করোনায় মৃত্যু ৪১, শনাক্ত ১৮২২
jugantor
করোনায় মৃত্যু ৪১, শনাক্ত ১৮২২

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যু নিুমুখী। ৫ সপ্তাহ পর ৫০-এর নিচে নেমেছে মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ এরচেয়ে কম মৃত্যু হয়েছিল ২৮ মার্চ। সেদিন ৩৫ জন মারা যান। আগের দিন মারা যান ৫০ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ৭৯৬-এ পৌঁছেছে। একদিনে নতুন করে আরও ১ হাজার ৮২২ জনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৭৪২ জন। সবমিলিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৬০ জনে। সরকারি হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে একদিনে সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৬৯৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ২ হাজার ১৬৩ জন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছর ৮ মার্চ। এ বছর ২৭ এপ্রিল তা সাড়ে ৭ লাখ পেরিয়ে যায়। আর ৭ এপ্রিল রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হন। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১ মে তা সাড়ে ১১ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যু হয়। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ৩৩তম স্থানে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩৭তম অবস্থানে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৪২৮টি ল্যাবে ২১ হাজার ৫৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৫৫ লাখ ৮২ হাজার ২৬৩টি নমুনা। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪১ লাখ ৬ হাজার ৭২৫টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৩৮টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের ২২ জন পুরুষ আর নারী ১৯ জন। তাদের ২৬ জন সরকারি হাসপাতালে, ১৪ জন বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। বাসায় মারা গেছেন একজন। তাদের মধ্যে ২৪ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৫ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং দুজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল। মৃতদের মধ্যে ২০ জন ঢাকা বিভাগের, ১৪ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুজন রাজশাহী বিভাগের, একজন খুলনা বিভাগের, দুজন বরিশাল বিভাগের এবং দুজন সিলেট বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এ পর্যন্ত মৃত ১১ হাজার ৭৯৬ জনের মধ্যে ৮ হাজার ৫৬৬ জন পুরুষ এবং ৩ হাজার ২৩০ জন নারী।

করোনায় মৃত্যু ৪১, শনাক্ত ১৮২২

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যু নিুমুখী। ৫ সপ্তাহ পর ৫০-এর নিচে নেমেছে মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ এরচেয়ে কম মৃত্যু হয়েছিল ২৮ মার্চ। সেদিন ৩৫ জন মারা যান। আগের দিন মারা যান ৫০ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ৭৯৬-এ পৌঁছেছে। একদিনে নতুন করে আরও ১ হাজার ৮২২ জনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৭৪২ জন। সবমিলিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৬০ জনে। সরকারি হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে একদিনে সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৬৯৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ২ হাজার ১৬৩ জন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছর ৮ মার্চ। এ বছর ২৭ এপ্রিল তা সাড়ে ৭ লাখ পেরিয়ে যায়। আর ৭ এপ্রিল রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হন। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১ মে তা সাড়ে ১১ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যু হয়। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ৩৩তম স্থানে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩৭তম অবস্থানে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৪২৮টি ল্যাবে ২১ হাজার ৫৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৫৫ লাখ ৮২ হাজার ২৬৩টি নমুনা। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪১ লাখ ৬ হাজার ৭২৫টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৩৮টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের ২২ জন পুরুষ আর নারী ১৯ জন। তাদের ২৬ জন সরকারি হাসপাতালে, ১৪ জন বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। বাসায় মারা গেছেন একজন। তাদের মধ্যে ২৪ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৫ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং দুজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল। মৃতদের মধ্যে ২০ জন ঢাকা বিভাগের, ১৪ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুজন রাজশাহী বিভাগের, একজন খুলনা বিভাগের, দুজন বরিশাল বিভাগের এবং দুজন সিলেট বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এ পর্যন্ত মৃত ১১ হাজার ৭৯৬ জনের মধ্যে ৮ হাজার ৫৬৬ জন পুরুষ এবং ৩ হাজার ২৩০ জন নারী।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন