রিসোর্টকাণ্ডে মামুনুলকে রিমান্ডে চায় সিআইডি
jugantor
রিসোর্টকাণ্ডে মামুনুলকে রিমান্ডে চায় সিআইডি
মাওলানা কোরবান কাসেমী গ্রেফতার

  যুগান্তর প্রদিবেদন  

২১ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টকাণ্ডের পর সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওই ঘটনায় করা দুটি মামলার তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে তার সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ সম্পর্কে আরও জানতে তাকে রিমান্ডে নিতে চায় সিআইডি। এদিকে, পুলিশের রিমান্ডে মাওলানা মামুনুল বলেছেন, মাদ্রাসাছাত্রদের ব্যবহার করে তিনি রাষ্ট্র ক্ষমতার শীর্ষে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। মঙ্গলবার পুলিশ হেফাজতের সহ-সভাপতি মাওলানা কোরবান আলী কাসেমীকে গ্রেফতার করেছে। তাকে নিয়ে সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের ৯ শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতার করা হলো।

মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে করা ২৩টি মামলার তদন্তভার পেয়েছে সিআইডি। এসব মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলাম মার্চের শেষ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে দাবি-দাওয়া আদায়ের নামে জ্বালাও-পোড়াও করেছে। সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামোয় আগুন দিয়েছে, সড়ক অবরোধ করেছে। এগুলো প্রচলিত আইন অনুযায়ী অন্যায়। এরইমধ্যে আমরা ২৩টি মামলার তদন্তভার পেয়েছি। মামলাগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫টি, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও মুন্সীগঞ্জে দুটি করে মামলা হয়েছে। হত্যা, বিস্ফোরক, নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী এসব মামলার তদন্ত হবে। সিআইডির ফরেনসিক, ডিএনএ, অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তা, সাইবার এক্সপার্ট রয়েছে।

এসব মামলায় মাওলানা মামুনুল হকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে কিনা এবং তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, নারায়ণগঞ্জে করা মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। অন্য একটি মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়ে রিমান্ডে আছেন। পরে আমরা গ্রেফতার দেখিয়ে (শ্যোন এরেস্ট) তার রিমান্ড চাইব। অন্য মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সে পদক্ষেপও নেওয়া হবে।

হেফাজত প্রধান জুনায়েদ বাবুনগরী এবং হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের সংশ্লিষ্টতা পেলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা এসব মামলায় প্রাথমিক তদন্তে তিন ধরনের লোকের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি। এগুলো হলো- যারা উপস্থিত থেকেছেন, অনুপস্থিত থাকলেও ইন্ধন দিয়েছেন এবং দুষ্কর্মে সহযোগিতা করেছেন। বাবুনগরীসহ অন্য কারও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না। তবে কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি সহিংসতার মামলাগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের বা কোনো জনপ্রতিনিধির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে সিআইডি প্রধান বলেন, আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করি। তদন্তে যারই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাষ্ট্র ক্ষমতার শীর্ষে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন মামুনুল হক : মোহাম্মদপুর থানার মামলায় গ্রেফতার মাওলানা মামুনুল হককে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ। মঙ্গলবার ছিল রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন। রিমান্ডে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা এবং তার ব্যক্তিগত বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি মুখ খুলতে শুরু করেছেন। মাদ্রাসাছাত্রদের ব্যবহার করে রাষ্ট্র ক্ষমতার শীর্ষে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে তিনি স্বীকার করেন। এ কর্মকাণ্ড ভুল ছিল বলেও তিনি স্বীকার করেছেন। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশীদ বলেন, মামুনুল দেশের আইন-কানুন, আদালত কিছুই মানতেন না। তিনি রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাকে রিমান্ডে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, রিমান্ডে মামুনুলের দাবি প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে আরও দুটি বিয়ে করা তার ভুল ছিল। দুটি বিয়েই তিনি ‘মানবিক’ কারণে করেছেন। তার বিয়ে নিয়ে সারা দেশে বিতর্ক শুরু হলে চাপে পড়ে হেফাজতে ইসলাম। এ বিষয়ে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসায় ঘরোয়া পরিবেশে মামুনুলকে ‘জেরা’ করেন হেফাজত নেতারা। তখন তিনি বলেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিয়ে শরিয়তসম্মত উপায়ে হয়েছে। তবে কোনো রেজিস্ট্রি বা কাবিননামা করেননি। বিয়ে করেছেন এর প্রমাণ হিসাবে তিনি দুটি বিয়ের সাক্ষীদেরও হাজির করেন। প্রথম স্ত্রী বা পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করলেও সেটি শরিয়তসম্মত হয়েছে বলে হেফাজত নেতারা মেনে নেন। এটি তার ‘ছোট ভুল’ হিসাবে আখ্যা দিয়ে মামুনুলের পাশে থাকে হেফাজত।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কর্মসূচি দিলে সহিংসতা হতে পারে এ নিয়ে মামুনুলসহ হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের বারবার সতর্ক করা হয়েছে। তারা কোনো কথাই শুনতে চাননি। এসব সহিংসতার পেছনে মামুনুলসহ হেফাজতের অনেক শীর্ষ নেতার উসকানি ছিল। এ বিষয়ে মামুনুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, এটা ভুল হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মাওলানা কোরবান আলী গ্রেফতার : মঙ্গলবার বিকালে হেফাজতের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা কোরবান আলী কাসেমীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সহিংসতার মামলার আসামি তিনি। সম্প্রতি বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনার তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। কোরবান আলীকে নিয়ে সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের ৯ শীর্ষ নেতা গ্রেফতার হলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার এডিসি ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, মাওলানা কোরবান আলীকে মঙ্গলবার বিকালে তার বাসাবোর বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি গুলশান বিভাগ।

রিসোর্টকাণ্ডে মামুনুলকে রিমান্ডে চায় সিআইডি

মাওলানা কোরবান কাসেমী গ্রেফতার
 যুগান্তর প্রদিবেদন 
২১ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টকাণ্ডের পর সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওই ঘটনায় করা দুটি মামলার তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে তার সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ সম্পর্কে আরও জানতে তাকে রিমান্ডে নিতে চায় সিআইডি। এদিকে, পুলিশের রিমান্ডে মাওলানা মামুনুল বলেছেন, মাদ্রাসাছাত্রদের ব্যবহার করে তিনি রাষ্ট্র ক্ষমতার শীর্ষে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। মঙ্গলবার পুলিশ হেফাজতের সহ-সভাপতি মাওলানা কোরবান আলী কাসেমীকে গ্রেফতার করেছে। তাকে নিয়ে সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের ৯ শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতার করা হলো।

মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে করা ২৩টি মামলার তদন্তভার পেয়েছে সিআইডি। এসব মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলাম মার্চের শেষ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে দাবি-দাওয়া আদায়ের নামে জ্বালাও-পোড়াও করেছে। সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামোয় আগুন দিয়েছে, সড়ক অবরোধ করেছে। এগুলো প্রচলিত আইন অনুযায়ী অন্যায়। এরইমধ্যে আমরা ২৩টি মামলার তদন্তভার পেয়েছি। মামলাগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫টি, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও মুন্সীগঞ্জে দুটি করে মামলা হয়েছে। হত্যা, বিস্ফোরক, নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী এসব মামলার তদন্ত হবে। সিআইডির ফরেনসিক, ডিএনএ, অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তা, সাইবার এক্সপার্ট রয়েছে।

এসব মামলায় মাওলানা মামুনুল হকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে কিনা এবং তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, নারায়ণগঞ্জে করা মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। অন্য একটি মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়ে রিমান্ডে আছেন। পরে আমরা গ্রেফতার দেখিয়ে (শ্যোন এরেস্ট) তার রিমান্ড চাইব। অন্য মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সে পদক্ষেপও নেওয়া হবে।

হেফাজত প্রধান জুনায়েদ বাবুনগরী এবং হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের সংশ্লিষ্টতা পেলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা এসব মামলায় প্রাথমিক তদন্তে তিন ধরনের লোকের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি। এগুলো হলো- যারা উপস্থিত থেকেছেন, অনুপস্থিত থাকলেও ইন্ধন দিয়েছেন এবং দুষ্কর্মে সহযোগিতা করেছেন। বাবুনগরীসহ অন্য কারও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না। তবে কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি সহিংসতার মামলাগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের বা কোনো জনপ্রতিনিধির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে সিআইডি প্রধান বলেন, আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করি। তদন্তে যারই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাষ্ট্র ক্ষমতার শীর্ষে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন মামুনুল হক : মোহাম্মদপুর থানার মামলায় গ্রেফতার মাওলানা মামুনুল হককে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ। মঙ্গলবার ছিল রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন। রিমান্ডে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা এবং তার ব্যক্তিগত বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি মুখ খুলতে শুরু করেছেন। মাদ্রাসাছাত্রদের ব্যবহার করে রাষ্ট্র ক্ষমতার শীর্ষে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে তিনি স্বীকার করেন। এ কর্মকাণ্ড ভুল ছিল বলেও তিনি স্বীকার করেছেন। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশীদ বলেন, মামুনুল দেশের আইন-কানুন, আদালত কিছুই মানতেন না। তিনি রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাকে রিমান্ডে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, রিমান্ডে মামুনুলের দাবি প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে আরও দুটি বিয়ে করা তার ভুল ছিল। দুটি বিয়েই তিনি ‘মানবিক’ কারণে করেছেন। তার বিয়ে নিয়ে সারা দেশে বিতর্ক শুরু হলে চাপে পড়ে হেফাজতে ইসলাম। এ বিষয়ে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসায় ঘরোয়া পরিবেশে মামুনুলকে ‘জেরা’ করেন হেফাজত নেতারা। তখন তিনি বলেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিয়ে শরিয়তসম্মত উপায়ে হয়েছে। তবে কোনো রেজিস্ট্রি বা কাবিননামা করেননি। বিয়ে করেছেন এর প্রমাণ হিসাবে তিনি দুটি বিয়ের সাক্ষীদেরও হাজির করেন। প্রথম স্ত্রী বা পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করলেও সেটি শরিয়তসম্মত হয়েছে বলে হেফাজত নেতারা মেনে নেন। এটি তার ‘ছোট ভুল’ হিসাবে আখ্যা দিয়ে মামুনুলের পাশে থাকে হেফাজত।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কর্মসূচি দিলে সহিংসতা হতে পারে এ নিয়ে মামুনুলসহ হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের বারবার সতর্ক করা হয়েছে। তারা কোনো কথাই শুনতে চাননি। এসব সহিংসতার পেছনে মামুনুলসহ হেফাজতের অনেক শীর্ষ নেতার উসকানি ছিল। এ বিষয়ে মামুনুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, এটা ভুল হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মাওলানা কোরবান আলী গ্রেফতার : মঙ্গলবার বিকালে হেফাজতের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা কোরবান আলী কাসেমীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সহিংসতার মামলার আসামি তিনি। সম্প্রতি বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনার তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। কোরবান আলীকে নিয়ে সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের ৯ শীর্ষ নেতা গ্রেফতার হলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার এডিসি ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, মাওলানা কোরবান আলীকে মঙ্গলবার বিকালে তার বাসাবোর বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি গুলশান বিভাগ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন