দেশে মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত
jugantor
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬১ চিহ্নিত ১৯১৪
দেশে মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যু কিছুটা কমলেও বেড়েছে সংক্রমণ। ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিন মারা গেছেন ৬৫ জন। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৭০৫ জনে। এক দিনে নতুন শনাক্ত হয়েছে আরও এক হাজার ৯১৪ জন। সোমবার শনাক্ত হয়েছিল এক হাজার ৭৩৯ জন। সব মিলিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৬। দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন তিন হাজার ৮৭০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ছয় লাখ ৯৫ হাজার ৩২ জন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ৭ এপ্রিল রেকর্ড সাত হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ২৫ এপ্রিল তা ১১ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪২০টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১২৪টি, জিন এক্সপার্ট ৩৪টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ২৬২টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২১ হাজার ৯১৪টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২১ হাজার ৯৮৪টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৪টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, সুস্থতার হার ৯০ দশমিক ৭৮ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫৩ শতাংশ। মারা যাওয়াদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ ও ২৫ জন নারী। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৩ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১৬ জন। আর বাড়িতে মারা গেছেন দুজন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮ জন, রাজশাহী বিভাগে সাতজন, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর বিভাগে দুজন করে ছয়জন। এ ছাড়া খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে দুজন রয়েছেন। মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ৪৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৪০৮ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৫০৫ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন এক লাখ ২৪ হাজার ৩১৪ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন এক লাখ পাঁচ হাজার ৩১৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৯ হাজার ২৩৪ জন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬১ চিহ্নিত ১৯১৪

দেশে মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যু কিছুটা কমলেও বেড়েছে সংক্রমণ। ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিন মারা গেছেন ৬৫ জন। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৭০৫ জনে। এক দিনে নতুন শনাক্ত হয়েছে আরও এক হাজার ৯১৪ জন। সোমবার শনাক্ত হয়েছিল এক হাজার ৭৩৯ জন। সব মিলিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৬। দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন তিন হাজার ৮৭০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ছয় লাখ ৯৫ হাজার ৩২ জন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ৭ এপ্রিল রেকর্ড সাত হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ২৫ এপ্রিল তা ১১ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪২০টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১২৪টি, জিন এক্সপার্ট ৩৪টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ২৬২টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২১ হাজার ৯১৪টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২১ হাজার ৯৮৪টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৪টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, সুস্থতার হার ৯০ দশমিক ৭৮ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫৩ শতাংশ। মারা যাওয়াদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ ও ২৫ জন নারী। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৩ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১৬ জন। আর বাড়িতে মারা গেছেন দুজন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮ জন, রাজশাহী বিভাগে সাতজন, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর বিভাগে দুজন করে ছয়জন। এ ছাড়া খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে দুজন রয়েছেন। মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ৪৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৪০৮ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৫০৫ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন এক লাখ ২৪ হাজার ৩১৪ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন এক লাখ পাঁচ হাজার ৩১৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৯ হাজার ২৩৪ জন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন