সর্বত্রই ঢিলেঢালা বালাই নেই স্বাস্থ্যবিধির
jugantor
‘লকডাউন’র দশম দিন
সর্বত্রই ঢিলেঢালা বালাই নেই স্বাস্থ্যবিধির

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’র দশম দিনে শুক্রবারও ঢিলেঢালাভাব দেখা গেছে। কড়াকড়ির ক্ষেত্রেও শিথিলভাব দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় প্রধান সড়কে যানবাহনের চাপ ছিল কম। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল বাড়তে থাকে। শহরের অলিগলি কিংবা আবাসিক এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের বাধাহীনভাবে চলাচল করতে দেখা গেছে। ভিড় দেখা গেছে কাঁচাবাজারগুলো ঘিরে। যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই ছিল না।

রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, ধানমন্ডি, পান্থপথ, রাজাবাজার, ফার্মগেট, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, জুরাইন, শ্যামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মূল সড়কের চেয়ে অলিগলিতে মানুষের ভিড় ছিল বেশি। সকালের দিকে বাজারকেন্দ্রিক ভিড় বেশি ছিল। গলির মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানে আড্ডায় দেখা গেছে তরুণ-বৃদ্ধদের। পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোও ছিল খোলা। পান্থপথে কথা হয় কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে। তারা জানান, কাঁচাবাজার ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী কিনতে বের হয়েছিলেন। বাজারে যাব তাই মুভমেন্ট পাশ নেইনি। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডে পুলিশ সদস্য ইলিয়াস বলেন, বিভিন্ন প্রয়োজনে যারা বের হচ্ছেন তাদের যাচাই করে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। মুভমেন্ট পাশ কমই পাচ্ছি। অনেকেই বুঝতে পারেন না কীভাবে পাশ নিতে হয়। ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের পাশে কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছিলেন। তাদের একজন রাকিব হাসান জানালেন, পাশের গলিতেই তাদের বাসা। সারা দিন বাসায় বসে ভালো লাগে না তাই বাইরে বের হয়েছেন।

ছুটির দিন হওয়ায় শাক-সবজি কিনতে জুরাইন বাজারে গিয়েছিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা রফিকুল হক। তিনি জানান, অন্যান্য বাজার আগেই করা ছিল। শুক্রবার শুধু সাপ্তাহিক বাজার করতে বেরিয়েছি। কিন্তু বাজারে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। রাজধানীর বৃহত্তম কাঁচাবাজার শ্যামবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে স্বাস্থ্যবিধি ছিল উপেক্ষিত।

সামাজিক দূরত্বের বালাই না থাকলেও অনেকে মাস্কও পরছেন না। আবার যারা বাজারে যাচ্ছেন তাদের সবাই বাজার করছেন না। অকারণেই অনেকে ঘোরাঘুরি করছেন।

সকালে মালিবাগ হাজীপাড়ার বৌ-বাজারে গিয়েও দেখা যায় মানুষের ভিড়। একজন আরেকজনের গা-ঘেঁষে চলাচল করছেন। আবার যারা বাজার করছেন তারাও দোকানের সামনে গা-ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যেন করোনা নিয়ে কারও মধ্যে কোনো দুশ্চিন্তা নেই।

বাজারের মাছ ব্যবসায়ী মো. সেলিম বলেন, এ বাজারে তুলনামূলক কম দামে পণ্য পাওয়া যায়। তাই মানুষের ভিড় একটু বেশি থাকে। মানুষের ভিড় হলেও এ বাজারের কোনো ব্যবসায়ী করোনা আক্রান্ত হননি।

মিরপুর-১ নম্বর কাঁচাবাজারে তেলাপোকা-ছারপোকা মারার ওষুধ বিক্রি করেন মো. আসাদ মামুন। তিনি বলেন, আমি প্রত্যেক দিন এখানে ওষুধ বিক্রি করি। সরকার লকডাউন দিয়েছে, কিন্তু কোনোদিনও এখানে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখিনি। এ বাজারে সব সময়ই মানুষের ভিড়। উপচে পড়া ভিড়।

এদিকে লকডাউন বাস্তবায়নে ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপর দেখা যায়। তবে এদিন চেকপোস্ট অনেক কম দেখা গেছে। বিভিন্ন সড়ক ও মোড়ে মোড়ে ছিল পুলিশের অবস্থান। দুপুরের পর রাস্তায় প্রচুর ব্যক্তিগত গাড়ি রাস্তায় দেখা গেছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চলাচলও ছিল বেশি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে তেমন কঠোর হতে দেখা যায়নি।

শাহবাগ, নিউমার্কেট, আজিমপুর, তেজগাঁও, কাওরান বাজার, রমনা এলাকায় তেমন চেকপোস্ট চোখে পড়েনি। তবে এসব সড়কে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান দেখা গেছে। বিধিনিষেধের আওতামুক্ত পরিবহণ ও ব্যক্তিবিশেষকে আগে সড়কে নানা ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হলেও এদিন মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে তেমন কঠোর হতে দেখা যায়নি পুলিশকে। তবে সন্দেহভাজন যানবাহন থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যথাযথ উত্তর দিতে না পারলেই মামলা দিতে দেখা যায়। জানতে চাইলে পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কশিনার জাহিদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে পুলিশ প্রতিদিনের ন্যায় তৎপর ছিল। আমরা জনগণনকেও অনুরোধ করব, প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যেতে। জরুরি প্রয়োজনে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে।

লকডাউন বাস্তবায়নে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী : লকডাউন বাস্তবায়নে ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ছিল শুক্রবারেও। তবে এদিন চেকপোস্ট অনেকটা কম দেখা গেছে। বিভিন্ন সড়ক ও মোড়ে মোড়ে ছিল পুলিশের অবস্থান। এদিন রাস্তায় প্রচুর ব্যক্তিগত যান চলাচল দেখা গেছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চলাচলও ছিল বেশি। তবে ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জেরার মুখে পড়তে হয়েছে।

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে কঠোর লকডাউন চলছে। শুরুর ৩ দিন অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের। শনিবার শাহবাগ, নিউমার্কেট, আজিমপুর, তেজগাঁও, কাওরান বাজার, রমনা এলাকায় সেভাবে চেকপোস্ট চোখে পড়েনি। তবে এসব সড়কে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান দেখা গেছে।

শুক্রবার সকাল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যানবাহন ও মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। যানবাহনে পুলিশের তল্লাশি অব্যাহত ছিল। বিধিনিষেধের আওতামুক্ত পরিবহণ ও ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের সড়কে নানা ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। সন্দেহভাজন যানবাহন থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যথাযথ উত্তর দিতে না পারলেই দেয়া হয় মামলা।

পাড়া-মহল্লায় মানুষের উপস্থিতি ছিল অনেক। ইফতারের আগে বিভিন্ন সময় অলিগলিতে যথারীতি ভিড় ছিল মানুষের। বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কাঁচাবাজারও ছিল খোলা। সবাইকে যথাযথ স্বাস্থবিধি ও মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। পাড়া-মহল্লায় পুলিশের উল্লেখযোগ্য তৎপরতা ছিল না।

পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কশিনার জাহিদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে পুলিশ প্রতিদিনের ন্যায় তৎপর ছিল। আমরা জনগণনকেও অনুরোধ করব, প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যেতে। জরুরি প্রয়োজনে বের হলে অবশ্যই পরিধান করতে।

‘লকডাউন’র দশম দিন

সর্বত্রই ঢিলেঢালা বালাই নেই স্বাস্থ্যবিধির

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’র দশম দিনে শুক্রবারও ঢিলেঢালাভাব দেখা গেছে। কড়াকড়ির ক্ষেত্রেও শিথিলভাব দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় প্রধান সড়কে যানবাহনের চাপ ছিল কম। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল বাড়তে থাকে। শহরের অলিগলি কিংবা আবাসিক এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের বাধাহীনভাবে চলাচল করতে দেখা গেছে। ভিড় দেখা গেছে কাঁচাবাজারগুলো ঘিরে। যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই ছিল না।

রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, ধানমন্ডি, পান্থপথ, রাজাবাজার, ফার্মগেট, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, জুরাইন, শ্যামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মূল সড়কের চেয়ে অলিগলিতে মানুষের ভিড় ছিল বেশি। সকালের দিকে বাজারকেন্দ্রিক ভিড় বেশি ছিল। গলির মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানে আড্ডায় দেখা গেছে তরুণ-বৃদ্ধদের। পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোও ছিল খোলা। পান্থপথে কথা হয় কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে। তারা জানান, কাঁচাবাজার ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী কিনতে বের হয়েছিলেন। বাজারে যাব তাই মুভমেন্ট পাশ নেইনি। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডে পুলিশ সদস্য ইলিয়াস বলেন, বিভিন্ন প্রয়োজনে যারা বের হচ্ছেন তাদের যাচাই করে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। মুভমেন্ট পাশ কমই পাচ্ছি। অনেকেই বুঝতে পারেন না কীভাবে পাশ নিতে হয়। ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের পাশে কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছিলেন। তাদের একজন রাকিব হাসান জানালেন, পাশের গলিতেই তাদের বাসা। সারা দিন বাসায় বসে ভালো লাগে না তাই বাইরে বের হয়েছেন।

ছুটির দিন হওয়ায় শাক-সবজি কিনতে জুরাইন বাজারে গিয়েছিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা রফিকুল হক। তিনি জানান, অন্যান্য বাজার আগেই করা ছিল। শুক্রবার শুধু সাপ্তাহিক বাজার করতে বেরিয়েছি। কিন্তু বাজারে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। রাজধানীর বৃহত্তম কাঁচাবাজার শ্যামবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে স্বাস্থ্যবিধি ছিল উপেক্ষিত।

সামাজিক দূরত্বের বালাই না থাকলেও অনেকে মাস্কও পরছেন না। আবার যারা বাজারে যাচ্ছেন তাদের সবাই বাজার করছেন না। অকারণেই অনেকে ঘোরাঘুরি করছেন।

সকালে মালিবাগ হাজীপাড়ার বৌ-বাজারে গিয়েও দেখা যায় মানুষের ভিড়। একজন আরেকজনের গা-ঘেঁষে চলাচল করছেন। আবার যারা বাজার করছেন তারাও দোকানের সামনে গা-ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যেন করোনা নিয়ে কারও মধ্যে কোনো দুশ্চিন্তা নেই।

বাজারের মাছ ব্যবসায়ী মো. সেলিম বলেন, এ বাজারে তুলনামূলক কম দামে পণ্য পাওয়া যায়। তাই মানুষের ভিড় একটু বেশি থাকে। মানুষের ভিড় হলেও এ বাজারের কোনো ব্যবসায়ী করোনা আক্রান্ত হননি।

মিরপুর-১ নম্বর কাঁচাবাজারে তেলাপোকা-ছারপোকা মারার ওষুধ বিক্রি করেন মো. আসাদ মামুন। তিনি বলেন, আমি প্রত্যেক দিন এখানে ওষুধ বিক্রি করি। সরকার লকডাউন দিয়েছে, কিন্তু কোনোদিনও এখানে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখিনি। এ বাজারে সব সময়ই মানুষের ভিড়। উপচে পড়া ভিড়।

এদিকে লকডাউন বাস্তবায়নে ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপর দেখা যায়। তবে এদিন চেকপোস্ট অনেক কম দেখা গেছে। বিভিন্ন সড়ক ও মোড়ে মোড়ে ছিল পুলিশের অবস্থান। দুপুরের পর রাস্তায় প্রচুর ব্যক্তিগত গাড়ি রাস্তায় দেখা গেছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চলাচলও ছিল বেশি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে তেমন কঠোর হতে দেখা যায়নি।

শাহবাগ, নিউমার্কেট, আজিমপুর, তেজগাঁও, কাওরান বাজার, রমনা এলাকায় তেমন চেকপোস্ট চোখে পড়েনি। তবে এসব সড়কে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান দেখা গেছে। বিধিনিষেধের আওতামুক্ত পরিবহণ ও ব্যক্তিবিশেষকে আগে সড়কে নানা ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হলেও এদিন মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে তেমন কঠোর হতে দেখা যায়নি পুলিশকে। তবে সন্দেহভাজন যানবাহন থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যথাযথ উত্তর দিতে না পারলেই মামলা দিতে দেখা যায়। জানতে চাইলে পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কশিনার জাহিদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে পুলিশ প্রতিদিনের ন্যায় তৎপর ছিল। আমরা জনগণনকেও অনুরোধ করব, প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যেতে। জরুরি প্রয়োজনে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে।

লকডাউন বাস্তবায়নে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী : লকডাউন বাস্তবায়নে ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ছিল শুক্রবারেও। তবে এদিন চেকপোস্ট অনেকটা কম দেখা গেছে। বিভিন্ন সড়ক ও মোড়ে মোড়ে ছিল পুলিশের অবস্থান। এদিন রাস্তায় প্রচুর ব্যক্তিগত যান চলাচল দেখা গেছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চলাচলও ছিল বেশি। তবে ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জেরার মুখে পড়তে হয়েছে।

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে কঠোর লকডাউন চলছে। শুরুর ৩ দিন অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের। শনিবার শাহবাগ, নিউমার্কেট, আজিমপুর, তেজগাঁও, কাওরান বাজার, রমনা এলাকায় সেভাবে চেকপোস্ট চোখে পড়েনি। তবে এসব সড়কে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান দেখা গেছে।

শুক্রবার সকাল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যানবাহন ও মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। যানবাহনে পুলিশের তল্লাশি অব্যাহত ছিল। বিধিনিষেধের আওতামুক্ত পরিবহণ ও ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের সড়কে নানা ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। সন্দেহভাজন যানবাহন থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যথাযথ উত্তর দিতে না পারলেই দেয়া হয় মামলা।

পাড়া-মহল্লায় মানুষের উপস্থিতি ছিল অনেক। ইফতারের আগে বিভিন্ন সময় অলিগলিতে যথারীতি ভিড় ছিল মানুষের। বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কাঁচাবাজারও ছিল খোলা। সবাইকে যথাযথ স্বাস্থবিধি ও মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। পাড়া-মহল্লায় পুলিশের উল্লেখযোগ্য তৎপরতা ছিল না।

পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কশিনার জাহিদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে পুলিশ প্রতিদিনের ন্যায় তৎপর ছিল। আমরা জনগণনকেও অনুরোধ করব, প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যেতে। জরুরি প্রয়োজনে বের হলে অবশ্যই পরিধান করতে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন