করোনায় ১৭ দিনে সবচেয়ে কম মৃত্যু
jugantor
২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৬৩৬৪
করোনায় ১৭ দিনে সবচেয়ে কম মৃত্যু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈদের ছুটিতে করোনায় মৃত্যু কমেছে। টানা তিন দিন পর মৃত্যু ফের ২০০ এর নিচে নেমে এসেছে। মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্তের হার। ঈদের ছুটিতে নমুনা পরীক্ষা কম হওয়ায় শনাক্তের সংখ্যা কমেছে। তবে শনাক্তের হার বেড়েছে। ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা ১৭ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। ৬ জুলাইয়ের চেয়ে কম ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়। গত চার দিনে দেশে করোনা মহামারিতে মারা গেছেন ৭২৬ জন। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮,৮৫১ জন। আগে যেখানে দৈনিক ৪০ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা হতো সেখানে ঈদের তিন দিনে পরীক্ষা হয়েছে মাত্র ৫৬ হাজার ৯৫৮টি। নমুনা পরীক্ষা কম হওয়ায় নতুন রোগী শনাক্তও হয়েছে কম। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নতুন করে আরও ছয় হাজার ৩৬৪ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৬৪ জন। তবে শনাক্তের হার কিছুতেই কমছে না। ঈদের ছুটিতে গড়ে শনাক্তের হার ছিল ৩০ শতাংশের ওপরে। সরকারি হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৯ হাজার ছয়জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হলেন ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬১৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

ঈদের আগের দিন মঙ্গলবার করোনায় মারা গেছেন ২০০ জন। ওই দিন ১১ হাজার ৫৭৯ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ২৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। টানা চার দিন পর বুধবার মৃত্যু ফের ২০০ এর নিচে নামে। ওই দিন মারা যায় ১৭৩ জন। ঈদের দিন নমুনা পরীক্ষা অনেক কম হয়। বুধবার ২৪ হাজার ৯৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয় সাত হাজার ৬১৪ জন। ওই দিন নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় সংক্রমণের হার ছিল ৩০ দশমকি ৪৮ শতাংশ। ঈদের দ্বিতীয় দিন করোনায় মারা গেছেন ১৮৭ জন। বৃহস্পতিবার আগের দিনের চেয়ে আরও কম নমুনা পরীক্ষা হয়। ওইদিন মাত্র ১১ হাজার ৪৮৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এতে শনাক্ত হয়েছিল তিন হাজার ৬৯৭ জন। যা এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ম শনাক্ত। সংক্রমণ কম হলেও এদিন শনাক্তের হার ছিল ৩২ দশমিক ১৯ শতাংশ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৩৯টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩০টি, জিন এক্সপার্ট ৫২টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪৫৭টি। এসব ল্যাবে ১৯ হাজার ৭০৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা হয়েছে ২০ হাজার ৪৯৩টি। দেশে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৬৭টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৩৫ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৯৫ ও নারী ৭১ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১২৩ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৩৯ জন ও বাড়িতে চারজন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩, রাজশাহী বিভাগে সাত, খুলনা বিভাগে ৩৩, বরিশাল বিভাগে ১০ জন, সিলেট বিভাগে আটজন, রংপুর বিভাগে ১২ ও ময়মনসিংহ বিভাগে তিনজন আছেন।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২৭ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৪৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৫, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে সাতজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুজন রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৬৩৬৪

করোনায় ১৭ দিনে সবচেয়ে কম মৃত্যু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈদের ছুটিতে করোনায় মৃত্যু কমেছে। টানা তিন দিন পর মৃত্যু ফের ২০০ এর নিচে নেমে এসেছে। মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্তের হার। ঈদের ছুটিতে নমুনা পরীক্ষা কম হওয়ায় শনাক্তের সংখ্যা কমেছে। তবে শনাক্তের হার বেড়েছে। ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা ১৭ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। ৬ জুলাইয়ের চেয়ে কম ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়। গত চার দিনে দেশে করোনা মহামারিতে মারা গেছেন ৭২৬ জন। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮,৮৫১ জন। আগে যেখানে দৈনিক ৪০ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা হতো সেখানে ঈদের তিন দিনে পরীক্ষা হয়েছে মাত্র ৫৬ হাজার ৯৫৮টি। নমুনা পরীক্ষা কম হওয়ায় নতুন রোগী শনাক্তও হয়েছে কম। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নতুন করে আরও ছয় হাজার ৩৬৪ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৬৪ জন। তবে শনাক্তের হার কিছুতেই কমছে না। ঈদের ছুটিতে গড়ে শনাক্তের হার ছিল ৩০ শতাংশের ওপরে। সরকারি হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৯ হাজার ছয়জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হলেন ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬১৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

ঈদের আগের দিন মঙ্গলবার করোনায় মারা গেছেন ২০০ জন। ওই দিন ১১ হাজার ৫৭৯ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ২৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। টানা চার দিন পর বুধবার মৃত্যু ফের ২০০ এর নিচে নামে। ওই দিন মারা যায় ১৭৩ জন। ঈদের দিন নমুনা পরীক্ষা অনেক কম হয়। বুধবার ২৪ হাজার ৯৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয় সাত হাজার ৬১৪ জন। ওই দিন নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় সংক্রমণের হার ছিল ৩০ দশমকি ৪৮ শতাংশ। ঈদের দ্বিতীয় দিন করোনায় মারা গেছেন ১৮৭ জন। বৃহস্পতিবার আগের দিনের চেয়ে আরও কম নমুনা পরীক্ষা হয়। ওইদিন মাত্র ১১ হাজার ৪৮৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এতে শনাক্ত হয়েছিল তিন হাজার ৬৯৭ জন। যা এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ম শনাক্ত। সংক্রমণ কম হলেও এদিন শনাক্তের হার ছিল ৩২ দশমিক ১৯ শতাংশ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৩৯টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩০টি, জিন এক্সপার্ট ৫২টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪৫৭টি। এসব ল্যাবে ১৯ হাজার ৭০৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা হয়েছে ২০ হাজার ৪৯৩টি। দেশে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৬৭টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৩৫ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৯৫ ও নারী ৭১ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১২৩ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৩৯ জন ও বাড়িতে চারজন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩, রাজশাহী বিভাগে সাত, খুলনা বিভাগে ৩৩, বরিশাল বিভাগে ১০ জন, সিলেট বিভাগে আটজন, রংপুর বিভাগে ১২ ও ময়মনসিংহ বিভাগে তিনজন আছেন।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২৭ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৪৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৫, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে সাতজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুজন রয়েছেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন