ঢাকা ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি টাকা গায়েব
jugantor
ঢাকা ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি টাকা গায়েব
দুই কর্মকর্তা গ্রেফতার

  পুরান ঢাকা প্রতিনিধি  

১৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকা গায়েব হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দুই কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তারা হলেন- ব্যাংকটির সিনিয়র অফিসার ক্যাশ ইনচার্জ রিয়াজুল হক (৩৩) ও ম্যানেজার অপারেশন এমরান আহমেদ (৪৬)।

শুক্রবার বংশাল থানার ওসি আবুল খায়ের যুগান্তরকে জানান, বৃহস্পতিবার ঢাকা ব্যাংকের ওই শাখায় অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটি ভল্টের টাকার হিসাব মেলাতে গেলে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকার গরমিল পায়। তখন অডিট কমিটি ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিককে বিষয়টি অবহিত করে। ম্যানেজার কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই কর্মকর্তাদের বংশাল থানা পুলিশে সোপর্দ করে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছে। কিন্তু এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের আইনি ক্ষমতা না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শিডিউলভুক্ত হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আটক ব্যাংকটির এফভিপি ও ম্যানেজার অপারেশন এমরান আহমেদ রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রীর এইচ ব্লকের ২৮ নম্বর বাড়ির ফরিদ আহাম্মদের ছেলে। আর সিনিয়র অফিসার ক্যাশ ইনচার্জ রিয়াজুল হক রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার গোলাপ বাগের ৩২/সি/২ নম্বর বাড়ির মৃত মাহফুজুল হকের ছেলে। তারা উভয়ই ওইসব এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা বলে জানায় পুলিশ।

ঢাকা ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি টাকা গায়েব

দুই কর্মকর্তা গ্রেফতার
 পুরান ঢাকা প্রতিনিধি 
১৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকা গায়েব হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দুই কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তারা হলেন- ব্যাংকটির সিনিয়র অফিসার ক্যাশ ইনচার্জ রিয়াজুল হক (৩৩) ও ম্যানেজার অপারেশন এমরান আহমেদ (৪৬)।

শুক্রবার বংশাল থানার ওসি আবুল খায়ের যুগান্তরকে জানান, বৃহস্পতিবার ঢাকা ব্যাংকের ওই শাখায় অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটি ভল্টের টাকার হিসাব মেলাতে গেলে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকার গরমিল পায়। তখন অডিট কমিটি ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিককে বিষয়টি অবহিত করে। ম্যানেজার কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই কর্মকর্তাদের বংশাল থানা পুলিশে সোপর্দ করে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছে। কিন্তু এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের আইনি ক্ষমতা না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শিডিউলভুক্ত হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আটক ব্যাংকটির এফভিপি ও ম্যানেজার অপারেশন এমরান আহমেদ রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রীর এইচ ব্লকের ২৮ নম্বর বাড়ির ফরিদ আহাম্মদের ছেলে। আর সিনিয়র অফিসার ক্যাশ ইনচার্জ রিয়াজুল হক রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার গোলাপ বাগের ৩২/সি/২ নম্বর বাড়ির মৃত মাহফুজুল হকের ছেলে। তারা উভয়ই ওইসব এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা বলে জানায় পুলিশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন