মামলা করতে লাগবে বাদীর এনআইডি নম্বর: হাইকোর্ট
jugantor
মামলা করতে লাগবে বাদীর এনআইডি নম্বর: হাইকোর্ট

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৫ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আদালতে বা থানায় মামলা বা অভিযোগ (এফআইআর) করার ক্ষেত্রে বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর উল্লেখ করতে হবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্ট বিচারিক হাকিম বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে এখন থেকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) ৪৯টি মামলা তদন্ত করে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ভুয়া বাদীর মামলা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

রিট আবেদনকারীর বিরুদ্ধে করা বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সেই সঙ্গে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে রিট আবেদনকারীকে যারা হয়রানি করছে-তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না-তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক, র‌্যাবের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনার, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) উপমহাপরিদর্শকসহ ৪০ বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিট আবেদনটি করেছিলেন ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, চুরি-ডাকাতি, মানব পাচার, অ্যাসিড নিক্ষেপসহ নানা অভিযোগের ৪৯টি মামলার আসামি রাজধানীর শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা একরামুল আহসান কাঞ্চন। আদালতে তার আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এমাদুল হক বসির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। ঢাকার শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা কাঞ্চনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি, মানব পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে ওই ৪৯টি মামলা হয়।

আইনজীবী এমাদুল হক বসির বলেন, মারামারির মামলায় ২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট সূত্রাপুর থানা পুলিশ একরামুল আহসান কাঞ্চনকে প্রথম গ্রেফতার করে। এরপর দুই বছর তিন মাস তিনি কারাগারে ছিলেন। এর মধ্যে ১৭টি মামলা হয়। পরে ২০১৫ সালের ২১ মে জামিনে বের হয়ে আসেন কাঞ্চন। পরে আরও বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং তিনি জামিনে বের হয়ে আসেন।

গত বছর অক্টোবরে নারায়ণগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি কারখানার মালিক পরিচয় দিয়ে কাঞ্চনের বিরুদ্ধে ৪৯তম মামলাটি করা হয়। কিন্তু সেই মামলার বাদীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমাদুল হক বসির বলেন, এ বিবেচনায় একরামুল আহসান কাঞ্চন ৩৬ মামলায় খালাস পেয়েছেন। বাকি ১৩ মামলায় তিনি জামিনে আছেন।

মামলা করতে লাগবে বাদীর এনআইডি নম্বর: হাইকোর্ট

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৫ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আদালতে বা থানায় মামলা বা অভিযোগ (এফআইআর) করার ক্ষেত্রে বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর উল্লেখ করতে হবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্ট বিচারিক হাকিম বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে এখন থেকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) ৪৯টি মামলা তদন্ত করে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ভুয়া বাদীর মামলা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

রিট আবেদনকারীর বিরুদ্ধে করা বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সেই সঙ্গে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে রিট আবেদনকারীকে যারা হয়রানি করছে-তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না-তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক, র‌্যাবের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনার, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) উপমহাপরিদর্শকসহ ৪০ বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিট আবেদনটি করেছিলেন ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, চুরি-ডাকাতি, মানব পাচার, অ্যাসিড নিক্ষেপসহ নানা অভিযোগের ৪৯টি মামলার আসামি রাজধানীর শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা একরামুল আহসান কাঞ্চন। আদালতে তার আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এমাদুল হক বসির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। ঢাকার শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা কাঞ্চনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি, মানব পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে ওই ৪৯টি মামলা হয়।

আইনজীবী এমাদুল হক বসির বলেন, মারামারির মামলায় ২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট সূত্রাপুর থানা পুলিশ একরামুল আহসান কাঞ্চনকে প্রথম গ্রেফতার করে। এরপর দুই বছর তিন মাস তিনি কারাগারে ছিলেন। এর মধ্যে ১৭টি মামলা হয়। পরে ২০১৫ সালের ২১ মে জামিনে বের হয়ে আসেন কাঞ্চন। পরে আরও বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং তিনি জামিনে বের হয়ে আসেন।

গত বছর অক্টোবরে নারায়ণগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি কারখানার মালিক পরিচয় দিয়ে কাঞ্চনের বিরুদ্ধে ৪৯তম মামলাটি করা হয়। কিন্তু সেই মামলার বাদীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমাদুল হক বসির বলেন, এ বিবেচনায় একরামুল আহসান কাঞ্চন ৩৬ মামলায় খালাস পেয়েছেন। বাকি ১৩ মামলায় তিনি জামিনে আছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন