খোলা থাকবে খাদ্য-চামড়া ওষুধ কারখানা
jugantor
২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট কঠোর লকডাউন
খোলা থাকবে খাদ্য-চামড়া ওষুধ কারখানা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী ২৩ জুলাই থেকে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউনে নির্দিষ্ট কিছু শিল্পকারখানা খোলা রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সোমবার এক প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আরোপিত বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত থাকবে খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন/প্রক্রিয়াজাতকরণ মিল কারখানা, কুরবানির পশুর চামড়া পরিবহণ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্পকারখানা।

তবে ওই প্রজ্ঞাপনে গার্মেন্ট ও শিল্প-কারখানা খোলার বিষয়ে কোনো কিছু উল্লেখ নেই। অর্থাৎ ১৩ জুলাই জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কঠোর লকডাউনে গার্মেন্ট শিল্প-কারখানা বন্ধই থাকছে।

প্রসঙ্গত, ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে চলমান বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে আবার কঠোর লকডাউন শুরু হবে, যা চলবে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন আরোপ করে সরকার। পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছিল।

গত ১৩ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ঈদের পর (২৩ জুলাই থেকে) কঠোর বিধিনিষেধ চলাকালে ২৩ ধরনের নির্দেশনা মানতে হবে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে। সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহণ (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে।

সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে। টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করবে। ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট কঠোর লকডাউন

খোলা থাকবে খাদ্য-চামড়া ওষুধ কারখানা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী ২৩ জুলাই থেকে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউনে নির্দিষ্ট কিছু শিল্পকারখানা খোলা রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সোমবার এক প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আরোপিত বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত থাকবে খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন/প্রক্রিয়াজাতকরণ মিল কারখানা, কুরবানির পশুর চামড়া পরিবহণ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্পকারখানা।

তবে ওই প্রজ্ঞাপনে গার্মেন্ট ও শিল্প-কারখানা খোলার বিষয়ে কোনো কিছু উল্লেখ নেই। অর্থাৎ ১৩ জুলাই জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কঠোর লকডাউনে গার্মেন্ট শিল্প-কারখানা বন্ধই থাকছে।

প্রসঙ্গত, ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে চলমান বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে আবার কঠোর লকডাউন শুরু হবে, যা চলবে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন আরোপ করে সরকার। পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছিল।

গত ১৩ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ঈদের পর (২৩ জুলাই থেকে) কঠোর বিধিনিষেধ চলাকালে ২৩ ধরনের নির্দেশনা মানতে হবে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে। সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহণ (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে।

সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে। টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করবে। ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।
 

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন