সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ: মোজাম্মেল হক খান
jugantor
সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ: মোজাম্মেল হক খান

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, সাধারণত ধারণা করা হয়, সুইস ব্যাংকের টাকা অবৈধভাবে গেছে। কারণ যারা অর্থ সেখানে রাখে, তারা মনে করে, ওই জায়গাটি নিরাপদ। ওইখানে টাকা নিলে কেউ জানবে না। ফলে কারা টাকা সেখানে রেখেছে, তা অনুসন্ধান ছাড়া সুনির্দিষ্ট মতামত দেওয়া ঠিক হবে না।

বিস্তারিত তথ্য পেলে পরিষ্কার হওয়া যাবে, যে এটি খারাপ না ভালো লোকের টাকা। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।

তিনি বলেন, পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের অভাব রয়েছে। দক্ষতা সম্পূর্ণ এবং প্রতিশ্রুতিশীল প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে বিদেশ থেকে টাকা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে দুদকের বাইরে পুলিশ এবং ব্যাংক কাজ করে। এক্ষেত্রে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকা লন্ডারিং করা হলে সেটি নিয়ে দুদক কাজ করে।

কিন্তু কেউ যদি নিজের টাকাও বিদেশে পাঠায়, সেটিও অপরাধ। কিন্তু ওই অপরাধটি দুদকের আওতায় নয়। আর জালিয়াতিসহ অন্য অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত টাকা পাঠালে, সেটি সিআইডি (পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ) দেখছে। ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, দুদকের আওতা বেশি নয়।

এ কারণে আমরা বলছি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের কাজে আমাদের শতভাগ সাফল্য। কারণ এ পর্যন্ত আমরা যতটা কাজ করেছি, তার সব আসামির সাজা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য সংস্থায় এতটা সাফল্য আসেনি।

সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ: মোজাম্মেল হক খান

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, সাধারণত ধারণা করা হয়, সুইস ব্যাংকের টাকা অবৈধভাবে গেছে। কারণ যারা অর্থ সেখানে রাখে, তারা মনে করে, ওই জায়গাটি নিরাপদ। ওইখানে টাকা নিলে কেউ জানবে না। ফলে কারা টাকা সেখানে রেখেছে, তা অনুসন্ধান ছাড়া সুনির্দিষ্ট মতামত দেওয়া ঠিক হবে না।

বিস্তারিত তথ্য পেলে পরিষ্কার হওয়া যাবে, যে এটি খারাপ না ভালো লোকের টাকা। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।

তিনি বলেন, পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের অভাব রয়েছে। দক্ষতা সম্পূর্ণ এবং প্রতিশ্রুতিশীল প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে বিদেশ থেকে টাকা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে দুদকের বাইরে পুলিশ এবং ব্যাংক কাজ করে। এক্ষেত্রে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকা লন্ডারিং করা হলে সেটি নিয়ে দুদক কাজ করে।

কিন্তু কেউ যদি নিজের টাকাও বিদেশে পাঠায়, সেটিও অপরাধ। কিন্তু ওই অপরাধটি দুদকের আওতায় নয়। আর জালিয়াতিসহ অন্য অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত টাকা পাঠালে, সেটি সিআইডি (পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ) দেখছে। ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, দুদকের আওতা বেশি নয়।

এ কারণে আমরা বলছি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের কাজে আমাদের শতভাগ সাফল্য। কারণ এ পর্যন্ত আমরা যতটা কাজ করেছি, তার সব আসামির সাজা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য সংস্থায় এতটা সাফল্য আসেনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন