দেশে করোনায় মৃত্যু ফের অর্ধশত ছাড়াল
jugantor
২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩০৫০
দেশে করোনায় মৃত্যু ফের অর্ধশত ছাড়াল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৫ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু। সীমান্তবর্তী প্রায় প্রতিটি জেলায় করোনা শনাক্তের হার ২০ থেকে ৪০ শতাংশ। সীমান্তের পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও বাড়ছে সংক্রমণ। নতুন করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেড় মাস পর দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আবার তিন হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এক দিনে মৃত্যু ফের ছাড়িয়েছে অর্ধশত।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও তিন হাজার ৫০ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এর আগে এক দিনে এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল ২৬ এপ্রিল। সেদিন তিন হাজার ৩০৬ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ে। এ নিয়ে দেশে করোনায় শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট লাখ ২৯ হাজার ৯৭২ জনে। এক দিনে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর চেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছিল ৯ মে। সেদিন ৫৬ জনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ১৭২ জন। সরকারি হিসাবে, আক্রান্তদের মধ্যে এক দিনে আরও দুই হাজার ৫৬৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন সাত লাখ ৬৮ হাজার ৮৩০ জন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ। শনাক্তের সংখ্যা আট লাখ পেরিয়ে যায় এ বছর ৩১ মে। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ৭ এপ্রিল রেকর্ড সাত হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১১ মে তা ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যু হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫১২টি ল্যাবে ২০ হাজার ৬০২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬১ লাখ ৯৫ হাজার ৭১৪টি নমুনা। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৯৭টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৬ লাখ ৭৬ হাজার ২১৭টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের ৩৯ জন পুরুষ আর নারী ১৫ জন।

তাদের ৪০ জন সরকারি হাসপাতালে, ১০ জন বেসরকারি হাসপাতালে এবং চারজন বাসায় মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২৭ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৪ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ছয়জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছর, পাঁচজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর, একজনের ২১ থেকে ৩০ বছর এবং একজনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ছিল। মৃতদের মধ্যে ১৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১৪ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ১৩ জন রাজশাহী বিভাগের, সাতজন খুলনা বিভাগের, একজন বরিশাল বিভাগের, পাঁচজন রংপুর বিভাগের এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা। এ পর্যন্ত মৃত ১৩ হাজার ১৭২ জনের মধ্যে ৯ হাজার ৪৭৭ জন পুরুষ এবং তিন হাজার ৬৯৫ জন নারী।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩০৫০

দেশে করোনায় মৃত্যু ফের অর্ধশত ছাড়াল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৫ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু। সীমান্তবর্তী প্রায় প্রতিটি জেলায় করোনা শনাক্তের হার ২০ থেকে ৪০ শতাংশ। সীমান্তের পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও বাড়ছে সংক্রমণ। নতুন করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেড় মাস পর দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আবার তিন হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এক দিনে মৃত্যু ফের ছাড়িয়েছে অর্ধশত।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও তিন হাজার ৫০ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এর আগে এক দিনে এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল ২৬ এপ্রিল। সেদিন তিন হাজার ৩০৬ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ে। এ নিয়ে দেশে করোনায় শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট লাখ ২৯ হাজার ৯৭২ জনে। এক দিনে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর চেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছিল ৯ মে। সেদিন ৫৬ জনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ১৭২ জন। সরকারি হিসাবে, আক্রান্তদের মধ্যে এক দিনে আরও দুই হাজার ৫৬৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন সাত লাখ ৬৮ হাজার ৮৩০ জন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ। শনাক্তের সংখ্যা আট লাখ পেরিয়ে যায় এ বছর ৩১ মে। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ৭ এপ্রিল রেকর্ড সাত হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১১ মে তা ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যু হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫১২টি ল্যাবে ২০ হাজার ৬০২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬১ লাখ ৯৫ হাজার ৭১৪টি নমুনা। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৯৭টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৬ লাখ ৭৬ হাজার ২১৭টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের ৩৯ জন পুরুষ আর নারী ১৫ জন।

তাদের ৪০ জন সরকারি হাসপাতালে, ১০ জন বেসরকারি হাসপাতালে এবং চারজন বাসায় মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২৭ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৪ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ছয়জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছর, পাঁচজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর, একজনের ২১ থেকে ৩০ বছর এবং একজনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ছিল। মৃতদের মধ্যে ১৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১৪ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ১৩ জন রাজশাহী বিভাগের, সাতজন খুলনা বিভাগের, একজন বরিশাল বিভাগের, পাঁচজন রংপুর বিভাগের এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা। এ পর্যন্ত মৃত ১৩ হাজার ১৭২ জনের মধ্যে ৯ হাজার ৪৭৭ জন পুরুষ এবং তিন হাজার ৬৯৫ জন নারী।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন