চীন থেকে এসেছে আরও ৬ লাখ ডোজ টিকা
jugantor
চীন থেকে এসেছে আরও ৬ লাখ ডোজ টিকা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৪ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চীন সরকারের উপহার সিনোফার্মের ৬ লাখ ডোজ কোভিড-১৯ টিকা বাংলাদেশে পৌঁছেছে। রোববার বিকাল সাড়ে ৫টায় বিমান বাহিনীর দুটি সি-১৩০ উড়োজাহাজ ঢাকার বঙ্গবন্ধু বিমান ঘাঁটিতে নামে। এ নিয়ে সিনোফার্মের তৈরি ১১ লাখ ডোজ টিকা উপহার পেল বাংলাদেশ। এ দিয়ে সাড়ে ৫ লাখ মানুষকে করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা দেওয়া যাবে। এর আগে গত ১২ মে প্রথম চালানে পাঁচ লাখ ডোজ টিকা এসেছিল চীন থেকে।

টিকা নিতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএএইচ অপারেশনাল প্ল্যানের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক, ইপিআইয়ের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মাওলা বক্স। এ সময় ডা. শামসুল হক জানান, এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখতে হয়। এজন্য ইপিআইয়ের কোল্ড স্টোরেজে নিয়ে রাখা হবে। এসব টিকা অগ্রাধিকার তালিকায় মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে। এই মুহূর্তে মেডিকেল, নার্সিং, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আছেন। কিন্তু এরা সংখ্যায় এত বেশি নয়। এছাড়া বিভিন্ন এক্সপোর্ট জোন, বিশেষ প্রকল্পে যারা কাজ করছেন তারাও আছেন অগ্রাধিকার তালিকায়। অগ্রাধিকার তালিকায় আগে ছিলেন কিন্তু বাদ পড়েছেন, এমন জনগোষ্ঠীকেও এই টিকা দেওয়া হবে।

ডা. শামসুল হক বলেন, এই চালানে ৬ লাখ ডোজ টিকা ছাড়াও সিরিঞ্জ, ভেন্টিলেটর, মাস্কসহ আরও কিছু উপহার এসেছে। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির দেওয়া কিছু সুরক্ষা সামগ্রীও একই উড়োজাহাজে এসেছে।

এদিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এই টিকা আনতে শনিবার বিমান বাহিনীর দুটি সি-১৩০ পরিবহণ বিমান চীনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বিমান বাহিনীর ২৬ জন ক্রু এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের একজন প্রতিনিধি টিকা ও অন্যান্য সামগ্রী আনতে সে দেশে যান।

প্রসঙ্গত, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টিকার মাধ্যমে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে গণটিকাদান শুরু হয়। সেরাম থেকে ৩ কোটি ডোজ টিকা কেনার চুক্তি হয়। এমনকি অগ্রিম টাকাও পরিশোধ করা হয়। কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে টিকা রপ্তানি বন্ধ করায় চুক্তি অনুযায়ী টিকা পায়নি বাংলাদেশ। দুই চালানে ৩ কোটি ডোজের মধ্যে মাত্র বাংলাদেশে ৭০ লাখ দেশে আসে। এরপর সরকার টিকার জন্য চীন, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। এরই ফলশ্রুতিতে চীন থেকে উপহার হিসাবে এ পর্যন্ত মোট ১১ লাখ টিকা পাওয়া গেছে, যা গত ২৫ মে প্রথম প্রয়োগ শুরু হয়।

চীন থেকে এসেছে আরও ৬ লাখ ডোজ টিকা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৪ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চীন সরকারের উপহার সিনোফার্মের ৬ লাখ ডোজ কোভিড-১৯ টিকা বাংলাদেশে পৌঁছেছে। রোববার বিকাল সাড়ে ৫টায় বিমান বাহিনীর দুটি সি-১৩০ উড়োজাহাজ ঢাকার বঙ্গবন্ধু বিমান ঘাঁটিতে নামে। এ নিয়ে সিনোফার্মের তৈরি ১১ লাখ ডোজ টিকা উপহার পেল বাংলাদেশ। এ দিয়ে সাড়ে ৫ লাখ মানুষকে করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা দেওয়া যাবে। এর আগে গত ১২ মে প্রথম চালানে পাঁচ লাখ ডোজ টিকা এসেছিল চীন থেকে।

টিকা নিতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএএইচ অপারেশনাল প্ল্যানের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক, ইপিআইয়ের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মাওলা বক্স। এ সময় ডা. শামসুল হক জানান, এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখতে হয়। এজন্য ইপিআইয়ের কোল্ড স্টোরেজে নিয়ে রাখা হবে। এসব টিকা অগ্রাধিকার তালিকায় মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে। এই মুহূর্তে মেডিকেল, নার্সিং, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আছেন। কিন্তু এরা সংখ্যায় এত বেশি নয়। এছাড়া বিভিন্ন এক্সপোর্ট জোন, বিশেষ প্রকল্পে যারা কাজ করছেন তারাও আছেন অগ্রাধিকার তালিকায়। অগ্রাধিকার তালিকায় আগে ছিলেন কিন্তু বাদ পড়েছেন, এমন জনগোষ্ঠীকেও এই টিকা দেওয়া হবে।

ডা. শামসুল হক বলেন, এই চালানে ৬ লাখ ডোজ টিকা ছাড়াও সিরিঞ্জ, ভেন্টিলেটর, মাস্কসহ আরও কিছু উপহার এসেছে। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির দেওয়া কিছু সুরক্ষা সামগ্রীও একই উড়োজাহাজে এসেছে।

এদিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এই টিকা আনতে শনিবার বিমান বাহিনীর দুটি সি-১৩০ পরিবহণ বিমান চীনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বিমান বাহিনীর ২৬ জন ক্রু এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের একজন প্রতিনিধি টিকা ও অন্যান্য সামগ্রী আনতে সে দেশে যান।

প্রসঙ্গত, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টিকার মাধ্যমে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে গণটিকাদান শুরু হয়। সেরাম থেকে ৩ কোটি ডোজ টিকা কেনার চুক্তি হয়। এমনকি অগ্রিম টাকাও পরিশোধ করা হয়। কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে টিকা রপ্তানি বন্ধ করায় চুক্তি অনুযায়ী টিকা পায়নি বাংলাদেশ। দুই চালানে ৩ কোটি ডোজের মধ্যে মাত্র বাংলাদেশে ৭০ লাখ দেশে আসে। এরপর সরকার টিকার জন্য চীন, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। এরই ফলশ্রুতিতে চীন থেকে উপহার হিসাবে এ পর্যন্ত মোট ১১ লাখ টিকা পাওয়া গেছে, যা গত ২৫ মে প্রথম প্রয়োগ শুরু হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন