দুই হাজার ১২৫ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন এডিবির
jugantor
সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা
দুই হাজার ১২৫ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন এডিবির

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের সামাজিক কর্মসূচির উন্নয়নে ২৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার ১২৫ কোটি টাকা। শুক্রবার সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এডিবির দক্ষিণ এশিয়ার সিনিয়র সোশ্যাল সেক্টর বিশেষজ্ঞ হিরোকো উচিমুরা শিরোশিই বলেছেন, করোনা মহামারির প্রভাব বিবেচনায় সামাজিক সুরক্ষা সহায়তা বৃদ্ধি করা গুরুত্বপূর্ণ। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান পুনরুদ্ধারে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো আরও শক্তিশালী করতে হবে। এডিবির এ অর্থায়ন বাংলাদেশ সরকারকে সামাজিক সুরক্ষাগুলো শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ গত দুই দশকে দারিদ্র্য হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০০০ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৯ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের তথ্যানুযায়ী কমে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৫ শতাংশে। গত দুই দশকে অনেক লোককে চরম দারিদ্র্য থেকে সরিয়ে নেওয়া হলেও এখনো যথেষ্ট সংখ্যক জনগোষ্ঠী চরম দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে। এর মধ্যে করোনভাইরাস মহামারি দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যার প্রভাবে ২০২০ সালে ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বছর শেষে অর্জন হয়েছে মাত্র ৫ দশমিক ২ শতাংশ।

এডিবি বলেছে, সামাজিক কর্মসূচির মধ্যে বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নের আন্তঃখাতের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত সংস্কার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাপনার প্রশাসনিক দক্ষতার উন্নতির মাধ্যমে সুরক্ষা ব্যবস্থার কভারেজ ও দক্ষতা বাড়ানো। কর্মসূচিটি ৬২ বছরের বেশি বয়সি নারীদের জন্য বয়স্ক ভাতা এবং ১৫০টি উপজেলায় বিধবা, নির্জন ও নিঃস্ব নারীদের জন্য ভাতার আওতা বাড়িয়ে তাদের জীবন মান্নোয়নে ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া অন্য সংস্কারগুলোর মধ্যে রয়েছে, মোবাইল আর্থিক পরিষেবাগুলোর ব্যবহারকে উৎসাহ দেওয়া এবং একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করা। এছাড়া ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজনীয়তা সহজ করে সামাজিক বিমার ব্যবস্থাসহ সামাজিক চিকিৎসার মাধ্যমে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে সামাজিক সুরক্ষার সুযোগকে আরও বিস্তৃত করা।

সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা

দুই হাজার ১২৫ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন এডিবির

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের সামাজিক কর্মসূচির উন্নয়নে ২৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার ১২৫ কোটি টাকা। শুক্রবার সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এডিবির দক্ষিণ এশিয়ার সিনিয়র সোশ্যাল সেক্টর বিশেষজ্ঞ হিরোকো উচিমুরা শিরোশিই বলেছেন, করোনা মহামারির প্রভাব বিবেচনায় সামাজিক সুরক্ষা সহায়তা বৃদ্ধি করা গুরুত্বপূর্ণ। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান পুনরুদ্ধারে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো আরও শক্তিশালী করতে হবে। এডিবির এ অর্থায়ন বাংলাদেশ সরকারকে সামাজিক সুরক্ষাগুলো শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ গত দুই দশকে দারিদ্র্য হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০০০ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৯ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের তথ্যানুযায়ী কমে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৫ শতাংশে। গত দুই দশকে অনেক লোককে চরম দারিদ্র্য থেকে সরিয়ে নেওয়া হলেও এখনো যথেষ্ট সংখ্যক জনগোষ্ঠী চরম দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে। এর মধ্যে করোনভাইরাস মহামারি দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যার প্রভাবে ২০২০ সালে ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বছর শেষে অর্জন হয়েছে মাত্র ৫ দশমিক ২ শতাংশ।

এডিবি বলেছে, সামাজিক কর্মসূচির মধ্যে বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নের আন্তঃখাতের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত সংস্কার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাপনার প্রশাসনিক দক্ষতার উন্নতির মাধ্যমে সুরক্ষা ব্যবস্থার কভারেজ ও দক্ষতা বাড়ানো। কর্মসূচিটি ৬২ বছরের বেশি বয়সি নারীদের জন্য বয়স্ক ভাতা এবং ১৫০টি উপজেলায় বিধবা, নির্জন ও নিঃস্ব নারীদের জন্য ভাতার আওতা বাড়িয়ে তাদের জীবন মান্নোয়নে ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া অন্য সংস্কারগুলোর মধ্যে রয়েছে, মোবাইল আর্থিক পরিষেবাগুলোর ব্যবহারকে উৎসাহ দেওয়া এবং একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করা। এছাড়া ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজনীয়তা সহজ করে সামাজিক বিমার ব্যবস্থাসহ সামাজিক চিকিৎসার মাধ্যমে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে সামাজিক সুরক্ষার সুযোগকে আরও বিস্তৃত করা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন