দি সদস্যদের পরিবারকে প্রায় নিয়মিত অর্থসহায়তা করে আসছেন তিনি। বিভিন্ন সময় অনলাইনের মাধ্যমে সারা দেশের জেএমবি সদস্যদের মাঝে উগ্র মৌলবাদী বিষয় নিয়ে বক্তৃতা দিতেন রেজাউল।

সিটিটিসি সূত্র জানায়, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো ইলিয়াছ শরীফের নির্দেশনায় ও স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল মান্নানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন