নির্মাণ শেষের আগেই ভেঙে পড়ল ব্রিজ
jugantor
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য
নির্মাণ শেষের আগেই ভেঙে পড়ল ব্রিজ

  কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৮ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নির্মাণাধীন গার্ডার ব্রিজ ভেঙে খালে পড়েছে।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নির্মাণাধীন গার্ডার ব্রিজ ভেঙে খালে পড়েছে। পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দোভাষীপাড়ায় রোববার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এর পরপরই নির্মাণ শ্রমিকরা পালিয়ে যান। সরকারি অর্থায়নে কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় পৌরসভার দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি চলছিল। পৌর কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কথা বলতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাউকেই পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, কাগজে-কলমে এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সৈয়দ মো. সোহেল অ্যান্ড দীপ এন্টারপ্রাইজের নাম থাকলেও মূলত মামুন নামের এক ঠিকাদারের কাছে তারা এ কাজটি বিক্রি করে দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, সিমেন্ট

কম ব্যবহারসহ ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী কাজ না করার কারণে এমনটি হয়েছে। বিভিন্ন সময় স্থানীয়রা প্রকৌশলী ও পৌর মেয়রের কাছে অভিযোগ দিলেও তারা কর্ণপাত করেনি।

পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুজ্জামান জানান, তিনি গত ২১ জুন কাজে যোগ দিয়েছেন। সেতুর বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই। সেতু ভেঙে পড়ার কারণ তদন্ত ছাড়া বলা যাবে না। পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, এ বিষয়ে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য

নির্মাণ শেষের আগেই ভেঙে পড়ল ব্রিজ

 কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৮ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নির্মাণাধীন গার্ডার ব্রিজ ভেঙে খালে পড়েছে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নির্মাণাধীন গার্ডার ব্রিজ ভেঙে খালে পড়েছে। ছবি:যুগান্তর

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নির্মাণাধীন গার্ডার ব্রিজ ভেঙে খালে পড়েছে। পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দোভাষীপাড়ায় রোববার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এর পরপরই নির্মাণ শ্রমিকরা পালিয়ে যান। সরকারি অর্থায়নে কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় পৌরসভার দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি চলছিল। পৌর কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কথা বলতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাউকেই পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, কাগজে-কলমে এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সৈয়দ মো. সোহেল অ্যান্ড দীপ এন্টারপ্রাইজের নাম থাকলেও মূলত মামুন নামের এক ঠিকাদারের কাছে তারা এ কাজটি বিক্রি করে দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, সিমেন্ট

কম ব্যবহারসহ ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী কাজ না করার কারণে এমনটি হয়েছে। বিভিন্ন সময় স্থানীয়রা প্রকৌশলী ও পৌর মেয়রের কাছে অভিযোগ দিলেও তারা কর্ণপাত করেনি।

পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুজ্জামান জানান, তিনি গত ২১ জুন কাজে যোগ দিয়েছেন। সেতুর বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই। সেতু ভেঙে পড়ার কারণ তদন্ত ছাড়া বলা যাবে না। পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, এ বিষয়ে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন