যা কিছু অর্জন সবই আ.লীগের হাত ধরে
jugantor
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভায় শেখ হাসিনা
যা কিছু অর্জন সবই আ.লীগের হাত ধরে
মানুষের অধিকার আদায়ে সবচেয়ে বেশি রক্ত দিয়েছে আওয়ামী লীগ * আ.লীগ না থাকলে মানুষ আবারও বেশি শোষিত-বঞ্চিত হবে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাটি ও মানুষের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে জন্মের পর থেকে এ পর্যন্ত দীর্ঘ বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। ভাষার অধিকার, স্বাধীনতাসহ দেশের যা কিছু অর্জন-সবই এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশের মানুষ সুখে থাকে। দেশের কল্যাণ হয়, উন্নতি হয়। আওয়ামী লীগ না থাকলে দেশের মানুষ শোষিত-বঞ্চিত হয়।

বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ যাতে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেজন্য অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়ানোর জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলতে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করে শেখ হাসিনা বলেন, আইয়ুব-ইয়াহিয়া-জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ারা আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু পারেনি। কারণ, আওয়ামী লীগ কোনো অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী সামরিক স্বৈরাচারের হাতে তৈরি বা জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক দল নয়। এদেশের মানুষের অধিকার ও মুক্তির জন্যই আওয়ামী লীগের সৃষ্টি হয়েছিল। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তির লক্ষ্যে যে দলের জন্ম, সেই দলকে ধ্বংস করা যায় না, যাবেও না।

আওয়ামী লীগকে দেশের একমাত্র জনপ্রিয়, তৃণমূলের সংগঠন ও গণমানুষের রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে, স্বাধীনতা এবং পরবর্তী গণতান্ত্রিক প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষের অধিকার আদায়ে রাজপথে থেকে সবচেয়ে বেশি রক্ত দিয়েছে আওয়ামী লীগ। শহিদদের তালিকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সবচেয়ে বেশি। কিছু বাম দল ছাড়া একমাত্র আওয়ামী লীগই হচ্ছে এদেশের মাটি ও মানুষের মধ্যে থেকে উঠে আসা তৃণমূলের সংগঠন ও গণমানুষের দল। অন্য যারা (রাজনৈতিক দল) আছে, তারা গণমানুষের দল নয়, সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক স্বৈরাচারের হাতে জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক দল। তারা জনগণের কল্যাণে কোনো কাজ করেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাস আমাদের যথেষ্ট কষ্ট দিচ্ছে। বিশ্বব্যাপী এটা একটা বিরাট সমস্যা। তারপরও আমরা আমাদের অর্থনীতির গতিটা সব সময় ঠিক রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। যদিও করোনায় অনেক ক্ষতি হচ্ছে, তারপরও যে লক্ষ্যটা ছিল, সেটা হয়তো পূরণ করতে পারিনি। কিন্তু তারপরও বলব, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশই সবচেয়ে ভালো স্থানে আছে এবং থাকবে।

তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন কোনো ম্যাজিক না, এটা আমাদের পরিকল্পনা, এটা আমাদের একটা দর্শন, একটা আদর্শ। গ্রামের মানুষকে সবার আগে গুরুত্ব দিয়েছি। জাতির পিতা চেয়েছিলেন-গ্রাম থেকে উন্নয়ন করা, গ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। গ্রামের মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে তাদের দুঃখ দূর করা। ঠিক সেভাবে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি বলেই আমরা ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছি, এগিয়ে যেতে পারছি।

আওয়ামী লীগের সমালোচকদের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, একশ্রেণির মানুষ আছে, যারা দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি হলে গণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক সরকার এলে তাদের সুযোগ বাড়ে, মন্ত্রী বা উপদেষ্টা হওয়ার সুযোগ হয়। এ কারণে দেশের জন্য নয়, ক্ষমতার জন্য তারা ছুটে, অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের পদলেহন করে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় কিংবা ক্ষমতার বাইরে যখন যেখানেই থাকুক, যে কোনো দুর্যোগ-সংকটে ছুটে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায়, মানুষের কল্যাণ করে। ক্ষমতায় থাকতেও আওয়ামী লীগ যা কিছু করে, তা জনগণের কল্যাণেই করে। এটা ওই শ্রেণির লোকদের পছন্দ হয় না। তাই তারা সমালোচনা করে।

টিকা নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার এই মহাসংকটের সময়ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে এবং থাকবে। করোনার শুরুর পর থেকেই ভ্যাকসিন নিয়ে যেসব দেশ গবেষণা করেছে, তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। অনেক বড় বড় দেশ যখন করোনার ভ্যাকসিন আনতে পারেনি, আমরা তখন ভ্যাকসিন এনে মানুষের দেহে বিনা মূল্যে প্রয়োগ করেছি। দেশের প্রত্যেক মানুষ যাতে ভ্যাকসিনের আওতায় আসে, ভ্যাকসিন পায়, আমরা সেই উদ্যোগ নেব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ প্রান্তে স্বাগত বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আলোচনায় অংশ নেন প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী ও উত্তরের সভাপতি শেখ ফজলুর রহমান।

গণভবন প্রান্ত থেকে আলোচনাসভা সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির পিতাসহ ১৫ আগস্ট সব শহিদ, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভায় শেখ হাসিনা

যা কিছু অর্জন সবই আ.লীগের হাত ধরে

মানুষের অধিকার আদায়ে সবচেয়ে বেশি রক্ত দিয়েছে আওয়ামী লীগ * আ.লীগ না থাকলে মানুষ আবারও বেশি শোষিত-বঞ্চিত হবে
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাটি ও মানুষের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে জন্মের পর থেকে এ পর্যন্ত দীর্ঘ বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। ভাষার অধিকার, স্বাধীনতাসহ দেশের যা কিছু অর্জন-সবই এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশের মানুষ সুখে থাকে। দেশের কল্যাণ হয়, উন্নতি হয়। আওয়ামী লীগ না থাকলে দেশের মানুষ শোষিত-বঞ্চিত হয়।

বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ যাতে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেজন্য অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়ানোর জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলতে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করে শেখ হাসিনা বলেন, আইয়ুব-ইয়াহিয়া-জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ারা আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু পারেনি। কারণ, আওয়ামী লীগ কোনো অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী সামরিক স্বৈরাচারের হাতে তৈরি বা জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক দল নয়। এদেশের মানুষের অধিকার ও মুক্তির জন্যই আওয়ামী লীগের সৃষ্টি হয়েছিল। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তির লক্ষ্যে যে দলের জন্ম, সেই দলকে ধ্বংস করা যায় না, যাবেও না।

আওয়ামী লীগকে দেশের একমাত্র জনপ্রিয়, তৃণমূলের সংগঠন ও গণমানুষের রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে, স্বাধীনতা এবং পরবর্তী গণতান্ত্রিক প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষের অধিকার আদায়ে রাজপথে থেকে সবচেয়ে বেশি রক্ত দিয়েছে আওয়ামী লীগ। শহিদদের তালিকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সবচেয়ে বেশি। কিছু বাম দল ছাড়া একমাত্র আওয়ামী লীগই হচ্ছে এদেশের মাটি ও মানুষের মধ্যে থেকে উঠে আসা তৃণমূলের সংগঠন ও গণমানুষের দল। অন্য যারা (রাজনৈতিক দল) আছে, তারা গণমানুষের দল নয়, সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক স্বৈরাচারের হাতে জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক দল। তারা জনগণের কল্যাণে কোনো কাজ করেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাস আমাদের যথেষ্ট কষ্ট দিচ্ছে। বিশ্বব্যাপী এটা একটা বিরাট সমস্যা। তারপরও আমরা আমাদের অর্থনীতির গতিটা সব সময় ঠিক রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। যদিও করোনায় অনেক ক্ষতি হচ্ছে, তারপরও যে লক্ষ্যটা ছিল, সেটা হয়তো পূরণ করতে পারিনি। কিন্তু তারপরও বলব, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশই সবচেয়ে ভালো স্থানে আছে এবং থাকবে।

তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন কোনো ম্যাজিক না, এটা আমাদের পরিকল্পনা, এটা আমাদের একটা দর্শন, একটা আদর্শ। গ্রামের মানুষকে সবার আগে গুরুত্ব দিয়েছি। জাতির পিতা চেয়েছিলেন-গ্রাম থেকে উন্নয়ন করা, গ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। গ্রামের মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে তাদের দুঃখ দূর করা। ঠিক সেভাবে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি বলেই আমরা ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছি, এগিয়ে যেতে পারছি।

আওয়ামী লীগের সমালোচকদের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, একশ্রেণির মানুষ আছে, যারা দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি হলে গণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক সরকার এলে তাদের সুযোগ বাড়ে, মন্ত্রী বা উপদেষ্টা হওয়ার সুযোগ হয়। এ কারণে দেশের জন্য নয়, ক্ষমতার জন্য তারা ছুটে, অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের পদলেহন করে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় কিংবা ক্ষমতার বাইরে যখন যেখানেই থাকুক, যে কোনো দুর্যোগ-সংকটে ছুটে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায়, মানুষের কল্যাণ করে। ক্ষমতায় থাকতেও আওয়ামী লীগ যা কিছু করে, তা জনগণের কল্যাণেই করে। এটা ওই শ্রেণির লোকদের পছন্দ হয় না। তাই তারা সমালোচনা করে।

টিকা নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার এই মহাসংকটের সময়ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে এবং থাকবে। করোনার শুরুর পর থেকেই ভ্যাকসিন নিয়ে যেসব দেশ গবেষণা করেছে, তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। অনেক বড় বড় দেশ যখন করোনার ভ্যাকসিন আনতে পারেনি, আমরা তখন ভ্যাকসিন এনে মানুষের দেহে বিনা মূল্যে প্রয়োগ করেছি। দেশের প্রত্যেক মানুষ যাতে ভ্যাকসিনের আওতায় আসে, ভ্যাকসিন পায়, আমরা সেই উদ্যোগ নেব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ প্রান্তে স্বাগত বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আলোচনায় অংশ নেন প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী ও উত্তরের সভাপতি শেখ ফজলুর রহমান।

গণভবন প্রান্ত থেকে আলোচনাসভা সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির পিতাসহ ১৫ আগস্ট সব শহিদ, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন