মে’র শুরুতে আসছে ৭ কোটি ডোজ টিকা
jugantor
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন
মে’র শুরুতে আসছে ৭ কোটি ডোজ টিকা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী মাসের শুরুতে বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাবে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংক সোমবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দিয়ে শিগগির বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে আশাবাদও ব্যক্ত করেছে। ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে এই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংস্থার সিনিয়র ইকোনমিস্ট বার্নার্ড হ্যাভেন। এতে বলা হয়েছে, চলমান টিকা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে, কঠোর লকডাউন কার্যকর হলে এবং দ্রুত বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালে চলতি অর্থবছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ২ দশমিক ৬ থেকে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। ইতোমধ্যে ভারত থেকে ক্রয় করা ৭০ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। আরও আড়াই কোটি ডোজ আসার প্রক্রিয়া চলছে।
বার্নার্ড হ্যাভেন বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি অভূতপূর্ব বৈশ্বিক মন্দা তৈরি করেছে। আক্রান্ত পরিবারগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখতে হবে। পাশাপাশি কাঠামোগত সংস্কার পুনরুদ্ধার ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি রপ্তানি, শক্ত রেমিট্যান্সপ্রবাহ এবং চলমান টিকাদান কর্মসূচি পুনরুদ্ধারের লক্ষণ প্রদর্শন করছে। করোনার কারণে প্রবৃদ্ধির গতি কমে গিয়েছিল। যার ফলে দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার দারিদ্র্য হ্রাসের প্রবণতা বিপরীত হয়ে যায়। তবে আশার কথা হলো, অর্থনীতি ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। অর্থবছরের প্রথমার্ধে কারখানাগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হলে রপ্তানিও ফের শুরু হয়। তবে চলমান করোনা মহামারির কারণে অর্থনীতি উচ্চতর ঝুঁকির মুখোমুখি।
সংবাদ সম্মেলনে মার্সি মিয়াং বলেন, টিকা প্রাপ্তি নিয়ে বৈশ্বিকভাবে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে বাংলাদেশ কোভ্যাক্স থেকে টিকা খুব শিগগির পাবে। টিকা ক্রয়ে অর্থেও সমস্যা নেই। বিশ্বব্যাংকও ৫০ কোটি ডলার (৪ হাজার ২৫০ কোটি টাকা) দিতে যাচ্ছে, যা দিয়ে দেশের তিন ভাগ মানুষের জন্য টিকা কেনা যাবে। কোভ্যাক্স-এর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকও রয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, করোনার কারণে অনিশ্চয়তার পরও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক। পুনরুদ্ধারের গতি বেশিরভাগই নির্ভর করছে দ্রুত টিকা প্রাপ্তির ওপর। মুদ্রাস্ফীতি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫ দশমিক ৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি থাকতে পারে। এ ছাড়া বাজেট ঘাটতি ৬ শতাংশের মতো হতে পারে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার দেরি হলে তা আরএমজি পণ্যের চাহিদা হ্রাস করতে পারে এবং অভিবাসী শ্রমিকদের কাজের সুযোগ সীমাবদ্ধ করতে পারে। করোনা মহামারি আর্থিক খাতের ঝুঁকিকে আরও তীব্রতর করেছে। কেননা, খেলাপি ঋণ এবং ব্যাংক পরিচালনা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা রয়েছে।
সরবরাহ ক্ষমতা উন্নত করার মাধ্যমে পুনরুদ্ধার গতি এবং প্রতিযোগিতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। প্রতিবেদনে ব্যবসার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে এবং স্থিতিস্থাপকতা তৈরি করতে সহায়ক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণের সুযোগগুলোর রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। অবকাঠামোর মান, ক্ষমতা এবং পরিচালন ব্যবস্থার উন্নতি, সরবরাহ পরিষেবাদির মান বৃদ্ধি বা সংহতকরণ উন্নত করা এবং আঞ্চলিক সরবরাহ পরিষেবাগুলোর একটি বিরামবিহীন সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করা জরুরি।
টিকা কিনতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি : করোনার টিকা কিনতে বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ২৫০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঋণ চুক্তি করেছে সংস্থাটি। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিশ্বব্যাংকের এ অর্থায়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) তহবিলের সাধারণ শর্ত প্রযোজ্য হবে। ঋণটি ৫ বছরের গ্রেস (রেয়াতকাল) পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে। এর সুদের হার হবে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ, সার্ভিস চার্জ হবে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপার্ডনেস’ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ঋণ সহায়তা হিসেবে এ ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ১১ এপ্রিল ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন চুক্তিতে সই করেন। এতে আরও বলা হয়, প্রকল্পের আওতায় ইতোমধেই ২০২০ সালের ১০ এপ্রিল ১০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে সংস্থাটি। এই প্রকল্পের আওতায় এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) কাছ থেকেও ১০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়া গেছে। এর ধারাবাহিকতায় টিকা কেনার জন্য চলমান প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে টিকা কেনা ও সরবরাহ করা। কোভ্যাক্স থেকে অগ্রিম টিকা কেনার মাধ্যমে দেশের মোট জনসংখ্যার ৩১ শতাংশকে টিকা দেওয়া যাবে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে ভ্যাকসিন টেস্টিং ল্যাব স্থাপনের মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টিকা সংরক্ষণ এবং বিতরণে কোল্ড চেইন সিস্টেম অক্ষুণ্ন রাখার মাধ্যমে টিকার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

মে’র শুরুতে আসছে ৭ কোটি ডোজ টিকা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী মাসের শুরুতে বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাবে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংক সোমবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দিয়ে শিগগির বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে আশাবাদও ব্যক্ত করেছে। ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে এই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংস্থার সিনিয়র ইকোনমিস্ট বার্নার্ড হ্যাভেন। এতে বলা হয়েছে, চলমান টিকা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে, কঠোর লকডাউন কার্যকর হলে এবং দ্রুত বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালে চলতি অর্থবছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ২ দশমিক ৬ থেকে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। ইতোমধ্যে ভারত থেকে ক্রয় করা ৭০ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। আরও আড়াই কোটি ডোজ আসার প্রক্রিয়া চলছে।
বার্নার্ড হ্যাভেন বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি অভূতপূর্ব বৈশ্বিক মন্দা তৈরি করেছে। আক্রান্ত পরিবারগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখতে হবে। পাশাপাশি কাঠামোগত সংস্কার পুনরুদ্ধার ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি রপ্তানি, শক্ত রেমিট্যান্সপ্রবাহ এবং চলমান টিকাদান কর্মসূচি পুনরুদ্ধারের লক্ষণ প্রদর্শন করছে। করোনার কারণে প্রবৃদ্ধির গতি কমে গিয়েছিল। যার ফলে দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার দারিদ্র্য হ্রাসের প্রবণতা বিপরীত হয়ে যায়। তবে আশার কথা হলো, অর্থনীতি ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। অর্থবছরের প্রথমার্ধে কারখানাগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হলে রপ্তানিও ফের শুরু হয়। তবে চলমান করোনা মহামারির কারণে অর্থনীতি উচ্চতর ঝুঁকির মুখোমুখি।
সংবাদ সম্মেলনে মার্সি মিয়াং বলেন, টিকা প্রাপ্তি নিয়ে বৈশ্বিকভাবে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে বাংলাদেশ কোভ্যাক্স থেকে টিকা খুব শিগগির পাবে। টিকা ক্রয়ে অর্থেও সমস্যা নেই। বিশ্বব্যাংকও ৫০ কোটি ডলার (৪ হাজার ২৫০ কোটি টাকা) দিতে যাচ্ছে, যা দিয়ে দেশের তিন ভাগ মানুষের জন্য টিকা কেনা যাবে। কোভ্যাক্স-এর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকও রয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, করোনার কারণে অনিশ্চয়তার পরও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক। পুনরুদ্ধারের গতি বেশিরভাগই নির্ভর করছে দ্রুত টিকা প্রাপ্তির ওপর। মুদ্রাস্ফীতি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫ দশমিক ৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি থাকতে পারে। এ ছাড়া বাজেট ঘাটতি ৬ শতাংশের মতো হতে পারে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার দেরি হলে তা আরএমজি পণ্যের চাহিদা হ্রাস করতে পারে এবং অভিবাসী শ্রমিকদের কাজের সুযোগ সীমাবদ্ধ করতে পারে। করোনা মহামারি আর্থিক খাতের ঝুঁকিকে আরও তীব্রতর করেছে। কেননা, খেলাপি ঋণ এবং ব্যাংক পরিচালনা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা রয়েছে।
সরবরাহ ক্ষমতা উন্নত করার মাধ্যমে পুনরুদ্ধার গতি এবং প্রতিযোগিতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। প্রতিবেদনে ব্যবসার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে এবং স্থিতিস্থাপকতা তৈরি করতে সহায়ক ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণের সুযোগগুলোর রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। অবকাঠামোর মান, ক্ষমতা এবং পরিচালন ব্যবস্থার উন্নতি, সরবরাহ পরিষেবাদির মান বৃদ্ধি বা সংহতকরণ উন্নত করা এবং আঞ্চলিক সরবরাহ পরিষেবাগুলোর একটি বিরামবিহীন সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করা জরুরি।
টিকা কিনতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি : করোনার টিকা কিনতে বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ২৫০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঋণ চুক্তি করেছে সংস্থাটি। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিশ্বব্যাংকের এ অর্থায়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) তহবিলের সাধারণ শর্ত প্রযোজ্য হবে। ঋণটি ৫ বছরের গ্রেস (রেয়াতকাল) পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে। এর সুদের হার হবে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ, সার্ভিস চার্জ হবে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ। 
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপার্ডনেস’ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ঋণ সহায়তা হিসেবে এ ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ১১ এপ্রিল ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন চুক্তিতে সই করেন। এতে আরও বলা হয়, প্রকল্পের আওতায় ইতোমধেই ২০২০ সালের ১০ এপ্রিল ১০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে সংস্থাটি। এই প্রকল্পের আওতায় এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) কাছ থেকেও ১০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়া গেছে। এর ধারাবাহিকতায় টিকা কেনার জন্য চলমান প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে টিকা কেনা ও সরবরাহ করা। কোভ্যাক্স থেকে অগ্রিম টিকা কেনার মাধ্যমে দেশের মোট জনসংখ্যার ৩১ শতাংশকে টিকা দেওয়া যাবে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে ভ্যাকসিন টেস্টিং ল্যাব স্থাপনের মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টিকা সংরক্ষণ এবং বিতরণে কোল্ড চেইন সিস্টেম অক্ষুণ্ন রাখার মাধ্যমে টিকার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ করা হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন