এক গ্রুপের খেলাপি ঋণ ৪৬৫ কোটি টাকা
jugantor
খেলাপি ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ
এক গ্রুপের খেলাপি ঋণ ৪৬৫ কোটি টাকা
ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান বাংলাদেশ শাখা

  হামিদ বিশ্বাস  

০৪ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের (এনবিপি) বাংলাদেশ শাখার আর্থিক পরিস্থিতি খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। বলা চলে কার্যক্রম এখন স্থবির। ঋণ বিতরণ করেছে প্রায় ১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে ১ হাজার ৩৫৯ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। শীর্ষ ১০ খেলাপির কাছে আটকে আছে প্রায় ৭৩০ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে আবার এক গ্রুপেরই খেলাপি ৪৬৫ কোটি টাকা। এসব টাকা আদায়ের কোনো সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে পাওয়া গেছে এসব এসব তথ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংকটির বাংলাদেশে শীর্ষ খেলাপি হলো-কটন গ্রুপ। গ্রুপটির তিন প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা প্রায় ৪৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে কটন করপোরেশন ও ওয়াফা এন্টারপ্রাইজের ২৮৫ কোটি এবং জুমাইরাহ এন্টারপ্রাইজের ১৮০ কোটি টাকা। এর বাইরে ইব্রাহিম টেক্সটাইলের খেলাপি ২৯ কোটি, ঢাকেশ্বরী হায়েটসের ৩২ কোটি, ডিজি নিটিং কোম্পানির ৪২ কোটি, এসবি ট্রেডার্সের ২৯ কোটি, ওয়ার্ল্ড টেল বিডির ৩৭ কোটি, আলেয়া সোয়েটারের ২৯ কোটি, টেক্সটাইল ভারসুসোর ৩০ কোটি, বিআই এন্টারপ্রাইজের ৩৫ কোটি টাকা। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা সুদে-আসলে আরও বেড়েছে। জানতে চাইলে এনবিপির বাংলাদেশ প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এরই ফলে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ২১ কোটি ১৩ লাখ টাকা পরিচালন মুনাফা হয়েছে। যেখানে গত বছর ২২ কোটি টাকা লোকসান ছিল। তিনি বলেন, ব্যাংকটিকে লাভজনক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে খুব চেষ্টা করছি। কস্ট অব ফান্ড কমানো হয়েছে। আমি ২০১৫ সালে এনবিপিতে যোগদানের পর এই প্রথম মুনাফার দেখা মিলল। ইতোমধ্যে সবচেয়ে বড় ঋণখেলাপি কটন গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। গ্রুপটির ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না। আবার গ্রুপের কর্ণধারও অসুস্থ। তাই বিপদে আছেন। তবে তিনি টাকা দিতে চান। আমরা প্রাথমিকভাবে তার ঋণগুলো পুনঃতফসিল করার চেষ্টা করছি। এই গ্রুপ থেকে শুধু মূল ঋণই পাব ১৬৫ কোটি টাকা। এর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সুদ যোগ করলে সাড়ে চারশ’ কোটি টাকার বেশি হয়। এছাড়া সিলেট শাখা গুটিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পেয়েছি। শাখাটি দ্রুতই গুটিয়ে নেওয়া হবে।

জানা গেছে, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের বাংলাদেশে কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে ব্যাংকটির বিতরণ করা ঋণের প্রায় শতভাগ খেলাপি হয়ে গেছে। আটকে গেছে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার আমানত। এ অবস্থায় বছরের পর বছর লোকসান গুনছে ব্যাংকটি।

বাংলাদেশে ব্যাংকটির চারটি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে একটি শাখা বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত। এসব শাখায় বর্তমানে তেমন কোনো গ্রাহক নেই। বিপুল অঙ্কের খেলাপি গ্রাহকদের খুঁজেও পাচ্ছে না ব্যাংক। তাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রমালিকানাধীন এই বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণের সুবিধাভোগী কারা, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

এনবিপি ও বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকটি ঋণ বিতরণ করেছে ১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে ১ হাজার ৩৫৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। খেলাপি ঋণের প্রায় পুরো টাকাই ক্ষতিজনক মানের। ফলে এসব ঋণ আদায় হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ঋণখেলাপি হয়ে পড়ায় ব্যাংকটির মূলধন শেষ হয়ে গেছে। তাই ২০১৪ সালে ৪২০ কোটি টাকা মূলধন আসে পাকিস্তান থেকে। এরপরও আর্থিক অবস্থার কোনো উন্নতি করতে পারেনি ব্যাংকটি। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর পর কিছুদিন মুনাফার মুখ দেখলেও এরপর থেকে লোকসানে পড়ে ব্যাংকটি। তবু বছরের পর বছর অজ্ঞাত কারণে লোকসান বয়ে নিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান সরকার। ব্যাংকটি ২০১০ সালে লোকসান করে ১৪ কোটি টাকা। ২০১১ সালে ৩২ লাখ টাকা মুনাফা করলেও পরের বছরে ১৩৭ কোটি টাকা লোকসান করে। ২০১৩ সালে লোকসান ১১৬ কোটি, ২০১৪ সালে লোকসান ৩১২ কোটি, ২০১৫ সালে লোকসান ৪২ কোটি এবং ২০১৬ সালে লোকসান করে আড়াই কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২০ সালেও ২২ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে ব্যাংকটি। তবে এবার লাভের আশা করছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে গত ছয় মাসে ২১ কোটি ১৩ লাখ টাকার পরিচালন মুনাফা করেছে এনবিপিবি।

জানা গেছে, ১৯৪৯ সালে পাকিস্তানের করাচিতে এনবিপির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় দেড় হাজার শাখা রয়েছে সে দেশে। পাশাপাশি ২১টি দেশেও শাখা রয়েছে ব্যাংকটির। বাংলাদেশে আগে থেকেই এনবিপির শাখা থাকলেও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের হাতছাড়া হয় এনবিপির শাখা। এ সময় এনবিপির সব সম্পত্তি ও বিনিয়োগ অধিগ্রহণ করে সোনালী ব্যাংক। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ক্ষমতায় থাকাকালীন এনবিপিকে নতুন করে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর ব্যাংকটি বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে ১৯৯৪ সালের আগস্টে। বর্তমানে বাংলাদেশে চারটি শাখা রয়েছে এনবিপির। চট্টগ্রাম ও সিলেট এবং রাজধানীর গুলশান ও মতিঝিলে এসব শাখা অবস্থিত। ব্যাংকটিতে শতাধিক জনবল রয়েছে। দুর্নীতি ও দীর্ঘদিন লোকসানে থাকায় সিলেট শাখা গুটিয়ে নিচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান। শাখাটি বন্ধে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন মিলেছে। আরও কিছু আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষে দ্রুত গুটিয়ে নেবে এ শাখার কার্যক্রম।

খেলাপি ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ

এক গ্রুপের খেলাপি ঋণ ৪৬৫ কোটি টাকা

ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান বাংলাদেশ শাখা
 হামিদ বিশ্বাস 
০৪ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের (এনবিপি) বাংলাদেশ শাখার আর্থিক পরিস্থিতি খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। বলা চলে কার্যক্রম এখন স্থবির। ঋণ বিতরণ করেছে প্রায় ১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে ১ হাজার ৩৫৯ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। শীর্ষ ১০ খেলাপির কাছে আটকে আছে প্রায় ৭৩০ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে আবার এক গ্রুপেরই খেলাপি ৪৬৫ কোটি টাকা। এসব টাকা আদায়ের কোনো সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে পাওয়া গেছে এসব এসব তথ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংকটির বাংলাদেশে শীর্ষ খেলাপি হলো-কটন গ্রুপ। গ্রুপটির তিন প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা প্রায় ৪৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে কটন করপোরেশন ও ওয়াফা এন্টারপ্রাইজের ২৮৫ কোটি এবং জুমাইরাহ এন্টারপ্রাইজের ১৮০ কোটি টাকা। এর বাইরে ইব্রাহিম টেক্সটাইলের খেলাপি ২৯ কোটি, ঢাকেশ্বরী হায়েটসের ৩২ কোটি, ডিজি নিটিং কোম্পানির ৪২ কোটি, এসবি ট্রেডার্সের ২৯ কোটি, ওয়ার্ল্ড টেল বিডির ৩৭ কোটি, আলেয়া সোয়েটারের ২৯ কোটি, টেক্সটাইল ভারসুসোর ৩০ কোটি, বিআই এন্টারপ্রাইজের ৩৫ কোটি টাকা। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা সুদে-আসলে আরও বেড়েছে। জানতে চাইলে এনবিপির বাংলাদেশ প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এরই ফলে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ২১ কোটি ১৩ লাখ টাকা পরিচালন মুনাফা হয়েছে। যেখানে গত বছর ২২ কোটি টাকা লোকসান ছিল। তিনি বলেন, ব্যাংকটিকে লাভজনক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে খুব চেষ্টা করছি। কস্ট অব ফান্ড কমানো হয়েছে। আমি ২০১৫ সালে এনবিপিতে যোগদানের পর এই প্রথম মুনাফার দেখা মিলল। ইতোমধ্যে সবচেয়ে বড় ঋণখেলাপি কটন গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। গ্রুপটির ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না। আবার গ্রুপের কর্ণধারও অসুস্থ। তাই বিপদে আছেন। তবে তিনি টাকা দিতে চান। আমরা প্রাথমিকভাবে তার ঋণগুলো পুনঃতফসিল করার চেষ্টা করছি। এই গ্রুপ থেকে শুধু মূল ঋণই পাব ১৬৫ কোটি টাকা। এর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সুদ যোগ করলে সাড়ে চারশ’ কোটি টাকার বেশি হয়। এছাড়া সিলেট শাখা গুটিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পেয়েছি। শাখাটি দ্রুতই গুটিয়ে নেওয়া হবে।

জানা গেছে, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের বাংলাদেশে কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে ব্যাংকটির বিতরণ করা ঋণের প্রায় শতভাগ খেলাপি হয়ে গেছে। আটকে গেছে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার আমানত। এ অবস্থায় বছরের পর বছর লোকসান গুনছে ব্যাংকটি।

বাংলাদেশে ব্যাংকটির চারটি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে একটি শাখা বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত। এসব শাখায় বর্তমানে তেমন কোনো গ্রাহক নেই। বিপুল অঙ্কের খেলাপি গ্রাহকদের খুঁজেও পাচ্ছে না ব্যাংক। তাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রমালিকানাধীন এই বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণের সুবিধাভোগী কারা, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

এনবিপি ও বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকটি ঋণ বিতরণ করেছে ১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে ১ হাজার ৩৫৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। খেলাপি ঋণের প্রায় পুরো টাকাই ক্ষতিজনক মানের। ফলে এসব ঋণ আদায় হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ঋণখেলাপি হয়ে পড়ায় ব্যাংকটির মূলধন শেষ হয়ে গেছে। তাই ২০১৪ সালে ৪২০ কোটি টাকা মূলধন আসে পাকিস্তান থেকে। এরপরও আর্থিক অবস্থার কোনো উন্নতি করতে পারেনি ব্যাংকটি। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর পর কিছুদিন মুনাফার মুখ দেখলেও এরপর থেকে লোকসানে পড়ে ব্যাংকটি। তবু বছরের পর বছর অজ্ঞাত কারণে লোকসান বয়ে নিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান সরকার। ব্যাংকটি ২০১০ সালে লোকসান করে ১৪ কোটি টাকা। ২০১১ সালে ৩২ লাখ টাকা মুনাফা করলেও পরের বছরে ১৩৭ কোটি টাকা লোকসান করে। ২০১৩ সালে লোকসান ১১৬ কোটি, ২০১৪ সালে লোকসান ৩১২ কোটি, ২০১৫ সালে লোকসান ৪২ কোটি এবং ২০১৬ সালে লোকসান করে আড়াই কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২০ সালেও ২২ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে ব্যাংকটি। তবে এবার লাভের আশা করছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে গত ছয় মাসে ২১ কোটি ১৩ লাখ টাকার পরিচালন মুনাফা করেছে এনবিপিবি।

জানা গেছে, ১৯৪৯ সালে পাকিস্তানের করাচিতে এনবিপির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় দেড় হাজার শাখা রয়েছে সে দেশে। পাশাপাশি ২১টি দেশেও শাখা রয়েছে ব্যাংকটির। বাংলাদেশে আগে থেকেই এনবিপির শাখা থাকলেও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের হাতছাড়া হয় এনবিপির শাখা। এ সময় এনবিপির সব সম্পত্তি ও বিনিয়োগ অধিগ্রহণ করে সোনালী ব্যাংক। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ক্ষমতায় থাকাকালীন এনবিপিকে নতুন করে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর ব্যাংকটি বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে ১৯৯৪ সালের আগস্টে। বর্তমানে বাংলাদেশে চারটি শাখা রয়েছে এনবিপির। চট্টগ্রাম ও সিলেট এবং রাজধানীর গুলশান ও মতিঝিলে এসব শাখা অবস্থিত। ব্যাংকটিতে শতাধিক জনবল রয়েছে। দুর্নীতি ও দীর্ঘদিন লোকসানে থাকায় সিলেট শাখা গুটিয়ে নিচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান। শাখাটি বন্ধে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন মিলেছে। আরও কিছু আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষে দ্রুত গুটিয়ে নেবে এ শাখার কার্যক্রম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন