নয় দিন পর নব্বইয়ের নিচে মৃত্যু
jugantor
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮৮ চিহ্নিত ৩৬২৯
নয় দিন পর নব্বইয়ের নিচে মৃত্যু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা নিম্নমুখী। কয়েকদিনের তুলনায় মৃত্যু, শনাক্ত এবং শনাক্তের হার কমেছে। একদিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নয় দিন পর দেশে মৃত্যুর সংখ্যা নব্বইয়ের নিচে নামল। আর দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা চার হাজারের নিচে নামল চার দিন পর। দেশে বৃহস্পতিবার ৯৮ জনের মৃত্যু ও ৪ হাজার ১৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সবমিলিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৬৯ জনে পৌঁছাল। ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৬২৯ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৭০৩ জন হলো। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৫ হাজার ২২৫ জন এক দিনে সুস্থ হয়েছেন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৬৭৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ। তা সাত লাখ পেরিয়ে যায় ১৪ এপ্রিল। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ৭ এপ্রিল রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। এর মধ্যে দুদিন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা তিন হাজারের ঘরে থাকলেও ১৯ থেকে ২২ এপ্রিল প্রতিদিনই শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজারের মধ্যে। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১৫ এপ্রিল তা দশ হাজার ছাড়িয়ে যায়। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে হাসপাতালে রোগীর যখন প্রচণ্ড চাপ, সে সময় ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের দিন প্রথমবারের মতো দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৯০ ছাড়ায়। এর দুদিনের মাথায় তা একশ ছাড়িয়ে যায়। ১৬ থেকে ১৯ এপ্রিল চার দিন দেশে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ছিল একশর বেশি। ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যু হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৩৪৯টি ল্যাবে ২৫ হাজার ৮৯৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৫৩ লাখ ৩ হাজার ৮টি নমুনা। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৮০টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ১৩ লাখ ৭০ হাজার ৯২৮টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

এক দিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৬২ জন পুরুষ আর নারী ২৬ জন। তাদের ৬৩ জন সরকারি হাসপাতালে ৩৪ জন বেসরকারি হাসপাতালে এবং একজনকে হাসপাতালে মৃত আনা হয়েছে।

এতে বলা হয়, মারা যাওয়াদের মধ্যে ৬০ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৫ জনের ৫১ থেকে ৬০ বছর, ছয়জনের ৪১ থেকে ৫০ বছর, ছয়জনের ৩১ থেকে ৪০ বছর এবং একজনের বয়স ১০ বছরের কম ছিল। মৃতদের মধ্যে ৫৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১৮ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, তিনজন করে রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও রংপুর বিভাগের এবং পাঁচজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ১০ হাজার ৮৬৯ জনের মধ্যে আট হাজার ১০ জনই পুরুষ এবং দুই হাজার ৮৫৯ জন নারী।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮৮ চিহ্নিত ৩৬২৯

নয় দিন পর নব্বইয়ের নিচে মৃত্যু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা নিম্নমুখী। কয়েকদিনের তুলনায় মৃত্যু, শনাক্ত এবং শনাক্তের হার কমেছে। একদিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নয় দিন পর দেশে মৃত্যুর সংখ্যা নব্বইয়ের নিচে নামল। আর দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা চার হাজারের নিচে নামল চার দিন পর। দেশে বৃহস্পতিবার ৯৮ জনের মৃত্যু ও ৪ হাজার ১৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সবমিলিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৬৯ জনে পৌঁছাল। ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৬২৯ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৭০৩ জন হলো। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৫ হাজার ২২৫ জন এক দিনে সুস্থ হয়েছেন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৬৭৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ। তা সাত লাখ পেরিয়ে যায় ১৪ এপ্রিল। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ৭ এপ্রিল রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। এর মধ্যে দুদিন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা তিন হাজারের ঘরে থাকলেও ১৯ থেকে ২২ এপ্রিল প্রতিদিনই শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজারের মধ্যে। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১৫ এপ্রিল তা দশ হাজার ছাড়িয়ে যায়। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে হাসপাতালে রোগীর যখন প্রচণ্ড চাপ, সে সময় ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের দিন প্রথমবারের মতো দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৯০ ছাড়ায়। এর দুদিনের মাথায় তা একশ ছাড়িয়ে যায়। ১৬ থেকে ১৯ এপ্রিল চার দিন দেশে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ছিল একশর বেশি। ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যু হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৩৪৯টি ল্যাবে ২৫ হাজার ৮৯৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৫৩ লাখ ৩ হাজার ৮টি নমুনা। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৮০টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ১৩ লাখ ৭০ হাজার ৯২৮টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

এক দিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৬২ জন পুরুষ আর নারী ২৬ জন। তাদের ৬৩ জন সরকারি হাসপাতালে ৩৪ জন বেসরকারি হাসপাতালে এবং একজনকে হাসপাতালে মৃত আনা হয়েছে।

এতে বলা হয়, মারা যাওয়াদের মধ্যে ৬০ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৫ জনের ৫১ থেকে ৬০ বছর, ছয়জনের ৪১ থেকে ৫০ বছর, ছয়জনের ৩১ থেকে ৪০ বছর এবং একজনের বয়স ১০ বছরের কম ছিল। মৃতদের মধ্যে ৫৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১৮ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, তিনজন করে রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও রংপুর বিভাগের এবং পাঁচজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ১০ হাজার ৮৬৯ জনের মধ্যে আট হাজার ১০ জনই পুরুষ এবং দুই হাজার ৮৫৯ জন নারী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন