দেশে শনাক্তের হার ১৮ শতাংশ ছাড়াল
jugantor
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫৪ চিহ্নিত ৩৮৮৩
দেশে শনাক্তের হার ১৮ শতাংশ ছাড়াল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাস মহামারি রূপ নিচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় বাড়ছে শনাক্ত ও মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কিছুটা কমলেও বেড়েছে সংক্রমণ। শুধু খুলনা বিভাগেই হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। যা ২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৮ এপ্রিল শনাক্তের হার ছিল ১৯ শতাংশ। আগেরদিন এ হার ছিল ১৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। একদিনে নতুন করে দেশে আরও ৩ হাজার ৮৮৩ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ৩ হাজার ৮৪০ জন। এনিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৮ লাখ ৪৪ হাজার ৯৭০ জন হয়েছে। একদিনে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগেরদিন মারা যান ৬৩ জন। সবমিলিয়ে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ৩৯৯ জন। একদিনে আরও ১ হাজার ৯৫৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৪২১ জন। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছর ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫২৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১২৬টি, জিন এক্সপার্ট ৪৬টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৩৫৬টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২১ হাজার ৩৭৩টি। পরীক্ষা করা হয়েছে ২০ হাজার ৮৮২টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬২ লাখ ৮৮ হাজার ৫৩৯টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ, এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ১২ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, খুলনা বিভাগে ৮ জন, বরিশাল বিভাগের ৪ জন, সিলেট বিভাগে ২ জন ও মময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৫১ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১ জন ও বাড়িতে ২ জন মারা গেছেন। মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ২৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন রয়েছেন।

এতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১ হাজার ৯৫১ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৪৮৫ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৬ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৪৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ২৯ হাজার ৬৫৯ জন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫৪ চিহ্নিত ৩৮৮৩

দেশে শনাক্তের হার ১৮ শতাংশ ছাড়াল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাস মহামারি রূপ নিচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় বাড়ছে শনাক্ত ও মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কিছুটা কমলেও বেড়েছে সংক্রমণ। শুধু খুলনা বিভাগেই হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। যা ২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৮ এপ্রিল শনাক্তের হার ছিল ১৯ শতাংশ। আগেরদিন এ হার ছিল ১৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। একদিনে নতুন করে দেশে আরও ৩ হাজার ৮৮৩ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ৩ হাজার ৮৪০ জন। এনিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৮ লাখ ৪৪ হাজার ৯৭০ জন হয়েছে। একদিনে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগেরদিন মারা যান ৬৩ জন। সবমিলিয়ে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ৩৯৯ জন। একদিনে আরও ১ হাজার ৯৫৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৪২১ জন। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছর ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫২৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১২৬টি, জিন এক্সপার্ট ৪৬টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৩৫৬টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২১ হাজার ৩৭৩টি। পরীক্ষা করা হয়েছে ২০ হাজার ৮৮২টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬২ লাখ ৮৮ হাজার ৫৩৯টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ, এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ১২ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, খুলনা বিভাগে ৮ জন, বরিশাল বিভাগের ৪ জন, সিলেট বিভাগে ২ জন ও মময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৫১ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১ জন ও বাড়িতে ২ জন মারা গেছেন। মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ২৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন রয়েছেন।

এতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১ হাজার ৯৫১ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৪৮৫ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৬ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৪৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ২৯ হাজার ৬৫৯ জন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন