অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমছে ২৩ হাজার কোটি টাকা
jugantor
প্রস্তাবিত বাজেটে কৃচ্ছ্রসাধন
অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমছে ২৩ হাজার কোটি টাকা
চাকরিজীবীদের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণসহ পাঁচ খাতে এক টাকাও বরাদ্দ নেই

  মিজান চৌধুরী  

০৬ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার ২৩ হাজার ২০৮ কোটি টাকার অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় কৃচ্ছ সাধনের লক্ষ্যে ১৮টি খাতে এ বরাদ্দ কমানো হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-ভর্তুকি, চাকরিজীবীদের আবাসন সংস্কার ও আবাসন স্থাপন, কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণ ঋণ, মনিহারি ও খাদ্যদ্রব্য খাত।

চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরে এসব খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। মূলত ব্যয় সংকোচন নীতির আলোকে সাশ্রয়কৃত এসব অর্থ অধিক গুরুত্বপূর্ণ খাতে খরচ করা হবে। ৩০ জুন বাজেট পাশ হওয়ার মধ্য দিয়ে এটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হবে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, মহামারির সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় চারটি প্রধান কৌশল অবলম্বনের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর প্রথমটি হচ্ছে সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে কর্মসৃজনকে প্রাধান্য এবং বিলাসী ব্যয় নিরুৎসাহিত করা। সে অনুযায়ী বাজেট পরিকল্পনা করা হয়েছে।

চলমান করোনা মহামারির কারণে সরকারের ৫টি খাতে এক টাকাও বরাদ্দ রাখা হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি চাকরিজীবীদের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ খাত, অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ ও বদলি, বৈদেশিক ভ্রমণ ও বদলি, রপ্তানি খাতে ভর্তুকি এবং পুরাকীর্তি, স্মৃতিসৌধ, প্রত্নতাত্ত্বিক, ঐতিহাসিক স্থান ও ভবন। লকডাউন ও করোনার কারণে বিগত সময়ে সব ধরনের প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখা হয়। এবারও অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের সুযোগ রাখা হচ্ছে না। অন্য খাতগুলোয় করোনার বিরূপ প্রভাবে কাজ করার কোনো ধরনের সুযোগ থাকছে না। ফলে এই উল্লেখযোগ্য ৫টি খাতে বরাদ্দ রাখা হয়নি।

প্রস্তাবিত বাজেটে যেসব খাতে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাস করা হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে ঋণ দেওয়া কার্যক্রম। এই মুহূর্তে ১০৩টি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে ঋণ হিসাবে অর্থ দেওয়া হয় বাজেট থেকে। চলতি বছরেও ঋণ পেয়েছে ২২ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। কৃচ্ছ সাধন কর্মসূচিতে সরকার এদিকে নজর দিয়েছে। আগামী অর্থবছরে তাদের ঋণদান কার্যক্রমকে সংকোচিত করা হয়েছে। ফলে প্রস্তাবিত বাজেটে ৭ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ কমিয়ে ঋণ দেওয়া হবে ১৪ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকার।

দ্বিতীয় বরাদ্দ কমানো হয়েছে সরকারি স্থাপনার ক্ষেত্রে। স্থাপনা গড়ে তোলা এবং নির্মাণে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে এই করোনাকালীন। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী অর্থবছরেও করোনার প্রাদুর্ভাব থাকবে। এসব দিকে বিবেচনা করে এ খাতে ৪ হাজার ৩১১ কোটি টাকা বরাদ্দ কমানো হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে স্থাপনা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরে ছিল ৫১ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা।

কৃচ্ছ সাধনের আওতায় তৃতীয় বরাদ্দ কমানো হয়েছে ‘অন্যান্য ভর্তুকিতে’। এক্ষেত্রে ৩ হাজার ১৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ কমিয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে ১৯ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা রাখা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরে ছিল ২২ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ভর্তুকি সংস্কৃতি থেকে সরকার ধীরে ধীরে বের হয়ে আসছে। এর একটি বড় কারণ অনেক অপচয় ও অপব্যবহার। এছাড়া করোনাকালীন ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। এছাড়া রপ্তানিতে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন অর্থবছরে কিছু খাতে বরাদ্দ কমিয়ে আনা হয়েছে।

ব্যয় সংকোচনের অন্য খাতগুলোর মধ্যে চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসা সামগ্রী কেনাকাটায় ২ হাজার ৭১ কোটি টাকা, ঋণের অনির্দিষ্ট সুদ খাতে ১ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা, খাদ্যদ্রব্য খাতে ১ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা, সরকারি চাকরিজীবীদের ভবিষ্যতহবিলের সুদ খাতে ১ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য প্রণোদনায় ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ কমছে। এছাড়া সাধারণ সরবরাহ ও কাঁচামালসামগ্রী খাতে ২৯২ কোটি, বসবাস ব্যতীত ভিন্ন ভবন খাতে ২২৯ কোটি, খাদ্য সরবরাহে ৮৪ কোটি, মূলধনি অনুদানে ৭৩ কোটি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঋণে ৬৯ কোটি, মুদ্রণ ও মনিহারিতে ৪৭ কোটি, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাসামগ্রীতে ২৩ কোটি, তালিকাভুক্ত ত্রাণসামগ্রীতে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ কমছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ ও নিরাপত্তাসামগ্রীতে কমছে ৩ কোটি টাকা।

উল্লিখিত খাতে ব্যয় কমলেও সার্বিকভাবে সরকারের পরিচালনা ব্যয়ের মধ্যে আবর্তক ও মূলধনি ব্যয় বেড়েছে। আর এ পরিস্থিতির কারণে প্রস্তাবিত বাজেটের ঘাটতির পরিমাণ এবারই প্রথম জিডিপির ৬ শতাংশের ওপর চলে গেছে।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, বছরের শুরুতে কিছু ব্যয় কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত বাজেট পাশ হওয়ার পর বছরের মাঝামাঝি যখন সংশোধন করা হবে, ওই সময় আরও ব্যয় কমানো হবে। সরকারের মূল লক্ষ্য বা অগ্রাধিকার হচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে। যে কারণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কিছু কিছু খাতে বরাদ্দ কমিয়ে সেটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে কৃচ্ছ্রসাধন

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমছে ২৩ হাজার কোটি টাকা

চাকরিজীবীদের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণসহ পাঁচ খাতে এক টাকাও বরাদ্দ নেই
 মিজান চৌধুরী 
০৬ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার ২৩ হাজার ২০৮ কোটি টাকার অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় কৃচ্ছ সাধনের লক্ষ্যে ১৮টি খাতে এ বরাদ্দ কমানো হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-ভর্তুকি, চাকরিজীবীদের আবাসন সংস্কার ও আবাসন স্থাপন, কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণ ঋণ, মনিহারি ও খাদ্যদ্রব্য খাত।

চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরে এসব খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। মূলত ব্যয় সংকোচন নীতির আলোকে সাশ্রয়কৃত এসব অর্থ অধিক গুরুত্বপূর্ণ খাতে খরচ করা হবে। ৩০ জুন বাজেট পাশ হওয়ার মধ্য দিয়ে এটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হবে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, মহামারির সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় চারটি প্রধান কৌশল অবলম্বনের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর প্রথমটি হচ্ছে সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে কর্মসৃজনকে প্রাধান্য এবং বিলাসী ব্যয় নিরুৎসাহিত করা। সে অনুযায়ী বাজেট পরিকল্পনা করা হয়েছে।

চলমান করোনা মহামারির কারণে সরকারের ৫টি খাতে এক টাকাও বরাদ্দ রাখা হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি চাকরিজীবীদের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ খাত, অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ ও বদলি, বৈদেশিক ভ্রমণ ও বদলি, রপ্তানি খাতে ভর্তুকি এবং পুরাকীর্তি, স্মৃতিসৌধ, প্রত্নতাত্ত্বিক, ঐতিহাসিক স্থান ও ভবন। লকডাউন ও করোনার কারণে বিগত সময়ে সব ধরনের প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখা হয়। এবারও অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের সুযোগ রাখা হচ্ছে না। অন্য খাতগুলোয় করোনার বিরূপ প্রভাবে কাজ করার কোনো ধরনের সুযোগ থাকছে না। ফলে এই উল্লেখযোগ্য ৫টি খাতে বরাদ্দ রাখা হয়নি।

প্রস্তাবিত বাজেটে যেসব খাতে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাস করা হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে ঋণ দেওয়া কার্যক্রম। এই মুহূর্তে ১০৩টি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে ঋণ হিসাবে অর্থ দেওয়া হয় বাজেট থেকে। চলতি বছরেও ঋণ পেয়েছে ২২ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। কৃচ্ছ সাধন কর্মসূচিতে সরকার এদিকে নজর দিয়েছে। আগামী অর্থবছরে তাদের ঋণদান কার্যক্রমকে সংকোচিত করা হয়েছে। ফলে প্রস্তাবিত বাজেটে ৭ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ কমিয়ে ঋণ দেওয়া হবে ১৪ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকার।

দ্বিতীয় বরাদ্দ কমানো হয়েছে সরকারি স্থাপনার ক্ষেত্রে। স্থাপনা গড়ে তোলা এবং নির্মাণে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে এই করোনাকালীন। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী অর্থবছরেও করোনার প্রাদুর্ভাব থাকবে। এসব দিকে বিবেচনা করে এ খাতে ৪ হাজার ৩১১ কোটি টাকা বরাদ্দ কমানো হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে স্থাপনা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরে ছিল ৫১ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা।

কৃচ্ছ সাধনের আওতায় তৃতীয় বরাদ্দ কমানো হয়েছে ‘অন্যান্য ভর্তুকিতে’। এক্ষেত্রে ৩ হাজার ১৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ কমিয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে ১৯ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা রাখা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরে ছিল ২২ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ভর্তুকি সংস্কৃতি থেকে সরকার ধীরে ধীরে বের হয়ে আসছে। এর একটি বড় কারণ অনেক অপচয় ও অপব্যবহার। এছাড়া করোনাকালীন ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। এছাড়া রপ্তানিতে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন অর্থবছরে কিছু খাতে বরাদ্দ কমিয়ে আনা হয়েছে।

ব্যয় সংকোচনের অন্য খাতগুলোর মধ্যে চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসা সামগ্রী কেনাকাটায় ২ হাজার ৭১ কোটি টাকা, ঋণের অনির্দিষ্ট সুদ খাতে ১ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা, খাদ্যদ্রব্য খাতে ১ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা, সরকারি চাকরিজীবীদের ভবিষ্যতহবিলের সুদ খাতে ১ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য প্রণোদনায় ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ কমছে। এছাড়া সাধারণ সরবরাহ ও কাঁচামালসামগ্রী খাতে ২৯২ কোটি, বসবাস ব্যতীত ভিন্ন ভবন খাতে ২২৯ কোটি, খাদ্য সরবরাহে ৮৪ কোটি, মূলধনি অনুদানে ৭৩ কোটি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঋণে ৬৯ কোটি, মুদ্রণ ও মনিহারিতে ৪৭ কোটি, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাসামগ্রীতে ২৩ কোটি, তালিকাভুক্ত ত্রাণসামগ্রীতে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ কমছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ ও নিরাপত্তাসামগ্রীতে কমছে ৩ কোটি টাকা।

উল্লিখিত খাতে ব্যয় কমলেও সার্বিকভাবে সরকারের পরিচালনা ব্যয়ের মধ্যে আবর্তক ও মূলধনি ব্যয় বেড়েছে। আর এ পরিস্থিতির কারণে প্রস্তাবিত বাজেটের ঘাটতির পরিমাণ এবারই প্রথম জিডিপির ৬ শতাংশের ওপর চলে গেছে।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, বছরের শুরুতে কিছু ব্যয় কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত বাজেট পাশ হওয়ার পর বছরের মাঝামাঝি যখন সংশোধন করা হবে, ওই সময় আরও ব্যয় কমানো হবে। সরকারের মূল লক্ষ্য বা অগ্রাধিকার হচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে। যে কারণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কিছু কিছু খাতে বরাদ্দ কমিয়ে সেটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন